মোবাইল দিয়ে ইউটিউব থেকে বিকাশে টাকা ইনকাম করার পদ্ধতি বা উপায়।

 কিভাবে ইউটিউব থেকে মোবাইল বিকাশে টাকা ইনকাম করা যায়?

  1. ইউটিউব কি?
  2. কিভাবে ইউটিউব দিবে টাকা কামানো যায়?
  3. মোবাইল দিয়ে ইউটিউব করে বিকাশে টাকা ইনকাম
  4. অনলাইন ইনকাম ২০২০ 
মোবাইল দিয়ে ইউটিউব থেকে বিকাশে টাকা ইনকাম করার  উপায়।

ইউটিউব কি?

ইউটিউব হলো ভিডিও শেয়ারিং সোশ্যাল মিডিয়া সাইট। এখানে একাউন্ট খুলে চ্যানেল তৈরি করে ভিডিও শেয়ার করা যায়।

ইউটিউব দিয়ে কি টাকা ইনকাম করা যায়?
জবাব হলো হ্যাঁ টাকা ইনকাম করা যায়। তবে তা ঘরে বসে ৭ দিনে হাজার ডলার এর মত সহজ না।
ঘরে বসে সহজে হাজার ডলার এর কথা হইতো শুনে থাকবেন কিন্তু এর বাস্তব ভিত্তি নাই।
একটু ভাবুন আমি যদি ঘরে বসে এম্নে এম্নে সহজে লাখ টাকা ( হাজার ডলার) কামাতে পারি তাইলে কি কষ্ট করে সেটা এরে অরে বলে বেড়াবো? পরিচিত অপরিচিত সবাইকে নক দিয়ে বলবো?
কখনই না।
তাই ইউটিউব দিয়ে টাকা কামানো গেলেও তা সহজ না।

কেনো ইউটিউব দিয়ে টাকা ইনকাম সহজ না? 
১। কয়েক বছর আগেও মানুষ কিছু ছবি  দিয়ে স্লাইড ভিডিও বানিয়ে ইউটিউব দিয়ে টাকা কামাতো। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে।
গুগল আর আগের মত সবাইকে এপ্রভাল দেই না।
২। আগে ইউটিউব ছিলো এমেচারদের জন্য এমেচারদের ভিদেও।তবে এখন বড় বড় সব মিডিয়া ই ইউটিউব এ তাদের অফিসিয়াল চ্যানেল রাখে।
৩। এখন এমেচার ভিডিও মেকাররাও 4k মানের ভালো কন্টেন্ট তৈরি করে। তাদের সাথে আপনি যদি জাস্ট মোবাইল দিয়ে আম পাতা জাম পাতা মানের ভিডিও দেন তাইলে মানুষ কেন আপনার ভিডিও দেখবে? কোন দুক্ষে সময় নষ্ট করবে?
৪। এখন ভিডিও মেকাররা যেমন ভালো কন্টেন্ট দিচ্ছে তেমনি দর্শকদের মধ্যেও ভালো রুচির ভিডিও দেখার প্রবনতা বাড়ছে।
ভিডিও এর ভয়েস/  স্ক্রিপ্ট ইত্যাদি যদি দুর্বল হয় তাইলে আসতে করে আনলাইক দিয়ে তারা ভালো ভিডিও তে চলে যাবে।

এসব যদি আপনি কাটিয়ে উঠতে পারেন তাইলে আশা করতে পারেন হইতো টাকা কামালে কামাতেও পারেন।

এবার আশুন জানি কি কি উপায়ে টাকা ইনকাম করা যায়।

১। এডস। ভিডিও তে এডস দিয়ে
২। স্পন্সর করে
৩নিজের পণ্য এর মার্কেটিং করে
৪। এফিলিয়েট এর মাধ্যমে 
৫। হেল্প চেয়ে

ইউটিউব দিয়ে ইনকাম এর বিস্তারিত

এডসঃ বিভিন্ন কোম্পানি ভিডিও তে এড দেখিয়ে তাদের প্রচারনা করে আপনাকে টাকা দিতে পারে।

স্পন্সর ঃ আপনার ভিডিও তে কোন কোম্পানি কিংবা ব্যক্তির স্পন্সর করে টাকা কামাতে পারেন। হইতো অনেক ভিডিও তে দেখে থাকবেন বিষয়টি।

প্রডাক্ট মার্কেটিংঃ আপনার যদি কোন দোকান থাকে বা এমন কোন প্রডাক্ট যা মানুষে কিনবে তাহলে সেই রিলেটেড ভিডিও বানিয়ে আপনার পণ্য এর সেল করে ইনকাম করতে পারেন। এমন করে টাকা ইনকাম করতে হলে আপনাকে রিভিউ টাইপ ভিডিও চ্যানেল করতে হবে।

এফিলিয়েটঃ  এফিলিয়েট আসলে উপরে বলা প্রডাক্ট মার্কেটিং ই, শুধু পার্থক্য আপনার নিজের প্রডাক্ট সেল না করে অন্য কোন কারো প্রডাক্ট সেল করবেন আর সেই সেলের লাভের একটা অংশ আপনি কমিশন হিসাবে পাবেন।

হেল্প চেয়েঃ   কয়েক বছর আগেও এটা তেমন একটা ছিলো না কিন্তু এখন আসছে। আপনি মানুষের কাজে লাগবে এমন ভিডিও বানিয়ে চ্যানেল দাড় করাতে পারলে আপনার ভিডিও তে আপনার অডিয়েন্স কে রিকোয়েস্ট করতে পারেন আপনার চ্যানেল এর কাজ চালিয়ে জেতে হেল্প করতে।

মোবাইল দিয়ে ইউটিউব করে টাকা কামানো যাবে? 

নির্ভর করছে আপনার অবস্থার উপর। আপনি যদি সব ঠিক রেখে কাজ চালাতে পারেন তাহলে হইতো হলেও পারে। তবে খুব বেশি হবে না। স্কুল কলেজে পড়ার সময় বন্ধুদের নিয়ে পার্টি দিতে কিংবা  নিজের জন্য টুকটাক কিছু কিনার মত ইনাক্ম হতে পারে হইতো।

কোন বিষয়ে ভিডিও বানাবেন?
ভাই আমার টাকা কামানোর জন্য কিংবা চুলেরব্রেটী হওয়ার জন্য ফাউল ভিডিও বানায়েন না।
প্রাঙ্ক ভিডিও লুচ্চামি ভিডিও কিংবা অমুক রাতে তমুকের কি করলো এমন ভিডিও বানানো হতে বিরত থাকেন।
যুদ্ধ,ইতিহাস, বিজনেস, স্মার্টনেস, ইসলামিক, কিংবা আপনি আপনার একাডেমিক যে বিষয়ে ভালো পারেন সে বিষয় নিয়ে চ্যানেল করুন। 





Powered by Blogger.