স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার পিকচার ছবি ডাউনলোড ২০২১

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার পিকচার ছবি ডাউনলোডঃ নারী পুরুষের প্রেমের পিক ফটো 

আমাদের অনেকে আছে যারা ফেসবুক বা অন্য সোশ্যাল মিডিয়াতে নিজের ছবি দিতে চান না। তারা প্রোফাইলে বা কাভারে নিজেদের বিবাহিত জীবনের ভালবাসার সাইন হিসাবে স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার পিকচার বা হাতের ছবি  দিতে চান। আজকে অনেক গুলো স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার ছবি আপলোড করছি।

  1. স্বামী স্ত্রীর হাতের পিক
  2. স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার পিকচার
  3. স্বামী স্ত্রীর ইসলামিক ছবি
  4. স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার ছবি

ছবি গুলো ইউজ করতে মানা আছে। এই পোস্ট এর ছবি পোস্টেই দেখেন কিন্তু অন্য কোথাও ছবি গুলো ইউজ করবেন না। করলে তার দায় তার হিসাব আপনার উপর। আমি এবং আমার ব্লগ দায় মুক্ত।

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার পিকচার ফটো 


স্বামী স্ত্রীর হাতের ছবি

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার ছবি

স্বামী স্ত্রীর ছবি পিক

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার পিক




নারী পুরুষের প্রেমের ফটো
 










স্বামী স্ত্রীর সংসার ও বিয়ে নিয়ে এক বোনের কিছু নাসিহাহ

এই রামাদানে অবিবাহিত বোনেরা বিয়ের জন্য দুয়া করার সময় যৌতুকবিহীন বিয়ে ও উত্তম রিজিক্বের জন্য দুয়া করতে পারেন। রামাদান শেষ হলেও এই দুয়া কন্টিনিউ করে যেতে পারেন। বিয়েটা প্রপার সুন্নাহ মেনেই যেন হয়ে যায় এজন্য আল্লাহর কাছে চাইতে থাকুন। চাওয়ার মতো করে চাইলে তিনি এমন ভাবে দেবেন যেভাবে আপনি হয়তো কল্পনাও করেননি।
.
তবে হ্যাঁ, হেভ লেস এক্সপেক্টেশনস ফ্রম য়্যুর স্পাউজ। বিলাসবহুল জীবনে অভ্যস্ত হলে বা এমন জীবনের আশা থাকলে ধীরে ধীরে ওটাকে কমিয়ে আনুন। কম এক্সপেক্টেশন রেখে বিয়ের চিন্তা করবেন এতে নিজের জন্যেই ভালো হবে। বিয়ের আগের জীবনের মতো বিয়ের পরের জীবনটাও পরীক্ষারই। দুনিয়াটাই যেহেতো আমাদের জন্য পরীক্ষাগার, অতএব এমন হওয়াই স্বাভাবিক।
তাই বেশি ফ্যান্টাসি না রাখলে প্রত্যেকটা অনাকাঙ্ক্ষিত ছোট ছোট বিষয়েও আপনি অনেক বেশি স্পেশ্যাল ফিল করবেন। আর বেশি এক্সপেক্টেশন রাখলে খুব অল্প সময়েই (আল্লাহ না করুন) তা ব্রেক করবে। আর তখন আপনি এমনভাবে ভেঙে পড়বেন যেখান থেকে উঠে আসতে অনেক কষ্ট হয়ে যাবে। হালাল সম্পর্ক হচ্ছে, একজন নতুন মানুষ আপনার গার্ডিয়ান হচ্ছে, আপনার জীবন ও ইজ্জতের হিফাজতের দায়িত্ব আল্লাহ তার হাতে দিচ্ছেন, এটাইতো সবথেকে বড় নিয়ামত। এর বাইরে যা সবই বোনাস।
.
ফেসবুকের প্রতিবাদী বোনেদের কমনসেন্স যুক্ত লেখা পড়ে অতিরিক্ত আকাঙ্খা করবেন, অতিরিক্ত প্রতিবাদী হতে চাইবেন, ইহসানের বদলে অধিকারকে সদাসর্বদা প্রাধান্য দেবেন....তখন না নিজে সুখী হবেন, না নিজের বরকে সুখে রাখতে পারবেন/থাকতে দেবেন। মাথায় রাখবেন- ফেসবুকে মাজলুম বোনেরাও মাজলুম থাকে এবং যারা মাজলুম না তারাও নিজেদের মাজলুম ভেবে সেভাবে নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বা তাদেরকে করানো হয়, ফিল করানো হয়। এসবে প্রভাবিত হয়ে বিয়েফোবিয়া বা বিয়ে করে খুব প্রতিবাদী হওয়ার আশা করবেন না। সংসারটা রণক্ষেত্র না, আদালতও না-এটা মাথায় রাখা জরুরী।
.
আবারো বলি, একজন ঈমানদার পুরুষের স্ত্রী হওয়ার জন্য, উত্তম রিজিক্বের জন্য দুয়া করতে থাকবেন। যতদিন বিয়ে হচ্ছে না, পরিবারকে সময় দিন, তাদেরকে কাজে সাহায্য করুন। তাদের প্রতি ভালোবাসা আপনার কাজে কর্মে প্রকাশ করুন, তাদেরকে দুয়াতে রাখতে ভুলে যাবেন না। যে পরিবারকে ফর গ্রান্টেড নিয়ে অবহেলা করছেন, ঐ পরিবারের জন্যই কোনো একদিন খুউউউব কষ্ট হতে পারে। একবার কল্পনা করুন, বাবা-মা থেকে অনেক অনেক অনেক দূরে আপনি। আপনার খুব মনে পরছে তাদের। যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন যথেষ্ট উন্নত। এরপরেও হয়তো আপনি তাদেরকে দেখতে যেতে পারবেন না। এখনকার লকডাউনে কেউ কি চাইলেও পারছে বাবা-মাকে দেখে আসতে? পারছে না। এইদিন নতুন করে কারোর না হোক! তবুও এমন দিন যদি আপনাদের জীবনেও আসে... তার আগেই যারা আপনাকে দুনিয়া দেখানোর ওয়াসিলা হয়েছেন, তাদের হক্বগুলো একটু আদায় করার চেষ্টা করুন।
.
সর্বশেষে একটা কথা বলে শেষ করি, নিজের বিয়ের আগের জীবনটাকেও অন্যের সাথে তুলনা করবেন না,পরের জীবনটাকেও করবেন না। অন্যের সুখ-দুঃখ আর আপনার জীবনের সুখ-দুঃখ এক না। বিয়ের আগে ও পরে জীবনের দুটো পর্যায়েই মানুষ নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন হয়। আপনি খালি অন্যের জীবনে হয় সুখটাই দেখেন নয় দুঃখ। এভাবে সিদ্ধান্ত নেয়াটাই ভুল। আল্লাহর কাছে সবসময় সাহায্য চান ও তাওয়াক্কুল করুন। জীবনের কোনো এক পর্যায়ে (আল্লাহ না করুন) খুব প্রয়োজনবোধ করলে নিজের কোনো সিনিয়র মাহরাম পুরুষ কিংবা কোনো (প্রাক্টিসিং) মুসলিম কাউন্সিলর/সাইক্রাটিস্টের সাথে বসবেন। ফেসবুকের অনভিজ্ঞ (মূলত) পুরুষ বিদ্বেষী তবে আপাতদৃষ্টিতে প্রো ওম্যান বোনেদের সাথে বসে নিজের জীবন নিজের হাতে নষ্ট করবেন না। পরিবার ভাঙা কখনোই সমাধান না। এটা সর্বশেষ এবং একেবারে না পারতে নেয়া সিদ্ধান্ত হতে পারে। একটা সংসার দুই বা ততোধিক মানুষের শরীরের ঘাম, পরিশ্রম, স্যাক্রিফাইস ও ভালোবাসার ফলাফল। সংসার গড়তে অনেক কষ্ট করা লাগে। এত সহজেই এটা ভাঙার চিন্তা আনবেন না কখনো। (প্রো ওম্যান(পুরুষ বিদ্বেষী) আপুদের লেখা পড়লে অতিসহজেই এমন চিন্তা চলে আসতে পারে বা এমন সিচুয়েশন ক্রিয়েট করার চিন্তা মাথায় ঘুরবে যেটার রেজাল্ট হবে আপনার সংসারে অশান্তি কিংবা সংসারটারই পরিসমাপ্তি)।
আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করবেন, দুয়া করবেন, সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবেন। মনে রাখবেন, যেই আল্লাহ পরীক্ষায় ফেলেন, তিনিই উদ্ধারকারী। নিজের হাতে গড়া সংসারকে ভাঙার মতো স্টেপ নেয়ার আগে অনেকবার ভাববেন। এটা যেন এমন স্টেপ না হয় যেটার জন্য পরে আপনার আফসোস করা লাগবে। আপনাদের ঈমান,আমল ও শারিরীক- মানসিক সুস্থতা আল্লাহর জিম্মায় থাকুক, আপনাদের দুয়াতে আমাকেও একটু স্মরণ রাখবেন।
- Sadiya Tamanna



ভালবাসার ছবি 






স্বামী স্ত্রীর জন্য দরকারিঃ  ফরজ গোসল এর জরুরী কথা 


মজার কিন্তু ঃ ভারতের নারীদের যোনি নিয়ে নিউজ 

ছবি গুলো ব্লগে দেখা ছাড়া অন্য কোথাও ইউজ করা নিষেধ ।যদি করেন তাহলে তার দায় ও সব হিসাব আপনার উপর থাকবে। আমি এবং আমার ব্লগ দায় ও হিসাব মুক্ত।  


অনেক স্বামী স্ত্রী কাপল নিজেদের সুন্দর হাসি হাসি আনন্দের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন যদিও তারা নিজেরা নিজেরা বেশিরভাগ সময় ঝগড়া করেই পার করেন কিন্তু ফেসবুক এ ছবি আপলোড দেন ভালবাসাময়!!

এই ছবি দেখে আবার অনেক আনাড়ি কাপল যারা জানেনা ঝগড়া করেও কিভাবে মেকি ছবি দিয়ে বাইরের মানুষ কে বুঝানো যায় যে আমরা খুব লাকি কাপল!!
তারা আফসোস করেন!!
অনেক অবিবাহিত ভাই বোন হ্যাঁ হুতাশ করেন কাপলদের পিক দেখে!!

কার নজর কখন লাগবে তা আপনি জানতেও পারবেন না।
এমন অবস্থায় নিজেদের হাসি আনন্দ নিজেদের ঝগড়া কষ্ট এসব নিজেদের মধ্যে রাখায় উত্তম না?  



Powered by Blogger.