ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় :  ভার্জিন মেয়ের লক্ষণ বা সতী মেয়ে চেনার সহজ উপায়

ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় : ভার্জিন মেয়ের লক্ষণ বা সতী মেয়ে চেনার সহজ উপায়

ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় ঃ ভার্জিন মেয়ের লক্ষণ, সতী বা কুমারী মেয়ে চেনার সহজ উপায়


ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় :  ভার্জিন মেয়ের লক্ষণ বা সতী মেয়ে চেনার সহজ উপায়



 যোনী দেখে চিনা ঃ

ল্যাবিয়া মেজরা বা যোনীর বাইরের দিকের পাপড়ি বা পাতা প্রায় সম্পূর্ণ ভাবে এক সাথে লাগানো থাকবে এবং যোনী মুখ দেখা যাবেনা।
ল্যাবিয়া মাইনরা বা ভিতর দিকের পাপড়িও সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ থাকবে এবং ল্যাবিয়া মেজরা বা বাইরের দিকের পাপড়ি দিয়ে ঢাকা থাকবে পুরোটাই। ল্যাবিয়া মেজরা না সরালে সাধারন ভাবে  দেখা যাবেনা। সতিচ্ছেদ  বা হাইমেন অক্ষত থাকবে।


হাইমেন যদিও বেশ কিছু  কারনে ছিঁড়ে যেতে পারে। এটি ছিঁড়লে সাধারণত রক্তপাত  হয়।  সাইকেল চালানো, সাতার কাটা বা অন্য কোন কারনেও হাইমেন ছিঁড়ে জেতে পারে কোন মিলন ছাড়াই।

ল্যাবিয়া মাইনরার নিচের পাতা একত্রে থাকবে।ক্লিটোরিস খুব ছোট হবে  এবং এর আবরণকারী চামড়াও পাতলা হবে। 

ভার্জিন মেয়ের যোনীপথ সরু এবং ভিতরের খাজ কাটা ভাঁজগুলি মসৃণ হবে না এবং ভাজ অনেক বেশি হবে।




স্তন দেখে কুমারী মেয়ে চেনার সহজ উপায়ঃ


কুমারী নারীর  স্তন স্বাভাবিক ভাবে ছোট  থাকে। বুক  চ্যাপ্টা হবে গোল নয়।  স্তন হবে না বরং দৃঢ় হবে
নিপলের চারপাশে যে  অংশ থাকে তার রঙ গোলাপি থেকে হালকা বাদামী রঙ এর মতো হবে (কম গাঢ় রঙ হবে) এবং নিপলের আকার ছোট হবে।



অনেক সময় অনেক মেয়ের কয়েকবার যৌনমিলনের পরেও হাইমেন বা সতীচ্ছদ অক্ষত থাকে। এদের সিউডোভারজিন বা নকল ভার্জিন বলা হয়। তবে এর হার অনেক কম।


সতী মেয়ে চেনার উপায় কি


১. ভ্যাজিনায় দুই ধরনের লিপ(ঠোট) থাকে- লিবিয়া মেজরা, লিবিয়া মাইনরা। লিবিয়া মেজরা বাইরের দিকে আর লিবিয়া মাইনরা ভিতরের দিকে থাকে। 
এদের কাজ হল যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখা।দু পা ফাক করার পর মেয়ে ভার্জিন  হলে লিবিয়া মেজরা একটার সাথে অন্যটা লেগে থেকে যোনী ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।পা আলাদা করার সাথে সাথে যোনীর ভিতরের দিক দেখতে পারবেন না। 


২. যদি ভার্জিন মেয়ে না হয় তবে পা ফাক করার সাথে সাথে লিবিয়া মেজরা  দু দিকে সরে যাবে।এটা কিছুটা বড় হবে, দু দিকে নেতিয়ে থাকবে।

৩. অনেক সময় বিভিন্ন কারনে ভার্জিন হওয়ার পরেও  লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার পর দুদিকে সরে যেতে পারে। কিন্তু ভার্জিন মেয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লিবিয়া মাইনোরা যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে। যা ভিতরের দিকে থাকে।

কুমারী মেয়ে চেনার সহজ উপায়

কুমারী মেয়ে চেনার সহজ উপায়

৪. ভার্জিন মেয়েদের ক্ষেত্রে লিবিয়া মেজরা কিন্তু দেখতে ছোট থাকবে অথবা দেখতে টান টান এবং মসৃন থাকবে। ভার্জিন না হলে এটা বড় দেখা যাবে কিংবা বাইরের দিকে ঝুলে থাকতে দেখা যাবে ।

৫. মেয়েদের যোনী দেখে কিছুটা জানলেন। এখন আলোচনা হবে ভিতরের পর্দা নিয়ে।
 দুপা ফাক করে আপনার দু হাত দিয়ে মেয়ের গোপন অঙ্গের লিপ  বা পাতা সরিয়ে দিন। যোনির চামড়া দুদিকে সরালে যোনি ছিদ্র দেখতে পাবেন। পর্দা আছে কিনা চেক করুন। পর্দা কেমন কীভাবে বুঝবো এসব বুঝার দরকার নেই, পর্দা থাকলে দেখলে এমনিতেই বুঝবেন।
 পর্দা থাকলে তো কোন কথাই নেই পর্দা না থাকলেও সমস্যা নাই। হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সেক্ষেত্রে ছিদ্রের আকার ের দিকে নজর দিন । ছিদ্রের মুখ যদি গোলাকার হয় তবে মেয়েটি ভার্জিন। 
ছেলেদের জন্নঃ  কনডম  ইউজ করার টিপস
  1. ভার্জিন মেয়ের ছবি
  2.  ভার্জিন মেয়ের লক্ষণ
  3.  সতী মেয়ে চেনার উপায় কি
  4.  কুমারী মেয়ে চেনার সহজ উপায় 
  5. মেয়েদের কুমারীত্ব চেনার উপায় 
  6. ভার্জিন হওয়ার উপায়
  7.  ভার্জিন অর্থ কি
  8.  কুমারীত্ব পরীক্ষার উপায়

ভার্জিন মেয়ের বা সতী মেয়ে নিয়ে 

এবার কিছু সোজা সাপটা কথা।

মেয়ে ভার্জিন কিনা চেক করার আগে নিজের অবস্থা চেক করুন। আপনি জীবনে কত মেয়ের সাথে প্রেম করছেন? কত মেয়ের হাত ধরছেন? রাস্তায় কইবার মেয়েদের টাচ করছেন? কল্পনার কথা বাদ দিলাম কেননা  তার হিসাব আপনার কাছেও নাই।
অনেক সময় মেয়ে ভার্জিন হওয়ার পরেও খারাপ হয় কিংবা বিয়ের আগে মেয়ে প্রেম করেনি ঠিক কিন্তু বিয়ের পর পরকিয়া করে খায়েশ মিটায়! এদের ক্ষেত্রে কি বলবেন?
আবার অনেক মেয়েই নিজের কাছের মানুষদের থেকেই নির্যাতন এর স্বীকার হয়, অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে অনেক কিছু হয়ে যায়।
কোন দুর্ঘটনার কারনেও মেয়েদের গোপন অঙ্গের পরিবর্তন হয়ে জেতে পারে।
তাই সব ক্ষেত্রে মেয়ের শারিরিক ভারজিনিটি না দেখে চারিত্রিক দিকটাও দেখেন।
তাই বলে জেনে শুনে খবিশ মেয়ে বিয়ে করতে বলছি না, আপনার অধিকার আছে মেয়ের ব্যাপারে জানা।

কিন্তু বিয়ে হয়ে যাওয়ার আগে তো যোনী দেখতে পারবেন না তাই না?
আর বিয়ে হয়েই যখন গেছে তখন স্ত্রীর  যোনী হাতিয়ে অতিত খুজে সংসার নষ্ট করা বোকামি ছাড়া কিছুই না।
স্ত্রী কে উপদেশ দিন, বর্তমান ভবিষ্যৎ কীভাবে ইসলামিক ভাবে চলতে পারবে সেভাবে চলতে উৎসাহ দিন।


কোন এক আলেম থেকে শুঞ্ছিলাম বিয়ের পর অতীত জানতে চাওয়া ঠিক না।
আপনি নিজেই ভাবুন আপনার অতীত কি দুধের মত সাদা? অতীত হাতড়ালে আপনারও এমন অনেক কিছু বের হবে যা আপনার স্ত্রীর জন্য দূর কি বাত আপনি নিজেও নিজেকে ঘৃণা করতে পারেন। আছে না এমন অনেক পাপ?

যদি বলেন না নেই তাহলে বলবো আপনি পাপ কে ছোট করে দেখছেন তাই আনার নিজের বড় পাপ গুলোও ছোট হয়ে দেখাচ্ছে ।
তাছাড়া আমরা সবাই নিজেদের কাছে ভালো মানুষ, যত দোষ সব অপরজনের।
এ কথা মেয়েদের ক্ষেত্রেও সেম।


আপনি যদি প্রেমিকা ভার্জিন কিনা জানতে এই লেখা পড়ে থাকেন তাহলে আপনি বিয়াদব এবং খবিশ। আপনার শরীর অন্তর সবই পচা অথচ অপর নারীর দেহ ভার্জিন কিনা দেখে বেড়ান। আপনার স্ত্রীকেও তার প্রেমিক হাতিয়ে দেখুক ভার্জিন কিনা ,কেমন হবে তখন?

ভার্জিন মেয়ের ছবি



আর আপনি যদি আপনার স্ত্রী ভার্জিন কিনা জানতে পড়েন তাহলে বলবো
ভাই, বাদ দেন।

মেয়ের চরিত্র এখন কেমন দেখেন। ক্লাস ৯ এ থাকতে মেয়ে একবার ভুলে কি করছিলো সেটা দেখে আপনার সংসার নষ্ট করার মানে নাই যদি মেয়ে এখন শুধরে নেই।
তাছাড়া আমাদের দেশ মুসলিম দেশ এবং রক্ষণশীল। বাইরে যতই হাংকি পাংকি দেখেন না কেনো এখনো দেশ অতটা ধ্বংস হয়নি যে মেজরিটি মেয়ে চরিত্রহিন হয়ে গেছে।
মেজরিটি % মেয়ে এখনো ভার্জিন। তবে অনার্স পড়ুয়া মেয়ের ব্যাপারে এখন কথা আছে।
আর যদি প্রেম করা পাবলিক হয় তাহলে প্রেমিক কে নুড দেইনি এমন হওয়ার চান্স খুব কম।
এদের থেকে দূরে থাকাই উত্তম। আমি নিজে দেখছি এক মেয়ে আরেক মেয়েকে টিটকারি মারতে এই বলে যে এখন নাকি সব প্রেমিক প্রেমিকারাই এসব ছবি আদান প্রদান করে!! এসব করা এখন আর তেমন কিছু না ( এক মেয়ে আরেক মেয়ে কে উপদেশ দিছিলো এসব না করতে তার কমেন্টে মেয়েরাই ঐ মেয়েকে ধুয়ে দিছিলো!! এরা সবাই শহরের লেখাপড়া করা মেয়ে।
বিয়ের ক্ষেত্রে আমাদের ইসলামের নির্দেশ হলো চেহারা, সম্পদ এর চেয়ে   মেয়ে দ্বীনদার কিনা দেখা।মেয়ে পর্দা করে কিনা, মাহরাম নন মাহরাম মেনে চলে কিনা এসব দেখেন।
মাহরাম মেনে চলা বড় কথা কেননা অনেক মেয়েকেই এখন বোরকা হিজাবে দেখে পর্দা করা মেয়ে মনে হতে পারে কিন্তু পড়ে দেখবেন এরা Just Friend Best Friend / ছেলে কাজিন এদের কে কিছু মনেই করেনা। পারলে গা দিয়ে ঘষা ঘষি করেই অর্গাজম করে এমন অবস্থা(!)
সংসারে শান্তি চাইলে নিজে ভালো মুসলিম হোন, ভালো মুসলিম মেয়ে বিয়ের চেষ্টা করুন এবং ভালোভাবে পরিবারে ইসলাম কায়েম করুন।

অনেক কথা বললাম। ভাল লাগা খারাপ লাগা নিয়ে ভাবছি  না। যদি ইসলাম এর সাথে যাই না এমন কিছু বলে থাকি তাহলে দলিল ,যুক্তি দিয়ে কমেন্টে জানাতে পারেন, এক্ষেত্রে দরজা খোলা।

বারতঃ ভারত বা বারত এর মুভি, ছবি,নায়ক নায়িকা,ইতিহাস ও বিভিন্ন ছবি ।

বারতঃ ভারত বা বারত এর মুভি, ছবি,নায়ক নায়িকা,ইতিহাস ও বিভিন্ন ছবি ।

বারত ইতিহাস, বারত ফিল্ম ইতিহাস , খেলাধুলা, ক্রিকেট, বাংলাদেশ বনাম বারত কিংবা ভারত ( Ultimate Mega Guide On barot)






barot বারত

বারত কি?


বারত কি তা আমিও জানিনা। কিন্তু আপনি যদি ভারত কে ভুলে বারত লিখে থাকেন আর ভারত ই খুজে থাকেন তাহলে জি এই পেজটি আপনার জন্য।
বারত বা ভারত নিয়ে বেশ কিছু তথ্য নিয়ে লেখা হবে আজকের বারত গল্প।


            
                                                   চলুন শুরু করা যাক।



বারত ক্রিকেট

বারত এর ইতিহাসঃ

 বারত ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ইংরেজরা আসার বারত মুসলিম শাসনের অধিনে ছিল প্রায় ৮০০+ বছর।
বলা হয়ে থাকে অন্ধকার ভারত বা হিন্দুস্থান কে আলো দেখিয়েছিলো এই মুসলিম শাসন কাল।
এ কথা মুসলিম রা না বরং অমুসলিম ইতিহাসবিদরাই বলে থাকে।
কেননা আধুনিক শাসন, উচ্চ বর্ণের হিন্দুদের অত্যাচার থেকে বাচা, নানা ক্যু শিক্ষা , সুন্দর প্রশাসনিক বেবস্থা সবই এই মুসলিম শাসন কালেই বারত পেয়েছিলো।
যদিও ভারতের হিন্দুরা হিন্দুই রয়ে গেছে তাই সারা পৃথিবীর ইতিহাসবিদরা স্বীকার করলেও ভারতের হিন্দুরা স্বীকার করে না। বরং ভং চং মেরে মুসলিম শাসনের সময়ের ৫০০ বছরের পুরাতন মসজিদ ভেঙ্গে দাঙ্গা লাগিয়ে হাজার হাজার মুসলিম নারী শিশু খুন করে গর্ব করে।

বারত বা ভারত এর হিন্দুরা দাবি করে মুসলিম রা তাদের জোর করে মুসলিম হতে বাধ্য করেছে , কাফেরদের খুন করেছে গনহারে ব্লা ব্লা ব্লা।
আচ্ছা সাধারন একটা হিসাব করন তো,
বাংলাদেশ পাকিস্থান ভারত মিলে মানুষের সংখ্যা প্রায় ২০০ কোটি।
এর মধ্যে ভারত এর ২০ কোটি মুসলিম + বাংলাদেশের ১৫ কোটি মুসলিম + পাকিস্তানের ২০ কোটি মুসলিম।
সমান সমান  ৬৫ কোটি কিংবা বেশি হলে ৭০ কোটি মুসলিম আছে উপমহাদেশে।
আর হিন্দুর সংখ্যা থাকে ১৫০ কোটি !!!!!

মুসলিম শাসক রা যদি ৮০০ বছর ধরে হিন্দুদের গনহারে খুন করতো তাহলে এত হিন্দু কীভাবে থাকে তাও আবার ওদের পুরুষরা দুর্বল(!)

ভারত স্বাধীনতার ৭০ বছরের মধ্যে গনহত্তা ছাড়ায় জাস্ট দাঙ্গার মাধ্যমেই ভারতে থাকা মুসলিমদের সংখ্যা কমিয়ে দিচ্ছে সেখানে রাজা বাদশা আমলে ৮০০ বছর ধরে গনহারে হিন্দু খুন করা হলে দুনিয়ার বুকে হিন্দুর "হ"  ও থাকা সম্ভব ছিলো না।

বরং এটাই সত্য যে মুসলিম শাসক রা যত টুকু কঠিন হওয়া প্রয়োজন ছিলো তত টুকু কঠিন না হয়ে উলটা বেশি দরদি সাজতে গিয়ে প্রশাসনে হিন্দু বসিয়ে নিজেদের কাধে নিজেরা কুড়াল মেরেছিলো।
যেমন হয়েছে বাংলার নবাব সিরাজ এর সাথে।



বারত এর খেলা ঃ


বারত ক্রিকেটে নিজেদের যোগ্যতা প্রমান করেছে। কিন্তু এর মাধ্যমে সে অহংকার আর প্রতিবেশি দেশের সাথে বিবাদ ছাড়া কিছু অর্জন করতে পারেনি। সোনার কাপে যে পরিমান সোনা থাকে তা তো বাংলাদেশের বিমানের টয়লেটে পাওয়া যায়। তাই সোনার কাপ আহামরি কিছু না যদিনা মানুষ এর ভালবাসা না পাওয়া যায়।
ক্রিকেট এর কারনে বাংলাদেশ পাকিস্থান এবং শ্রীলংকা প্রতিবেশি দেশ হয়েও বারত কে একদম সহ্য করতে পারেনা।
আর সব বিশয়ে নাক  গোলানর কারনে হিন্দু দেশ হয়েও নেপাল আজ ভারতের শত্রু যদিও ছোট আর দুর্বল দেশ হওয়াই তেমন প্রকাশ করেনা।

Image result for nepal angry to india

বারত এর মুভি ঃ

ভারত কে বলা হয় ধর্ষণের রাজধানী। কেনো বলা হবে না? কেনই বা ধর্ষণ হবে না?
ওদের Lifestyle দেখেন তাহলেই বুঝতে পারবেন।
সিরিয়াল থেকে টক শো, মুভি থেকে স্কুল কলেজের অনুষ্ঠান সব খানেই ওদের মেয়েরা নাভি বগল পেট পিঠ দেখিয়ে পুরুষদের কাছে নিজেদের তুলে ধরতে ব্যাস্ত।
বাংলাদেশ থেকে যারা কলকাতা কিংবা ভারত এর অন্য অঙ্গে গেছেন তারা জানেন বাংলাদেশি দের জন্য ওদের রাস্তায় হাটা কত কঠিন। বিলিব না করলে কেউ গেছে এমন কাওকে জিজ্ঞেস করে দেখে দেখতে পারেন।
বুড়ি থেকে ছুড়ি সবাই নাভি পেট আর হাটা কাতা ব্লাউজ পড়ে বগল দেখাতে বিজি। কে কতটা দেখাতে পারে তার উপর নিরভর করে কে কতটা মডার্ন শিক্ষিত সাহসি ব্লা ব্লা।
কতক্ষন নিচে তাকিয়ে হাঁটবেন? চোখ উপরে তুললেই এসব ফ্রি মাগি দেখতে পাবেন যা ওদের সংস্কৃতি ই  ই ই ই ই ।


-15 Minutes গ্রুপ থেকে নেওয়া (Maruf Hasan )

india vs bangladesh controversy


মাগি :  মাগি শব্দটি যদিও এখন গালি কিন্তু মাগির আলাদা ইতিহাস আছে। আজকে জানবো সেটাই

মাগি : মাগি শব্দটি যদিও এখন গালি কিন্তু মাগির আলাদা ইতিহাস আছে। আজকে জানবো সেটাই

মাগি শব্দটি খারাপ হলেও মাগির আলাদা ইতিহাস আছে। আসুন জানি মাগি এর গল্প

মাগি

Follow my blog with Bloglovin পচা শব্দের জন্য কিছু মনে করবেন না। আসলে ব্লগে লেখার কিছু নিয়ম আছে সে অনুযায়ী যে শব্দ নিয়ে লেখা হবে তা টাইটেলে থাকতে হবে। এজন্যই ইউজ করছি।

মাগির ভূমিকা বাদ দিয়ে মূল কথা শুরু করি কি বলেন? হিহিহি।
আপনারা যারা সত্যিই মাগিদের ছবি দেখতে চান বা তাদের নাম্বার চান তারা সেগুলোর আগে একটু এই লেখাটা পড়ে দেখুন। মজা পাবেন সাথে যাদের (!) খুজছেন তাদের ডাক নামের গল্পও জানতে পারবেন।
ভাইয়েরা মেয়েদের নোংরা ছবিতে বুদ হওয়ার আগে জানুন ঃ মাস্টারবেশন ছাড়ার উপায় 

মাগি ইতিহাস


মাগি শব্দ টি কোন গালি  শব্দ হিসেবে জন্ম হয়নি। পরমহংস, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সহ তখনকার অনেক হিন্দু লেখকরাই এ শব্দটি তাদের সাহিত্যে ইউজ করতেন। 

শব্দটি কবি রবীন্দ্র এর যুগ থেকে সাহিত্যে প্রায় অচলিত হয়ে যায়। রাজশেখর বসুর চলন্তিকায় শব্দটি অশি্টু, কিন্তু মাগী বানানে। যদিও শব্দটি তদ্তব যেকোনো ব্যুৎ পন্তির দিক থেকে. আর তাই ই-কার ব্যবহার করাটাই রীতি। 

জ্তানেন্দ্রমোহনে আছে সংস্কৃত মাতৃগাম থেকে পালিতে মাতুগাম. সে থেকে প্রাকৃতে মাউগ্লাম, তা থেকে মাউগ, মাণ্ড এবং মাগী (পুরনো
বানানে)। 

 রালফ লিলি টার্নারের ইন্দো-আর্ধ ভাষার তুলনামূলক অভিধানেও প্রায় একই ব্যুৎপন্তি। হরিচরণের মতে শব্দটি মাগ-এর সাথে ই যোগে নিম্পন্ন, মাগ এসেছে মাউগ বা মাণ্ড থেকে. মৈথিলিতে মৌগী বা মাগড দুইয়েরই অর্থ নারী। সুকুমার সেনের ব্যুৎপত্তি-সিদ্ধার্থে শব্দটি মার্গিতা
থেকে. যার অর্থ মাগিবার জিনিস।

মাগি না মাগী ?


১৯৭৫ পর্ববর্তী অসংখ্য বাংলা চলচ্চিত্রে মাগি শব্দটি আদুরে ডাক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে!
বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়েও কোনো কৃষক জমি থেকে ফিরে এসে উঠোনে বসে বউয়ের উদ্দেশ্যে হাঁক ছাড়তেন,আমার মাগি কোথায় রে? 

বলাবাহুল্য, মাগি সম্বোধন তখন ছিলো অত্যন্ত আদরের। এখনো কিছু কিছু অঞ্চলে মাগি বলতে নারী, মহিলা  নারী লিঙ্গদের বোঝানো হয়। তবে
বেশিরভাগ মানুষই এখন এ শব্দটির দ্বারা পতিতা বা গণিকাদের বুঝেন। তবে গুগল ডিকশনারীর মতে, সেটা মাগি নয়, মাগী!


লেখাটি পড়ে আমার মতামত


০১।লেখক ভাই বাংলা ব্যাকরণে ভালো ছিলো মনে হয়। আমি এখন বাংলা ব্যাকরণের কিছুই পারিনা!!!


০২।ভাষার ইতিহাস সত্যিই অবাককর!  মাতৃগাম থেকে বছরের পর বছর পরিবর্তন হয়ে হয়ে গেলো মাগি!! তাও গালি হিসাবে। পজিটিভ হয়ে গেছে নেগেটিভ!!

০৩। সেসময় কৃষক বউ কে ভালবেসে মাগি ডাকতো এখন মাগি বললে বউ ঝাড়ু নিয়ে ভালোবাসা বের করে দিবে।
একবার ভেবে দেখুন তো আপনি বউ কে আদর করে "ওগো মাগি ই ই ই ই শুনছো একটু আসো"
বলছেন! কেমন কল্পনা হচ্ছে? মজার না? হাহাহাহা

০৪। একটা আকার ইকার অর্থ কতটা পরিবর্তন করে দিতে পারে তার ভালো উদাহরণ হতে পারে এই মাগি মাগী শব্দ দুই টি। 

০৫। আচ্ছা আজকের "ভালবাসি" শব্দটা আগামী ১ হাজার বছর পড়ে গালি হয়ে যাবে নাতো?
তখন একজন "বাহান গালি" (বাঙ্গালির আপডেট জাতি) আরেকজন কে গালি দিবে এই ভাবে 
"ভালবাসার পুত ভালোবাসা"  কিংবা "তোর ** রে ভালবাসি" (!)

মাগি কত প্রকার?
মাগি দুই প্রকার। মাগি এবং মাগী
ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস এর  ইতিহাস, গল্প, ছবি ২০২০

ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস এর ইতিহাস, গল্প, ছবি ২০২০

ভ্যালেন্টাইন ডে এর ইতিহাস। ভালোবাসা দিবসের পিকচার, শুভেচ্ছা ২০২০


ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস এর  ইতিহাস, গল্প, ছবি,
ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস

ভ্যালেন্টাইন ডে এর একাধিক ইতিহাস আছে ।কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল নাকি সবই গাল গপ্প তা বুঝা দায়।
চলুন দুই ইতিহাস ই জানিনা। এখানে ৫ টি ইতিহাস সংক্ষেপে তুলে ধরা আছে।

এবং লেখার মাঝে মাঝে ২০ টির বেশি HD ভালোবাসা দিবসের পিকচার বা ছবি পাবেন।

ভালোবাসা দিবস  বা   ভ্যালেন্টাইন ডে এর ইতিহাস




ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস

ভালোবাসা দিবস এর  ইতিহাস ০১


২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইন'স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার-অভিযোগে তৎকালীন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। আর তাই তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। অতঃপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন' দিবস ঘোষণা করেন। খৃষ্টানজগতে পাদ্রী-সাধু সন্তানদের স্মরণ ও কর্মের জন্য এ ধরনের অনেক দিবস রয়েছে। যেমন: ২৩ এপ্রিল - সেন্ট জজ ডে, ১১ নভেম্বর - সেন্ট মার্টিন ডে, ২৪ আগস্ট - সেন্ট বার্থোলোমিজম ডে, ১ নভেম্বর - আল সেইন্টম ডে, ৩০ নভেম্বর - সেন্ট এন্ড্রু ডে, ১৭ মার্চ - সেন্ট প্যাট্রিক ডে।
পাশ্চাত্যের ক্ষেত্রে জন্মদিনের উৎসব, ধর্মোৎসব সবক্ষেত্রেই ভোগের বিষয়টি মুখ্য। তাই গির্জা অভ্যন্তরেও মদ্যপানে তারা কসুর করে না। খৃস্টীয় এই ভ্যালেন্টাইন দিবসের চেতনা বিনষ্ট হওয়ায় ১৭৭৬ সালে ফ্রান্স সরকার কর্তৃক ভ্যালেইটাইন উৎসব নিষিদ্ধ করা হয়। ইংল্যান্ডে ক্ষমতাসীন পিউরিটানরাও একসময় প্রশাসনিকভাবে এ দিবস উদযাপন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এছাড়া অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিবস প্রত্যাখ্যাত হয়। সম্প্রতি পাকিস্তানেও ২০১৭ সালে ইসলামবিরোধী হওয়ায় ভ্যালেন্টাইন উৎসব নিষিদ্ধ করে সেদেশের আদালত।
উতসঃ Wikipedia

ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস

ভ্যালেন্টাইন ডে ইতিহাস ০২

২৭০ খ্রিষ্টাব্দের কথা। তখন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস নারী-পুরুষের বিবাহ বাধনে আবদ্ধ হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। তার ধারণা ছিল, বিবাহ বাধনে আবদ্ধ হলে যুদ্ধের প্রতি পুরুষদের অনীহা সৃষ্টি হয়। সে সময় রোমের খ্রিষ্টান গির্জার পুরোহিত ‘ভ্যালেন্টাইন’ রাজার নির্দেশ অগ্রাহ্য করে গোপনে নারী-পুরুষের বিবাহ বাধনের কাজ সম্পন্ন করতেন। এ ঘটনা উদ্ঘাটিত হওয়ার পর তাকে রাজার কাছে ধরে নিয়ে আসা হয়। ভ্যালেন্টাইন রাজাকে জানালেন, খিষ্টধর্মে বিশ্বাসের কারণে তিনি কাউকে বিবাহ বাধনে আবদ্ধ হতে বারণ করতে পারেন না। রাজা তখন তাকে কারাগারে নিক্ষেপ করেন। কারাগারে থাকা অবস্খায় রাজা তাকে খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে প্রাচীন রোমান পৌত্তলিক ধর্মে ফিরে আসার প্রস্তাব দেন এবং বিনিময়ে তাকে ক্ষমা করে দেয়ার কথা বলেন। উল্লেখ্য, রাজা দ্বিতীয় ক্লডিয়াস প্রাচীন রোমান পৌত্তলিক ধর্মে বিশ্বাস করতেন এবং তৎকালীন রোমান সাম্রাজ্যে এ ধর্মের প্রাধান্য ছিল। যা হোক, ভ্যালেন্টাইন রাজার প্রস্তাব মানতে অস্বীকৃতি জানালেন এবং খ্রিষ্ট ধর্মের প্রতি অনুগত থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করলেন। তখন রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেন। অত:পর রাজার নির্দেশে ২৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। পরে রোমান সাম্রাজ্যে খ্রিষ্ট ধর্মের প্রাধান্য সৃষ্টি হলে গির্জা ভ্যালেন্টাইনকে ` `Saint' হিসেবে ঘোষণা করে। ৩৫০ সালে রোমের যে স্খানে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল সেখানে তার স্মরণে একটি গির্জা নির্মাণ করা হয়। অবশেষে ৪৯৬ খ্রিষ্টাব্দে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু পোপ গ্লসিয়াস ১৪ ফেব্রুয়ারিকে `Saint Valentine Day' হিসেবে ঘোষণা করেন। ভ্যালেন্টাইন কারারক্ষীর যুবতী মেয়েকে ভালোবাসার কারণে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু পোপ গ্লসিয়াস ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ ঘোষণা করেননি। কারণ, খ্রিষ্ট ধর্মে পুরোহিতদের জন্য বিয়ে করা বৈধ নয়। তাই পুরোহিত হয়ে মেয়ের প্রেমে আসক্তি খ্রিষ্ট ধর্মমতে অনৈতিক কাজ। তা ছাড়া, ভালোবাসার কারণে ভ্যালেন্টাইনকে কারাগারে যেতে হয়নি। কারণ, তিনি কারারক্ষীর মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন কারাগারে যাওয়ার পর। সুতরাং, ভ্যালেন্টাইনকে কারাগারে নিক্ষেপ ও মৃত্যুদণ্ডদানের সাথে ভালোবাসার কোনো সম্পর্ক ছিল না। তাই ভ্যালেন্টাইনের কথিত ভালোবাসা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ডে’র মূল বিষয় ছিল না। বরং ধর্মের প্রতি গভীর ভালোবাসাই তার মৃত্যুদণ্ডের কারণ ছিল।


ভালোবাসা দিবস
ভালোবাসা দিবস

ভ্যালেনটাইন ডে এর  উতপত্তি



৩। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালবাসা দিবস

ষ্টীয় ইতিহাস মতে, ২৬৯ খৃষ্টাব্দের কথা।
সাম্রাজ্যবাদী, রক্তপিপাষু রোমান সম্রাট
ক্লডিয়াসের দরকার এক বিশাল সৈন্যবাহিণীর। এক
সময় তার সেনাবাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দেয়।
কিন্তু কেউ তার সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে রাজি
নয়। সম্রাট লক্ষ্য করলেন যে, অবিবাহিত যুবকরা
যুদ্ধের কঠিন মুহূর্তে অত্যধিক ধৈর্যশীল হয়। ফলে
তিনি যুবকদের বিবাহ কিংবা যুগলবন্দী হওয়ার উপর
নিষেধাজ্ঞা জারী করেন। যাতে তারা
সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে অনীহা প্রকাশ না
করে। তার এ ঘোষণায় দেশের যুবক-যুবতীরা ক্ষেপে
যায়। যুবক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামের এক ধর্মযাজকও
সম্রাটের এ নিষেধাজ্ঞা কিছুতেই মেনে নিতে
পারেননি। প্রথমে তিনি সেন্ট মারিয়াসকে
ভালবেসে বিয়ের মাধ্যমে রাজার আজ্ঞাকে
প্রত্যাখ্যান করেন এবং তার গীর্জায় গোপনে বিয়ে
পড়ানোর কাজও চালাতে থাকেন। একটি রুমে বর-বধূ
বসিয়ে মোমবাতির স্বল্প আলোয় ভ্যালেন্টাইন ফিস
ফিস করে বিয়ের মন্ত্র পড়াতেন। কিন্তু এ বিষয়টি
এক সময়ে সম্রাট ক্লডিয়াসের কানে গেলে সেন্ট
ভ্যালেন্টাইনকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। ২৭০
খৃষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি সৈন্যরা ভ্যালেন্টাইনকে
হাত-পা বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে সম্রাটের সামনে
হাজির করলে তিনি তাকে হত্যার আদেশ দেন।
ভালোবাসা দিবস

৪।১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস



গোটা ইউরোপে যখন খৃষ্টান ধর্মের জয়জয়কার, তখনও
ঘটা করে পালিত হতো রোমীয় একটি রীতি। মধ্য
ফেব্রুয়ারিতে গ্রামের সকল যুবকরা সমস্ত মেয়েদের
নাম চিরকুটে লিখে একটি পাত্রে বা বাক্সে জমা
করত। অতঃপর ঐ বাক্স হতে প্রত্যেক যুবক একটি করে
চিরকুট তুলত, যার হাতে যে মেয়ের নাম উঠত, সে
পূর্ণবৎসর ঐ মেয়ের প্রেমে মগ্ন থাকত। আর তাকে
চিঠি লিখত, এ বলে ‘প্রতিমা মাতার নামে তোমার
প্রতি এ পত্র প্রেরণ করছি।’ বৎসর শেষে এ সম্পর্ক
নবায়ন বা পরিবর্তন করা হতো। এ রীতিটি কয়েকজন
পাদ্রীর গোচরীভূত হলে তারা একে সমূলে উৎপাটন
করা অসম্ভব ভেবে শুধু নাম পাল্টে দিয়ে একে
খৃষ্টান ধর্মায়ণ করে দেয় এবং ঘোষণা করে এখন
থেকে এ পত্রগুলো ‘সেন্ট ভ্যালেনটাইন’-এর নামে
প্রেরণ করতে হবে। কারণ এটা খৃষ্টান নিদর্শন, যাতে
এটা কালক্রমে খৃষ্টান ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে
যায়।

ভালবাসা দিবসের শুভেচ্ছা
 ভালোবাসা দিবস ছবি

ছবি গুলো সুন্দর এবং নরম কোমল তাই বলে পুরা ভালোবাসা দিবস কে নরম কোমল সুন্দর ভাব্বেন না। ছবি গুলো আপনারা আপনাদের স্বামী কিংবা স্ত্রী কে দিতে পারেন।
হালাল ভালোবাসা। হারাম ইউজ এর জন্য আমি দায়ি না।



৫। ভালবাসা দিবসের উৎপত্তি কিভাবে



প্রাচীন রোমে দেবতাদের রাণী জুনোর সম্মানে ১৪
ফেব্রুয়ারি ছুটি পালন করা হতো। রোমানরা বিশ্বাস
করত যে, জুনোর ইশারা-ইঙ্গিত ছাড়া কোন বিয়ে
সফল হয় না। ছুটির পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি
লুপারকালিয়া ভোজ উৎসবে হাজারও তরুণের মেলায়
র্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে সঙ্গী বাছাই প্রক্রিয়া চলত।
এ উৎসবে উপস্থিত তরুণীরা তাদের নামাংকিত
কাগজের সিপ জনসম্মুখে রাখা একটি বড় পাত্রে
ফেলত। সেখান থেকে যুবকের তোলা সিপের
তরুণীকে কাছে ডেকে নিত। কখনও এ জুটি সারা
বছরের জন্য স্থায়ী হত এবং ভালবাসার সিঁড়ি বেয়ে
বিয়েতে গড়াতো।
ঐ দিনের শোক গাঁথায় আজকের এই "ভ্যালেন্টাইন
ডে"।
ভালোবাসা দিবস ছবি
ভালোবাসা দিবস ছবি

৬। ভ্যালেন্টাইন ডে  গল্প

পৌত্তলিক(অগ্নি উপাসক রোমের পৌরাণিক
কাহিনীতে রোমিউলাস নামক এক ব্যক্তি ছিল।
একদা রোমিউলাস নেকড়ের দুধ পান করায় অসীম
শক্তি ও জ্ঞানের অধিকারী হয়ে প্রাচীন রোমের
প্রতিষ্ঠা করেন। রোমানরা এই পৌরাণিক
কাহিনীকে কেন্দ্র করে ১৫ই ফ্রেব্রুয়ারী উৎসব
পালন করত। উৎসবের দিন তারা একটি কুকুর ও একটি
পাঠা বলি দিত। দুজন শক্তিশালী যুবক বলির রক্ত
সারা গায়ে মাখতো এবং পরে তা দুধ দিয়ে ধুয়ে
ফেলত। অত:পর সেই দুই শক্তিশালী যুবকের নেতৃত্বে
শহরে প্যারেড অনুষ্ঠিত হতো। সেই দুই যুবক তাদের
হাতে থাকা চামড়ার রশি দিয়ে সম্মুখে আগত যে
কাউকে আঘাত করত। রোমান নারীরা এই আঘাত
আনন্দচিত্তে গ্রহণ করতো। কেননা তারা বিশ্বাস
করত, এর ফলে তারা ভবিষ্যতে বন্ধ্যাত্ব থেকে রক্ষা
পাবে, আর বন্ধ্যা মহিলারা তাদের অনুর্বরতা থেকে
মুক্তি পাবে। তাদের উৎসবের আরেকটি অংশ ছিল
বিবাহযোগ্যা নারীদের নাম লিখে কতগুলো
কাগজের টুকরো রাখা হবে। অত:পর, যে ব্যক্তি, যে
নামের টুকরো তুলত সেই মেয়েটির সাথেই পরবর্তী
এক বছর কাটাতো । এই এক বছর তারা পরস্পরকে
যাচাই করার সময় পেত।পরবর্তী বছরের এই একই দিনে
হয় তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতো নতুবা একই নিয়মে
নতুন সঙ্গী গ্রহণ করত। পরবর্তীতে রোমানরা
খ্রীস্টানদের দখলে আসে এবং তাদের অনেকেই
খ্রীস্টধর্ম গ্রহণ করে। খ্রীস্টান ধর্মযাজকরা এই
অনৈতিক, অশ্লীল বিবাহ-বহির্ভূত ব্যবস্থা বাতিল
করেন।
ভ্যালেন্টাইন ডে

৭। ভালবাসা দিবসের কাহিনী ০১

তিনজন খ্রিস্টান শহীদের নাম অনুসারে দিনটি
পালন শুরু হয়। এখন পর্যন্ত যত জন সেন্ট
ভ্যালেন্টাইনের নাম জানা যায় তাদের মাঝে
সবচেয়ে প্রাচীন আলেকজান্দ্রিয়ার সেন্ট
ভ্যালেন্টাইন। তিনি সম্ভবত ১০০-১৫৩ সময়ে ছিলেন।
বিশপ আব রোম পদের জন্য সে সময় তিনি ছিলেন
শক্তিশালী প্রার্থী। তিনি মনে করতেন অর্থের
বিনিময়ে পরকালে দায়মুক্তির চেয়ে বাসর ঘর
অনেক ভাল। তবে প্রকৃত ভ্যালেন্টান কে ছিলেন এ
নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক আছে। এবং সেই তর্কের
মীমাংসা এখনও হয়নি।
ভালবাসা দিবসের শুভেচ্ছা
ভালবাসা দিবসের শুভেচ্ছা

৮.  ভালবাসা দিবসের কাহিনী ০২

আগেরগুলোর থেকে এইটা একটু অংশে আলাদা।
প্রাচীন রোমে খ্রিস্টধর্ম তখন মোটেও জনপ্রিয়
ছিল না। এই ধর্মে বিশ্বাসীদের শাস্তি দেওয়া
হতো। একদিন রোমের এক কারাপ্রধান তার অন্ধ
মেয়েকে ভ্যালেন্টাইনের কাছে নিয়ে এলেন
চিকিৎসার জন্য। ভ্যালেন্টাইন কথা দিলেন তিনি
তার সাধ্যমতো চিকিৎসা করবেন। চিকিৎসা চলছিল।
হঠাৎ একদিন রোমান সৈন্যরা ভ্যালেন্টাইনকে
বেঁধে নিয়ে গেল। ভ্যালেন্টাইন বুঝতে
পেরেছিলেন, খ্রিস্টান হওয়ার অপরাধে তাকে
মেরে ফেলা হবে। ২৬৯ (কারও মতে ২৭০)
খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি রোম সম্রাট
ক্লডিয়াসের আদেশে ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদণ্ড
কার্যকর করা হয়। তার আগে ভ্যালেন্টাইন অন্ধ
মেয়েটিকে বিদায় জানিয়ে একটি চিরকুট
লিখেছিলেন। কারাপ্রধান চিরকুটটি দিলেন
মেয়েকে। তাতে লেখা ছিল, 'ইতি তোমার
ভ্যালেন্টাইন।' মেয়েটি চিরকুটের ভেতরে বসন্তের
হলুদ ত্রৌকস ফুলের আশ্চর্য সুন্দর রং দেখলো। তার
অন্ধ দু'চোখে তখন ঝলমলে আলো। ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে
পোপ জেলাসিয়ুস ফেব্রুয়ারি ১৪ তারিখ
ভ্যালেন্টাইন্স ডে ঘোষণা করেন। সেই থেকে
ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালন করছে মানুষ। আরেকটি
সম্পূর্ণ ভিন্নমত আছে। এই মতের লোকেরা বলেন,
ভ্যালেন্টাইনের সঙ্গে প্রিয়জনকে ভালোবাসার
বার্তা পাঠানোর আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই।
প্রাচীনকালে মানুষের বিশ্বাস ছিল, ১৪ ফেব্রুয়ারি
হলো পাখিদের বিয়ের দিন। পাখিরা বছরের
দ্বিতীয় মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ডিম পাড়তে বসে।
আবার কেউ বলেন, মধ্যযুগের শেষদিকে মানুষ
বিশ্বাস করত এদিন থেকে পাখিদের মিলন ঋতু শুরু
হয়। পাখিরা সঙ্গী খুঁজে বেড়ায়। পাখিদের
দেখাদেখি মানুষও তাই সঙ্গী নির্বাচন করে এ
দিনে। কারণ যাই হোক, ভালোবাসা প্রকাশের জন্য
এ দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্ভবত ১৪০০ শতক থেকে
ভ্যালেন্টাইন্স ডে উদযাপন শুরু হয় মহাসমারোহে।


আসলে সব গুলা কাহিনীর দেখবেন অনেক অংশই
কমন।কিছু কিছু জায়গায় ভিন্নতা।
যাই হোক, এবার একটু দেখি বাণিজ্যিজীকরণ
কিভাবে হলো।

ভ্যালেন্টাইন ডে

14 ভালোবাসা দিবস 2020



১৪ ফেব্রুয়ারি খ্রিষ্টান সম্প্রদায় কর্র্তৃক `Saint
Valentine Day'হিসেবে ঘোষণার আগে এ দিনটি
পৌত্তলিক ধর্মীয় উৎসবহিসেবে পালিত হতো। তখন
তারা ফেব্রুয়ারি মাসের ১৩ থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত
লুপারকেলিয়া উৎসব পালন করত।
ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন ``Valentine Day'কার্ডে
Cupid-এর প্রতীক ব্যবহার করাহয়। এ দিনে রোমানদের
আরেকটি উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি ছিল, প্রেমের
দেবী জুনুর আশীর্বাদ কামনায় যুবকদের মধ্যে
যুবতীদের বন্টনের জন্য লটারিরআয়োজন। তারাযুবতী
মেয়েদের নামলিখে একটি বাক্সে রাখতএবং
লটারির মাধ্যমে যুবকরা এসে নাম তুলত। লটারিতে
যারসাথে যার নাম উঠত এক বছরের জন্য তারা লিভ
টুগেদার করত। এ ধরনের নানা অনৈতিকতা,
কুসংস্কার ওভ্রান্ত বিশ্বাসে আচ্ছন্ন লটারির
মাধ্যমে যুবতীদের বন্টনের রীতি ফন্সান্স সরকার
১৭৭৬ সালে নিষিদ্ধ করেছিল। ক্রমান্বয়ে এটি
ইতালি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও জার্মান থেকেও
উঠে যায়। ইংল্যান্ডেও এক সময় এটি নিষিদ্ধ
করাহয়েছিল।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, আধুনিক সভ্যতার এ যুগে
কুসংস্কারাচ্ছন্ ন ভ্রান্ত বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত
তথাকথিত প্রেমিক উৎসব চালু হলো কিভাবে? ইস্টার
এ হল্যান্ড নামক এক চতুর কার্ড বিক্রেতা কোম্পানি
প্রথম'What Else Valentine'নামে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে
আমেরিকান ভ্যালেন্টাইন ডে কার্ড বানায় এবং
প্রথম বছরই ৫০০০ ডলারেরকার্ড বিক্রি হয়। পরে
সুযোগসìধানীমিডি য়া কোম্পানির পৃষ্ঠপোষকতায়
ভ্যালেন্টাইন ডে ফুলে-ফেঁপে ওঠে।
- Muslim Page

ভ্যালেন্টাইন ডে

বাংলাদেশে ভ্যালেন্টাইনস ডে


বাংলাদেশে প্রথম আসে এদেশের খবিশদের নেতা
যায়যায়দিন পত্রিকার সম্পাদক শফিক রেহমান এর মাধ্যমে। এই লোকই বাংলাদেশে সমকামিতা, চটি, অজাচার এর প্রচার প্রসার ঘটানোর পিছনে কাজ করছে।
১৯৯৩ সালের দিকে বাংলাদেশে বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের আর্বিভাব ঘটে। যায়যায়দিন পত্রিকার সম্পাদক শফিক রেহমান এর প্রবক্তা। পাশ্চাত্যের প্রভাব নিয়ে দেশে এসে লন্ডনি সংস্কৃতির চর্চা শুরু করেন। লন্ডনি সংস্কৃতি না বলে লন্ডনি অজাচার বলায় ভালো।
তিনি প্রথম যায়যায়দিন পত্রিকার মাধ্যমে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বাংলাদেশিদের কাছে তুলে ধরেন।


ভ্যালেন্টাইন ডে
ভ্যালেন্টাইন ডে পিকচার

ভালোবাসা দিবস কবে ?

১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস।

আর কি কি দিবস আছে জানেন?

  1. প্রস্তাব দিবস
  2. গোলাপ দিবস
  3. চকোলেট দিবস
  4. ব্লা ব্লা 


ভালবাসা দিবসের ক্ষতি 


জানি আপনারা এই পোস্টে আসছেন তারা ভালবাসা গুতাইতে আসছেন তাই আমার রসকষ লেখা ভালো লাগবে না।
কিন্তু কিছু করার নাই। ফাউল কে ফাউল বলা দোষের না বরং ফালতু দিবস তিবস কে পালন করায় দোষের।
ধর্মে হারাম আবার আমাদের চেতনার বাঙালি চেতনাতেও এটা যায় না।
ভিনদেশি উতসব কেনো পালন করবো? কেনো নিজেদের ইজ্জত একদিনের আনন্দে বিলিয়ে দিয়ে সারাজীবন ভুগবো?
মেয়েরা এইসব দিবসে প্রেমিক কে ভালবাসা প্রমান করতে ও নিজের সুখ ভোগ করতে বিছানায় যায় পার্কে যায় আনাচে কানাচে ভিডিও তৈরি করে! পড়ে যখন প্রেমিক এর সাথে ব্রেকাপ হয় তখন Pure ভালবাসার ছেলেটা ঐ ভিডিও নেটে ছেড়ে দেয়!!! তখন কে ভুগে? মেয়েটা আর তার পরিবার।
এই ভুল শুধরানোর মত না কেননা যা একবার ছাড়া হইছে তা আপনার মৃত্যুর পরও থাকবে। আপনার ছেলে মেয়েও হইতো একদিন নেটে ব্রাউজ করতে করতে আপনার সেসভ ক্লিপ দেখে ফেলবে! বুঝেন তখন আপনার অবস্থা?
আর পাপ সে তো চলমান!
ভ্যালেন্টাইন ডে পিকচার



১) ভালবাসা নামের এ শব্দটির সাথে এক চরিত্রহীন লম্পটের স্মৃতি জড়িয়ে যারা ভালবাসার জয়গান গেয়ে চলেছেন, পৃথিবীবাসীকে তারা সোনার পেয়ালায় করে নীল বিষ পান করিয়ে বেড়াচ্ছেন।

২) তরুণ-তরুণীদের সস্তা যৌন আবেগকে সুড়সুড়ি দিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা ও ফাসাদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অথচ আল্লাহ তা‘আলা ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের ভালবাসেন না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন: ‘‘আর তারা তো পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়ায়। আর আল্লাহ ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের ভালবাসেন না।’’ [সূরা আল মায়িদাহ: ৬৪]

৩) নৈতিক অবক্ষয় দাবানলের মত ছড়িয়ে যাচ্ছে।

বিশ্ব ভালবাসা দিবস

৪) নির্লজ্জতা ও বেহায়াপনা জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি লাভ করছে। যারা ঈমানদারদের সমাজে এ ধরণের অশ্লীলতার বিস্তার ঘটায়, দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের জন্য আল্লাহ তা‘আলা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন: ‘‘যারা মু’মিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে তাদের জন্য আছে দুনিয়া ও আখিরাতে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি..।’’ [সূরা আন-নূর :১৯]

বস্তুত যে সমাজেই চরিত্র-হীনতার কাজ ব্যাপক, তথায় আল্লাহর নিকট থেকে কঠিন আযাব সমূহ ক্রমাগত অবতীর্ণ হওয়া অবধারিত, আব্দুল্লাহ ইবন ‘উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন: ‘‘যে জনগোষ্ঠীর মধ্যে নির্লজ্জতা প্রকাশমান, পরে তারা তারই ব্যাপক প্রচারেরও ব্যবস্থা করে, যার অনিবার্য পরিণতি স্বরূপ মহামারি, সংক্রামক রোগ এবং ক্ষুধা-দুর্ভিক্ষ এত প্রকট হয়ে দেখা দিবে, যা তাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে কখনই দেখা যায় নি।’’ [ইবনু মাজাহ, কিতাবুল ফিতান, হাদিস নং-৪০০৯]

৫) তরুণ-তরুণীরা বিবাহ পূর্ব দৈহিক সম্পর্ক গড়তে কোন রকম কুণ্ঠাবোধ করছে না। অথচ তরুণ ইউসুফ আলাইহিস সালামকে যখন মিশরের এক রানী অভিসারে ডেকেছিল, তখন তিনি কারাবরণকেই এহেন অপকর্মের চেয়ে উত্তম জ্ঞান করেছিলেন। রোমান্টিক অথচ যুব-চরিত্রকে পবিত্র রাখার জন্য কী অতুলনীয় দৃষ্টান্ত! আল্লাহ জাল্লা শানুহু সূরা ইউসুফের ২৩-৩৪ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এ ঘটনা বর্ণনা করেছেন এ ভাবে- ‘‘সে যে স্ত্রীলোকের ঘরে ছিল সে তার কাছ থেকে অসৎকাজ কামনা করল ও দরজাগুলো বন্ধ করে দিল এবং বলল, ‘আস।’ সে বলল, ‘আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা করছি, তিনি আমার প্রভু; তিনি আমার থাকার সুন্দর ব্যবস্থা করেছেন। নিশ্চয়ই সীমালঙ্ঘনকারীরা সফলকাম হয় না। সে রমণী তো তার প্রতি আসক্ত হয়েছিল এবং সেও তার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ত যদি না সে তার প্রতিপালকের নিদর্শন দেখতে পেত। আমি তাকে মন্দ-কাজ ও অশ্লীলতা হতে বিরত রাখার জন্য এভাবে নিদর্শন দেখিয়েছিলাম। সে তো ছিল আমার বিশুদ্ধচিত্ত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত। ওরা উভয়ে দৌড়ে দরজার দিকে গেল এবং স্ত্রীলোকটি পিছন হতে তার জামা ছিঁড়ে ফেলল, তারা স্ত্রীলোকটির স্বামীকে দরজার কাছে পেল। স্ত্রীলোকটি বলল, ‘যে তোমার পরিবারের সাথে কুকর্ম কামনা করে তার জন্য কারাগারে প্রেরণ বা অন্য কোন মর্মন্তুদ শাস্তি ছাড়া আর কি দণ্ড হতে পারে? ইউসুফ বলল, ‘সে-ই আমার কাছ থেকে অসৎকাজ কামনা করছিল।’ স্ত্রীলোকটির পরিবারের একজন সাক্ষী সাক্ষ্য দিল, ‘যদি তার জামার সামনের দিক থেকে ছিঁড়ে থাকে তবে স্ত্রীলোকটি সত্য কথা বলেছে এবং পুরুষটি মিথ্যাবাদী, কিন্তু তার জামা যদি পিছন দিক থেকে ছিঁড়ে থাকে তবে স্ত্রীলোকটি মিথ্যা বলেছে এবং পুরুষটি সত্যবাদী। গৃহস্বামী যখন দেখল যে, তার জামা পিছন দিক থেকে ছেঁড়া হয়েছে তখন সে বলল, ‘নিশ্চয়ই এটা তোমাদের নারীদের ছলনা, তোমাদের ছলনা তো ভীষণ। হে ইউসুফ! তুমি এটা এড়িয়ে যাও এবং হে নারী! তুমি তোমার অপরাধের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর; তুমিই তো অপরাধী। নগরের কিছু সংখ্যক নারী বলল, ‘আযীযের স্ত্রী তার যুবক দাস হতে অসৎকাজ কামনা করছে, প্রেম তাকে উন্মত্ত করেছে, আমরা তো তাকে স্পষ্ট ভুলের মধ্যে দেখছি। স্ত্রীলোকটি যখন ওদের কানা-ঘুষার কথা শুনল, তখন সে ওদেরকে ডেকে পাঠাল, ওদের জন্য আসন প্রস্তুত করল, ওদের সবাইকে একটি করে ছুরি দিল এবং ইউসুফকে বলল, ‘ওদের সামনে বের হও।’ তারপর ওরা যখন তাঁকে দেখল তখন ওরা তাঁর সৌন্দর্যে অভিভূত হল এবং নিজেদের হাত কেটে ফেলল। ওরা বলল, ‘অদ্ভুত আল্লাহর মাহাত্ম্য! এ তো মানুষ নয়, এ তো এক মহিমান্বিত ফেরেশতা। সে বলল, ‘এ-ই সে যার সম্বন্ধে তোমরা আমার নিন্দা করেছ। আমি তো তার থেকে অসৎকাজ কামনা করেছি। কিন্তু সে নিজেকে পবিত্র রেখেছে; আমি তাকে যা আদেশ করেছি সে যদি তা না করে, তবে সে কারারুদ্ধ হবেই এবং হীনদের অন্তর্ভুক্ত হবে। ইউসুফ বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! এ নারীরা আমাকে যার দিকে ডাকছে তার চেয়ে কারাগার আমার কাছে বেশী প্রিয়। আপনি যদি ওদের ছলনা হতে আমাকে রক্ষা না করেন তবে আমি ওদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ব এবং অজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হব। তারপর তার প্রতিপালক তার ডাকে সাড়া দিলেন এবং তাকে ওদের ছলনা হতে রক্ষা করলেন। তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।” [সূরা ইউসুফ: ২৩-৩৪]


৬) শরীরে উল্কি আঁকাতে যেয়ে নিজের ইয্‌যত-আব্রু পরপুরুষকে দেখানো হয়। যা প্রকাশ্য কবিরা গুনাহ। যে ব্যক্তি উল্কি আঁকে এবং যার গায়ে তা আঁকা হয়, উভয়য়ের উপরই আল্লাহর লা‘নত বর্ষিত হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: ‘‘যে ব্যক্তি পর-চুলা লাগায় এবং যাকে লাগায়; এবং যে ব্যক্তি উল্কি আঁকে এবং যার গায়ে আঁকে, আল্লাহ তাদেরকে অভিসম্পাত করেন।’’ [বুখারী,কিতাবুল লিবাস,হাদিস নং৫৪৭৭] মূলত যার লজ্জা নেই, তার পক্ষে এহেন কাজ নেই যা করা সম্ভব নয়। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: ‘‘যদি তোমার লজ্জা না থাকে তাহলে যা ইচ্ছা তাই করতে পার।’’ [বুখারী, কিতাবু আহাদীসিল আম্বিয়া, হাদিস নং৩২২৫]


৭) ভালবাসা দিবসের নামে নির্লজ্জতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে যিনা-ব্যভিচার, ধর্ষণ ও খুন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: ‘‘যে জনগোষ্ঠীর-মধ্যেই ব্যভিচার ব্যাপক হবে, তথায় মৃত্যুর আধিক্য ব্যাপক হয়ে দেখা দেবে।’’ [মুয়াত্তা মালিক, কিতাবুল জিহাদ, হাদিস নং-৮৭০]


বিশ্ব ভালবাসা দিবস

বিশ্ব ভালবাসা দিবসের শুভেচ্ছা ভালোবাসা দিবস কবে ভালবাসা দিবসের কাহিনী ভালবাসা দিবসের উৎপত্তি কিভাবে ভালোবাসা দিবস কেন পালন করা হয় 14 ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস ভালবাসা দিবসের এস এম এস ২০১৮ প্রেম দিবস
ভালোবাসার ছন্দ পিকচার ভালোবাসার পিকচার ছবি ভালোবাসার পিকচার ডাউনলোড ভালোবাসার রোমান্টিক পিকচার ভালোবাসার ছবি ডাউনলোড লাভ পিকচার লেখা ভালোবাসার ফটো ডাউনলোড লেখা


 ভালোবাসা দিবসের পিকচার


 ভালোবাসা দিবসের পিকচার


 ভালোবাসা দিবসের পিকচার
 ভালোবাসা দিবসের পিকচার


 ভালোবাসা দিবসের পিকচার
 ভালোবাসা দিবসের পিকচার ০২


ভালোবাসা দিবস কবে পালিত হয়?

 ভালোবাসা দিবসের পিকচার


 ভালোবাসা দিবসের পিকচার

 ভালোবাসা দিবসের পিকচার

All Images Are From Unsplash
বাগান - বাগান করার ০৮ টি উপকারিতা এবং কীভাবে বাগান করবেন তার কিছু কথা

বাগান - বাগান করার ০৮ টি উপকারিতা এবং কীভাবে বাগান করবেন তার কিছু কথা

 বাগান করার ০৮ টি উপকারিতা এবং কীভাবে  ছাদে বা ব্যালকোনি তে বাগান  করবেন তার কিছু কথা

বাগান - বাগান করার ০৮ টি উপকারিতা এবং কীভাবে বাগান করবেন তার কিছু কথা


বাগানের উপকারিতা



০১। শরীর ঠিক রাখতে বাড়তি ব্যায়াম করতে হবে না। বাগান করতে আপনার যে ক্যালোরি পুড়বে তাই আপনার জন্য যথেষ্ট ।
আপনি যদি বাগানে ১ ঘণ্টা কাজ  করেন তাহলে ১ ঘণ্টা হাটার চেয়ে বেশি ক্যালোরি খরচ হয়।
বুঝতেই পারছেন বাড়তি ক্যালোরি নিয়ে আর চিন্তা করা লাগবে না বাগান করলে।

০২। হাড় শক্ত হয়। বাগানে কাজ করতে হলে রোদে থাকতে হবে আর রোদে থাকলে হাড় শক্ত হবে।
রোদ আমাদের দেহে ভিটামিন ডি তৈরি করে।
তবে খেয়াল রাখবেন রোদে পুড়ে আবার ত্বক নষ্ট করে ফেইলেন না।

→  বাগানের পিকচার দেখতে ক্লিক করুন

green-leafed plants during daytime

০৩। রক্তচাপ কমায়। বাগান এর ঘাস পরিস্কার করা, গাছের পাতা পরিস্কার করা ইত্যাদি বাগান ভিত্তিক কাজ করার মাধ্যমে আপনার উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে থাকবে।  খুব বেশি না ৩০/৪০ মিনিট করে কাজ করলেই দেখবেন ।

০৪। তাজা খাবার। নিজের বাগান নিজের চাষ তাই বাগান থেকে যেসব খাবার খাবেন তাও হবে নিজের  মত। তাজা এবং ভেজালহীন খাবার।
আর আপনি যদি ফুলের বাগান করেন তাহলে তো তাজা তাজা ফুল দেখেই মন ভরে যাওয়ার কথা।

০৫।  স্ট্রেস কমাতে সাহায্য । এখন তো আমাদের অন্যতম সমস্যা স্ট্রেস। স্ট্রেস কমাতে বাগান করতে পারেন। আসলে আমার মনে হয় যেকোনো শখের কাজ করলেই স্ট্রেস কিছুটা কমে যাই। বাগান করলে সবুজের কাছাকাছি থাকাই স্ট্রেস আরো বেশি কমে।
তাই স্ট্রেস দূর করতে গাছ কে সময় দিন, প্রেম ঝেড়ে ফেলুন।
hedge fence

০৬। মুড ভালো রাখে। স্ট্রেস দূর করার মতই। আপনি বাগান করেন, গাছের যত্ন নিন এরপর কোন গাছের নতুন একটা পাতা জন্মাতে দেখলেও আপনার চরম মন খারাপও ভাল হয়ে যাবে। অন্তত ভালো হয়ে যাওয়ার কথা।
যারা বাগান করে বা করছে তারা জানেন এটা।

→  ফুলের ছবি  দেখতে ক্লিক করুন

০৭। গাছ সেল। আপনি যদি ভালো মানের বাগানি হোন তাহলে আপনার বাগানের বিভিন্ন গাছ সেল করতে পারেন। ফেসবুক এ এখন কিছু বাগান রিলেটেড গ্রুপ আছে সেগুলো তে গাছ সেল বা আদান প্রদান হয়।
গাছ বিক্রি করুন আবার সেই বিক্রির টাকা দিয়ে নিজের জন্য নতুন গাছ কিনুন । কিংবা আরেকজনের সাথে গাছ চেঞ্জ করুন।

green-leafed plants above picnic table

০৮। বাগান ব্লগ। বাগানের শুরু থেকে শেষ সব কিছু ভিডিও করে বাগান Vlog করতে পারেন আবার বাগান সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকলে ব্লগে লিখেও পোস্ট করতে পারেন।



ছাদে বাগান 


ধারন ক্ষমতা ঃ
 আপনার ছাদে বাগান করার আগে জেনে নিতে হবে ছাদের ধারন ক্ষমতা কত টুকু।
অনেকেই এটাকে হেলা ফেলা মনে করে কিন্তু লং টার্মে আপনার ছাদের ক্ষতির কারন হতে পারে অপরিকল্পিত বাগান।
তাই কেমন বাগান করবেন, কেমন জায়গা, ওজন ইত্যাদি বিষয় ভালো ভাবে বুঝে তারপর বাগানের দিকে আগান।

রোদ ঃ 
গাছের জন্য রোদ অপরিহার্য এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা। একেক রকম গাছের রোদের প্রয়োজন একেক রকম। কোন কোন গাছ অল্প রোদে জন্মে আবার কোন কোন গাছ এর জন্য বেশি রোদ এর প্রয়োজন হয়।
ছাদে কোন পাশে কতক্ষন রোদ থাকে এটা হিসাব  করে ঠিক করুন কেমন গাছের বাগান করবেন।

বাতাস ঃ 
ছাদে সব সময় বাতাস থাকবে এটা স্বাভাবিক। অতিরিক্ত বাতাসের ফলে মাটির আদ্রতা কমে জেতে পারে যা গাছের জন্য ভালো হবে না। তাছাড়া বেশি জোরে বাতাস হলে গাছ নুয়ে পড়তে পারে এটাও আপনার বাগানের জন্য খারাপ।
তাই বেশি বাতাস সামলাতে বেড়া দিতে পারেন।
 বাগান নিয়ে যা যা জানা দরকার  | ফুলের বাগানের পিকচার ও গোলাপ ফুলের বাগানের ছবি একসাথে

বাগান নিয়ে যা যা জানা দরকার | ফুলের বাগানের পিকচার ও গোলাপ ফুলের বাগানের ছবি একসাথে

  বাগান। গোলাপ ফুলের বাগান এবং ফুলের বাগানের পিকচার ফটো নিউ

বাগানের পিকচার। ছবি ঃ কালের কণ্ঠ 


 বাগান 

বাগান করার শখ কার হয় না? ছতবেলায় বাগানের শখ হয়নি বা এমনি এমনি একটা দুইটা গাছ কিনে বাগান করার চেষ্টা করেনি এমন মানুষ কম ই পাওয়া যাবে মনে হয়।
বাগান করতে চাইলে বাগান হয়ে বসে থাকবে না তাই না?
চলুন আজকে জানি বাগান করার কিছু প্রয়োজনীয় কথা সাথে থাকবে ফুলের বাগানের পিকচার বা ছবি

ছাদে বাগান করতে যা যা লাগবে


ধারন ক্ষমতা ঃ
 আপনার ছাদে বাগান করার আগে জেনে নিতে হবে ছাদের ধারন ক্ষমতা কত টুকু।
অনেকেই এটাকে হেলা ফেলা মনে করে কিন্তু লং টার্মে আপনার ছাদের ক্ষতির কারন হতে পারে অপরিকল্পিত বাগান।
তাই কেমন বাগান করবেন, কেমন জায়গা, ওজন ইত্যাদি বিষয় ভালো ভাবে বুঝে তারপর বাগানের দিকে আগান।

রোদ ঃ 
গাছের জন্য রোদ অপরিহার্য এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা। একেক রকম গাছের রোদের প্রয়োজন একেক রকম। কোন কোন গাছ অল্প রোদে জন্মে আবার কোন কোন গাছ এর জন্য বেশি রোদ এর প্রয়োজন হয়।
ছাদে কোন পাশে কতক্ষন রোদ থাকে এটা হিসাব  করে ঠিক করুন কেমন গাছের বাগান করবেন।

বাতাস ঃ 
ছাদে সব সময় বাতাস থাকবে এটা স্বাভাবিক। অতিরিক্ত বাতাসের ফলে মাটির আদ্রতা কমে জেতে পারে যা গাছের জন্য ভালো হবে না। তাছাড়া বেশি জোরে বাতাস হলে গাছ নুয়ে পড়তে পারে এটাও আপনার বাগানের জন্য খারাপ।
তাই বেশি বাতাস সামলাতে বেড়া দিতে পারেন।



                                       বাগান করার জিনিসপত্র 

black pruning shears beside green gloves

০১।  গার্ডেন গ্লাভসঃ
মাটি নিয়ে কাজ করবেন তাই হাতের সুরক্ষায় গ্লাভস ইউজ করতে পারেন।
এতে করে মাটিতে থাকা ধারালো বস্তু থেকে আপনার হাত ভালো থাকবে আবার হাতে বিভিন্ন খয়ে যাওয়া সহ অন্য রোগ বালায় থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

০২। স্প্রেয়ারঃ গাছে পানি দিতে স্প্রেয়ার ইউজ করতে পারবেন। অল্প অল্প করে পরিমান মত পানি দিতে স্প্রেয়ার বেশ হেল্প করতে পারবে বলে আমি মনে করি।

০৩। বেলচাঃ বাগান করবেন আর মাটি এখান সেখান করবেন না তা তো হয় না।
বাগান করতে মাটি নিয়ে কাজ করতে হবে আর এর জন্য বেলচা আপনাকে আপনার ভার অনেক টা সহজ করে দিতে পারে।
Person Digging on Soil Using Garden Shovel

০৪। বাগানের রেকঃ  ঘাস আগাছা ইত্যাদি সরাতে, মাটি নিংড়াতে ইত্যাদি কাজে এই রেক ইউজ করতে পারবেন। অনেকটা চিরুনির মত কিন্তু মাথার না বাগানের চিরুনি আরকি।

০৫ঃ হোজ পাইপঃ গাছে পানি দিতে, বাগান তৈরি করতে বার বার বালতি নিয়ে পানি আনা নেওয়া করতে ভালো লাগে?
যদি ভালো লাগে তাহলে তো ভালো।
আর যদি ভালো না লাগে তাহলে পানি দেওয়ার জন্য হোজ পাইপ ইউজ করতে পারেন।
সময় আর শ্রম দুইটাই বাচাতে সাহায্য করবে।

ফুলের বাগান নাকি ফলের বাগান করবেন?

ছাদে কিংবা জমিনে যেখানেই বাগান করেন না কেন শখের বাগানের জন্য ফুল নাকি ফল এর বাগান করবেন তা বেশ ভাব্বার বিষয়।
ফুল তো খেতে পারবেন না আবার ফল দেখে ফুলের মত অন্তর ভরবে না!!
তাই ফুল নাকি ফলের বাগান করবেন তা একটু ভাবুন।

Apple, Orchard, Apple Trees, Red, Green

আমার মনে হয় অর্ধেক অর্ধেক ঠিক আছে।
কিছু ফুলের গাছ লাগান কিছু ফলের।
ফুল ও দেখা হলো আবার ফল ও খাওয়া হলো। 

Green Leaf Plant Beside River

ফুলের বাগানের পিকচার

HD Picture Download করতে নিচে ২ সাইট দিচ্ছি সেখান থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।
All free Picture
Pexels

Bunch of Pink Tulips

গোলাপ ফুলের বাগানের ছবি


empty hallway


ফুলের বাগানের ফটো


Blue Pillow, Garden Plant, Purple, Pink

Tulips, Tulip, Field, Fields, Orange

red flower on pot surrounded by plants

white-petaled flowers beside brown concrete staircase

green leafed plant

green vine plants on arc covered pathways

empty pavement under trees

brown wooden bridge

low angle photo of gray building with green plants



HD Wallpaper | Background Image ID:96192

নতুন ফুলের ছবি - ফুলের ছবি গোলাপ



rose

flower garden

HD Wallpaper | Background Image ID:686008

HD Wallpaper | Background Image ID:593960


HD Wallpaper | Background Image ID:313682
tulip field background

photo of green linear plants