বাংলা এসইও ব্যাকলিংক, পেসিভ ইঙ্কাম ও এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ ভবিষ্যৎ কি ?

বাংলা এসইও  পেসিভ ইঙ্কাম ও এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ ভবিষ্যৎ কি  এবং কি করা উচিত। 

পেসিভ ইঙ্কাম, নিউকামার দের চিন্তা ও সঠিক উপায় নিয়ে আমার নিজস্ব মতামতঃ আরাফ চৌধুরী

পেসিভ ইঙ্কাম ওয়েব সাইট করে এটা একটা বিজনেস এইখানে আবেগ দিয়ে হবেনা ,একটা সাইট বানাও কয়টা মানি, কয়টা ইনফো পোষ্ট দিব কয়টা বাক্লং নিব আর হাজার হাজার টাকা কামাবো । বিলিভ মি এটা কোনদিন হবেনা, এটা এতাটা ঈজি নাহ আর এমনটা হবেও নাহ, জদিনা আপনি খুব নলেজ নাহ রখেন এই সেক্টরে এইখানে শুধু আপনার একটা বিষয়ে জানলে হবে নাহ



আপনার তুখোড় লেভেলের এস ই ও জানতে হবে, অয়েবসাইট মেঞ্জমেনট জানা অ্যান্ড রেডি করতে হবে ওয়ারডপ্রেস , প্রডাক্সাট রিসার্চ ,অনপেইজ ,অফপেইজ ,টেকনিকাল এস ই ও আরও বহু কিছু জানতে হবে সাথে কন্তেত এর কুয়ালিতি বুজা ফ্রিস্নসার হায়ার করার , সাথে ভালো পরিমানে ইনভেস্ত ,তবে সত্যি বলতে এসব কিছু একটা লোকের পক্ষে জানতে হলে কম হলেও ৪-৫ ইয়ার এর অভিজ্ঞতা লাগে ার তখন ই আসে আসল সফলতা হাজার হাজার ডলার এর স্কিনসর্ট ,ার বাকিটা ভুয়া ডুড/বেইব 


আর ,চর্ম রোগের মতন একটা অপ্রিয় চরম,গরম,শরম, সত্যি কথা হল এই সব কিছু একটা লোকের পক্ষে করা সম্ভব না হলেও টাইম লাগবে তাতে ২টা ইয়ারে ১০০ ডলার পেসিভ ইনকাম করা টাফ তবে পসিবল যারা আগে পারবেন তারা এক্সেপ্সনাল ,এক্সেপ্সনাল উধারন হতে পারে নাহ

এখন আসি এইখানে কি সব হায়ার অথবা কিছু জিনিস নিজে বাকিটা হায়ার করে করা পসিবল?? হ্যাঁ উত্তার সঠিক ধরেছেন পসিবল (আপনার জন্য থাকছে কেয়া কসমেটিক্স এর পক্ষ থেকে একটা কেয়া সবান)


তবে সেই ক্ষেত্রে হায়ার করতে চান সব কিছু অথবা কিছু হায়ার করে কিছু নিজে করতে চান যেটাই হোক নাহ কেন আপ্নারে সম্পূর্ণ বিষয় টায় পুরনাংগ নলেজ থাকতে হবে, আর নাহ থাকলে আপনি টাকা লস করবেন আর প্রবেন কিছু অসাধু সারভিস প্রভাইদ্দার অথবা আজেন্সির হাতে আর তখন বলবেন এই সেকটর ভুয়া


আর বিয়ের সময় মেয়ে পাবনাহ আমরা আপানাদের আহাম্মকির জন্য🙄

একটা জিনিস নিয়ে সারভিস দেয়া আর একটা ওয়েব সাইট করে সেটা দিয়ে পেসিভ ইনকাম করা দুইটা আকাশ পাতাল ডিফারেন্স জিনিস


একটা ওয়েব সাইট করে সেটা দিয়ে পেসিভ ইনকাম করার কথা ভাবলে সর্ব প্রথম আপনাকে ভাবতে হবে আপনি একটা বিজনেস করতে আসছেন আর যতখুন পর্যন্ত এটাকে বিজনেস ভাবতে পারবেন নাহ তত্তখুন পরজন্ত এই কাজ আপনার জন্য নাহ । যতই শূনতে খারাপ লাগুক এটাই বাস্তবতা। তার আগেই আপনি সফলতা পাবেন ও নাহ


আর আবেগ দিয়ে বিজনেস হবেনাহ বাস্তবতা বুজতে পারলে তখনি বিজনেস হবে , আর বিজনেস করতে গেলে আপনার বেশ কিছু গুন থাকতে হবে

০১ জেই বিষয় কাজ করবেন সেই বিষয়ে আপনার খুব ভাল জ্ঞান থাকতে হবে

০২ পারটিকুলার বিষয়ে আপনার স্কিল থাকতে হবে

০৩ উদার মনে টাকা ইনভেসট করার মানুসিকতা থাকতে হবে,

০৪ রিস্ক নিবার সাহস থাকতে হবে।


০৫ আপনার বিজনেস এর রিস্ক গুলি বুজতে ও চিনতে হবে এবং আপনার সেই বিষয় গুলির সলভ করার প্লান আগেই রেডি থাকতে হবে।


০৬ স্ঠিক যায়গায় সঠিক বেক্তি অথবা জিনইস কে খাটাতে,অথবা রিপ্লেস আনতেই হবে, কোন কিছুতে লস দেখলে একটা মিনিট ও সেটা আবেগ দিয়ে টিকিয়ে রাখা যাবে নাহ, পরিবর্তন আন্তেই হবে।


০৭ আপনার ইনভেস্ত কেপাবিলিটি থাকতে হবে এবং নাহ থকলে কিভাবে ম্যানেজ করবেন সেটার বেবস্থা করতে হবে, এবং অবশই সেটা সব সময় প্রয়জনের চাইতে বারতি ধরে নিয়ে নামতে হবে।


০৮ মানি ফ্লো ঠিক রাখতেই হবে ।


০৯ খুব ভালো মেনেজমেনট দক্ষতা থাকতে হবে, সেটা টাইম,অদিনস্থ , অথবা মানি হোক সব কয়টাই খুব ভালো ভাবে মেনেজ করতে হবে । 


১০ প্রতিনিয়ত নিজেকে আপডেট রাখতেই হবে , আপডেট নাহ রাখলে এই বিসনেসে আপনি টিকতে পারবেনা আই রিপিট কিছুতেই পারবেন নাহ নিজেই আমি এই ভুলে হারিয়ে যেতে বসেছিলাম ।


১১ সব সময় ফিউচার কি হবে সেই বিষয়ে ভেবে কাজ করতে হবে, কি পরিবর্তন হবে হতে পারে কি ক্করলে আপনি এগিয়ে থাকবেন ফিউচারে সেই বিষয় খুব ই মনোযোগী হতে হবে।


১২ আপনার থেকে কারা এগিয়ে কারা পিছিয়ে কারা আপানার প্রতিযোগী সবার দিকে আপনার নজর রাখতে হবে ।


১৩ সবার শেষে জেটা লাগবে সেটা হলো অদম্য মানসিকতা শেষ পর্যন্ত লেগে থাকা কিছুতেই হার না মানা, অসিম ধৈর্য।


পরিসিষ্ট ঃ এই সেক্টরে আছি সেই ২০১২ থেকে আর তার আগে শুধু ২-৩ ইয়ার এই সেকটরে পড়াশুনা করে নলেজ বারানোর চেস্তা করেছি সাথে আমার [ বিবিএ ,এমবিএ ] এর মতন দুইটা প্রফেশনাল ডিগ্রি আছে আর সেই আলকে এই সাজেশন আপনাকে/আপনারদের দেয়া ।


জানি আমার কথা অনেকেই কানে তুলবেন নাহ বাট তবুও লিখলাম কেউ জদি একজন কাজে লাগায় তবে সে উপকার পাবে আর আমি পাব সদকায়ের জারিয়া এর দুয়া আর তাতেই আমার সময় এর দাম উঠে যাবে আর আমি তাতেই খুসি

ফি আমানিল্লাহ



থিম চেঞ্জ করলে কি সাইটের উপর ইফেক্ট হয়? আব্দুল আওয়াল 


ছোট একটা আলোচনা করা যাক। প্রতিটা থিমের গঠন আলাদা। কেউ জাভাস্ক্রিপ্ট বেশি ব্যবহার করে কেউ কম। জাভাস্ক্রিপ্ট এর সাথে গুগলের কেন জানি একটা বিরোধ আছে । সে পুরাপুরি রেন্ডারিং করতে সময় নেয়। জাভাস্ক্রিপ্ট কম বেশি হলে হাল্কা এক্টু ইফেক্ট ত পরবেই।
.
প্রতিটা সাইটের এইচটিএম স্ট্রাকচার ভিন্ন। আবার কোন থিম ডিফল্ট পেজ বিল্ডার ইউজ করে। গুগল রেংকিং এ ছোট খাট একটা রেংকিং ফ্যাক্টর হচ্ছে HTML - Text - Ratio. স্বাভাবিক ভাবেই এইটার মাত্রা কম বেশি হয় প্রতিটা থিমে। তাই ইফেক্ট / এফেক্ট আসা স্বাভাবিক।
.
W3c ভ্যালিডেট এইচটিএমএল ফাইল রেংকিং এ সহায়তা করে। অনেক থিমেই বেশ কিছু এরর থাকে। স্বাভাবিক ভাবেই এরর থাকলে রেংকিং হাল্কা এক্টু ডাউন হতে পারে।
.
জেনেসিস বা জেনারেট প্রেসের মত থিম গুলা স্ট্রাকচার্ড ডাটা ইউজ করে। যেটা অনেক থিমেই নাই। স্ট্রাকচার্ড ডাটা রেংকিং এ কিছুটা হলেও আগাই রাখে। নতুন থিমে সেটা থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে। আবার জেনেসিসের স্টাকচার্ড ডাটা আর জেনারেট প্রেসএর স্টাকচার্ড ডাটার গঠন ও ভিন্ন।
.
থিমের ফাংশন আর প্লাগিন ডিপেন্ডেন্সিএ উপর নির্ভর করে সাইটের স্পীড এ তারতম্য হয় কিছুটা। এখানেও রেংক আপড়াউন কর‍তে পারে।
.
ফার্স্ট ফোল্ডের স্পেস বা গঠন রেংকিং এ গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখে। কিছু থিম ফার্স্ট ফোল্ডে অতিরিক্ত জায়গা খায় কোনটা কম। সেখানেও রেংকিং ফ্যাক্টর জড়িত।
.
লেজি লোডের মত বিষয় গুলাতেও কিছুটা রেংকিং ফ্যাক্টর জড়িত। উদাহরন হিসাবে বলা যায়, কিছু থিম বা প্লাগিন লেজি লোডে প্রথমে ব্লাংক ইমেজ লোড করে ( লাইট স্পীড ক্যাশের একটা ফাংশন আছে)। পরে মুল ইমেজ লোড হয়। এই ক্ষেত্রে দুইটা ইমেজের সাইজ ভিন্ন হয়। প্রথমে ডিফল্ট ব্লাংক ইমেজ লোড হয়, এরপর সাইটের মুল ইমেজ লোড হয়। ফলাফল হিসাবে CLS ( লে আউট শিফটিং টাইম) বেড়ে যায় ( যদিও এইভাবে জিনিসটা ব্যাখা করা উচিত নয়, আরো ডিটেইলস লিখা যায়) ওয়েব কোর ভাইটালস এর ক্ষেত্রে CLS গুরুত্বপুর্ন ইসু এখন। সেক্ষেত্রেও রেংকিং এ হাল্কা ইফেক্ট আসতে পারে।
.
প্রতিটাতেই পজেটিভ বা নেগেটিভ দুই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে মেক্সিমাম কেসে দুই এক্টা বিষয় ছাড়া এত ভাইটাল কিছু না। তবে থিম চেঞ্জ করলে রেংকিং এ চেঞ্জ আসবেই।


আপনার ব্যাকলিংক প্রোফাইলে তিন জাতের লিংক জুস প্রোয়োজন। তা হচ্ছে-
1- Relevance link juice
2- Trust link juice
3- Power link juice


আপনি এই তিন প্রকারের লিংক জুস একটি ব্যাকলিঙ্ক থেকে পেতে পারেন। একটা ব্যাকলিংকে এই তিন ধাঁচের লিংক জুস থাকা সহজ এবং খুবই সম্ভব। কিন্তু এটার প্রোয়োজন নেই। আপনার শুধু নিশ্চিত করতে হবে আপনার পুরো ব্যাকলিঙ্ক প্রোফাইলে এই তিন জাতের লিংক জুস একসাথে আছে কিনা (ভিন্ন ভিন্ন ভাবে)। চলুন রিলেভেন্স দিয়ে শুরু করি। রিলেভেন্স লিংক জুস খুব সহজে যেমন পাওয়া যায় তেমন খুব সহজে বোঝাও যায়। কোন আর্টিকেলের টপিক থেকে আপনার লিংক আসলে আপনি তা থেকে রিলেভেন্সি পাবেন। চলুন মনে করি আপনি লিংক পেয়েছেন একটি ওয়েবসাইট থেকে যেটা পুরোটাই গলফ নিসের উপর।


তাই গুগোল মনে করবে আপনার ওয়েবসাইটটিও বরং গলফ সম্পর্কে। এবং পরে ঐ লিঙ্কের সাথে অ্যাংকর টেক্সট থেকেও কিছুটা রিলেভেন্সি জুস পাবেন। তাই যদি আপনার অ্যাংকর টেক্সটটি হয় "reviews of golf drivers" তাহলে গুগল ভাববে আপনার ওয়েবসাইটটি অপরাপর গলফ ড্রাইভার রেটিং/রিভিউ সম্পর্কে। পানির মত সহজ; তাইনা?


চলুন এবার ট্রাস্ট জুস সম্পর্কে আলোচনা করা যাক। এই লিংকগুলো পাওয়া একটু কঠিন বটে।

এলগোরিদমের সাথে একটি ধারণা যুক্ত হয়েছে যে ম্যানুয়াল আউটরিচের মাধ্যমে কিছু সিড সাইট (seed site) থেকে পাওয়া একটি লিংক নির্দিষ্টমাত্রার ট্রাস্ট ইনজেকট/লোড করতে পারে। এই নির্দিষ্ট মাত্রার ট্রাস্ট ভ্যারি করবে সিড সাইট থেকে আপনার সাইটের দূরত্বের উপর। একটি উদাহারণ দিয়ে জিনিসটা পরিষ্কার করা যাক। মনে করুন নিউইয়র্ক টাইমস থেকে আপনি একটি লিংক নিয়েছেন। যেটা সিড সাইটগুলোর একটি। যেখান থেকে আপনি মোটামুটি ভালো ট্রাস্ট লিংক জুস পাবেন। কিন্তু যদি এমন একটি ভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে আপনার লিংক নেয়া থাকে যেটা লিংক নিয়েছে নিউইয়র্ক 


টাইমস থেকে। এক্ষেত্রেওআপনি কিছু ট্রাস্ট লিংক জুস পাবেন। তবে এখানে আরো কিছু ধারণা রয়েছে। যেমন, প্রকৃতপক্ষে গুগলে ভাল র‍্যাংকে থাকা কোন ওয়েবসাইট যেটাতে ভাল ট্রাফিকও থাকে, এমন সাইট থেকে আপনি ব্যাকলিংক নিলে ট্রাস্ট লিংক জুস পাবেন। খুব সাম্প্রতিক সময়ে Ahrefs এর একটি ছোট স্টাডি থেকে জানা যায় গুগলে মাত্র ৯% শতাংশ ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করে ও ট্রাফিক পায়। মজাদার তথ্য; তাইনা? এটা গুগলের অন্যতম একটি বিশেষত্য যে গুগল খুবই বখিল টাইপের। 

যদি গুগল কোন ওয়েবসাইটকে লাইক করে; ভালোবাসা নয় কিন্তু। এটা আরো অনেক পরের ব্যাপার।গুগলের প্রেম সিড সাইটের সাথে। আহারে কপাল! ওকে ফাইন, গুগল যদি একটি ওয়েবসাইটকে র‍্যাংক করার মত যথেষ্ট যোগ্য মনে করে তাহলে অবশ্যই সেই সাইটগুলোর ব্যাকলিংকে কোন সংসয় বা জটিলতা নেই। এবং গুগল তাদের ট্রাস্ট করছে। এবং তাদের থেকে লিংক নিলে আপনিও ট্রাস্ট লিংক জুস পাবেন।


এখন চলুন কথা বলি, (Power Link Juice)পাওয়ার লিংক জুস সম্পর্কে। পাওয়ার সম্পর্কে আলোচনা করতে গেলে আমাদের পুরনো একটি এলগরিদমের উল্লেখ করতে হবে। যেটাকে পেজ র‍্যাঙ্ক(Page Rank) বলা হয়। এটা কিন্তু এখনো আধুনিক এলগোরিদমেরই অংশ। এটা মূলত নির্ধারণ করে আপনার লিংকগুলো কত শক্তিশালী অথবা আপনার লিংকের মধ্যে কতগুলো লিংক আছে। Links with a lot of power. চলুন দুটি উদাহারণ দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করি। মনে করুন কেউ আউটরিচের মাধ্যমে একটি একজিস্টিং আর্টিকেল থেকে একটি লিংক ইনজারশন নিল যেটাতে ইতোমধ্যে অনেকগুলো লিংক রয়েছে এবং একজিস্টেড কন্টেন্ট। এটা আপনাকে অবশ্যই কিছু পাওয়ার লিংক জুস দেবে।


আরেকটি উদাহারণ হচ্ছে PBN টেকনিক। যখন আপনি PBN হোম পেজ থেকে লিংক নেন যেটাতে অনেক কোয়ালিটি লিংক রয়েছে এবং বেশ পাওয়ার লিংক জুসও রয়েছে।

আপনার ব্যাকলিংক প্রোফাইলে এই তিন জাতের লিংক জুস থাকতে হবে। যদি আপনার সাইটটাকে র‍্যাংক করাতে চান। Relevance, Trust and Power. আরেকটু বলে নেয়া ভাল। ধরে নেই, আপনার ব্যাকলিংক প্রোফাইলে শুধুমাত্র রিলেভেন্স এবং পাওয়ার লিংক জুস রয়েছে। এটা নির্দেশ করে যে আপনি প্রায় সবগুলোই PBN ব্যবহার করছেন। কেননা আপনার রিলেভেন্স লিংক জুস আসতেছে PBN এ লেখা আর্টিকেল থেকে। যেটা সবসময়ই রিলেভেন্ট হবে এবং সাথে হোম পেজ থেকে তারা বেশ পাওয়ার লিংক জুসও পাচ্ছে। এটাতে আপনি কম্পিটিটিভ নিসের ক্ষেত্রে র‍্যাংকিং পাবেন। কিন্তু আপনাকে কিছু ট্রাস্ট লিংক জুস এটার সাথে যুক্ত করতে হবে। তাই সিড সাইট অথবা গুগলে র‍্যাঙ্কড সাইট থেকে 

লিংক নেয়াটা বেস্ট প্রাক্টিস এবং আপনার ব্যাকলিংক প্রোফাইল পরিপূর্ণতা পাবে। Cheers!!

মুলঃ My mentor Matt Diggity Diggity Marketing
অনুবাদঃ Myself.(কিঞ্চিৎ রসের মিশেলে)

- Farhan Bashunia



Powered by Blogger.