ইসলামিক বই: বিবাহ বাসর | ডা. শামসুল আরেফীন শক্তির লেখা নতুন বাংলা বই ডায়নলোড ও রিভিউ।

বাংলা ইসলামিক বই: বিবাহবাসর | ডা. শামসুল আরেফীন শক্তি


বই: বিবাহবাসর
প্রকাশকঃ মাকতাবাতুল আসলাফ
লেখকঃ শাইখ মাহমুদ আল-মিসরী
লেখকঃ  ডা. শামসুল আরেফীন




এবার একটা রিসার্চ দেখাই। যদিও বেশ পুরনো, ২০১৩ সালের। University of Virginia-র আন্ডারে National Marriage Project এর একটা ক্যাম্পেইন হয়—

‘National Campaign to Prevent Teen and Unplanned Pregnancy’. তারা একটা রিপোর্ট করে ‘Knot Yet: The Benefits and Costs of Delayed Marriage in America’- নামে। 

রিপোর্টের সারাংশ হল: ★ ২৫ বছর বয়সে, ৪৪% নারীর প্রথম সন্তান হয়। কিন্তু ২৫ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে করে ৩৮% নারী। [ক] 

★ প্রথম শিশুদের ৪৮% হল কুমারী মায়ের সন্তান। [ক] 

★ কুমারী মায়েদের ২৩% টিনেজার। ৬০% এর বয়েস ২০-এর ঘরে। 

★ যেসব নারীরা ৩০ বছর বয়স অব্দি বিয়ে না করে থাকে তারা বছরে $18,152 (ভার্সিটি-পাশ) $4,052 (কলেজ-পাশ) বেশি আয় করে। ২০-এর আগে যারা বিয়ে করেছে তাদের চেয়ে। [ঘ] 

★ ৩০ এর ঘরে বয়সী ছেলেদের মধ্যে যারা ২০-এর ঘরে বিয়ে করেছিল, নিজ শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুপাতে তাদের ব্যক্তিগত ইনকাম সর্বোচ্চ। মধ্য ৩০-এও যারা বিয়ে করেনি তাদের ইনকাম সর্বনিম্ন, এমনকি যারা ২০-এর আগে বিয়ে করেছে, তাদের চেয়েও কম। 

★ চমকপ্রদ একটা ফল এসেছে— আগের যুগে যে বয়সে তরুণ-তরুণীরা বিয়ে করত, ঠিক একই বয়সে এখন তারা প্রথম লিভ-টুগেদারে (first coresidential relationship) প্রবেশ করছে। পার্থক্য এটাই যে, আগে বিয়ে করত, এখন বিয়ে করে না। আগে দায়িত্ব নিত, এখন নেয় না। [ক] 

★ সন্তান আছে এবং ২০-এর ঘরে বয়স, এমন লিভ-টুগেদার দম্পতির ৪০% সন্তানের বয়স ৫ হবার আগেই ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। যা বিবাহিত দম্পতির চেয়ে ৩ গুণ বেশি। [ক] 

★ শুধু ভার্সিটি-পাশ নারীই দেরিতে বিয়ে করছে তাই না। ওয়েটারের চাকরি করে এমন নারীরাও ৩০ এর আশেপাশে বিয়ে বসে। [ঘ] 

★ পশ্চিমের কালচারটাই এখন এমন, যে বিয়ে-কে তারা দেখে গাঁথনির শেষ ইট (capstone) হিসেবে, ভিতের ইট (cornerstone) হিসেবে না। প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের শুরু হিসেবে না, বরং সব কাজ সেরে শেষ কাজ হিসেবে বিয়েকে রাখে। 

★ ৯১% তরুণ-তরুণী ভাবে, সম্পূর্ণ আর্থিকভাবে স্বাধীন না হয়ে বিয়ে করা যাবে না। 

★ ৯০% মনে করে শিক্ষাজীবন শেষ না করে বিয়ে করা যাবে না।

★ ৫১% মনে করে ‘ক্যারিয়ার অবশ্যই আগে’। তারা ভাবে ১/২ বছর ফুলটাইম চাকরি করে বিয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে। [ঘ]

সামাজিক পলিসি নিয়ে রিসার্চ করে এমন একটি থিংক-ট্যাঙ্ক Urban Institute.এর একজন রিসার্চার Robert Lerman ও তাঁর সহকর্মী Avner Ahituv পেয়েছেন যে, বিয়ে একজন পুরুষের আয়কে ২০% বাড়ায়। ২০-২৮ বছর বয়েসী বিবাহিত লোকেরা জীবন নিয়ে "highly satisfied" হবার সম্ভাবনা বেশি।

Authentic Happiness বইয়ে পেনসিলভ্যানিয়া ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানের প্রোফেসর Martin E. P. Seligman, Ph.D বলেন: বহু রিসার্চ দেখিয়েছে যে, একটা ভালো চাকরি পাবার চেয়ে বিয়ে করা-টা বেশি সুখ নিশ্চিত করে।

University of Virginia-র সমাজবিদ Brad Wilcox এই রিসার্চের co-author. National Marriage Project-টাও উনিই চালান। তিনি বলেন: আসলে মানুষ তো আলাদা আলাদা। 

যদি আপনার লক্ষ্য হয় পেশাগত এবং অর্থনৈতিক সাফল্য, তাহলে দেরিতে বিয়ে করাটাই আপনার জন্য বেস্ট। আর যদি সন্তানসন্ততি নিয়ে ধার্মিক জীবন কাটাবেন, তাহলে বিশের ঘরেই বিয়ে-সন্তান সেরে ফেলা উচিত। [১]

[১] Dylan Matthews (April 4, 2013). People who marry young are happier, but those who marry later earn more. Washington post.

- পোস্ট টির লেখক ঃ ডা. শামসুল আরেফীন শক্তি


  1. বিবাহবাসর বই PDF
  2. বিবাহবাসর বই PDF Download
  3. Bibaho Basor Book
  4. Bibaho Basor Boi PDF
Powered by Blogger.