হিন্দুদের আক্রমনের মুখে ভারতের কর্ণাটকের সাহসী মুসলিম বোনের তাকবীর ও আমাদের লজ্জা

 ভা|রতে আমাদের ভাই-বোনদেরকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা হেফাজত করুন। তাঁদের রক্ত আমাদের রক্ত। তাঁদের সম্মান আমাদের সম্মান। ভা|রতের সেই মুওয়াহহিদ (তাওহিদের অনুসারী) সিংহীর প্রতি সালাম, যিনি বহু মুশরিকের সামনে একমাত্র সত্য ইলাহ, মহামহিম আল্লাহর নামে তাকবির দিয়েছেন। উম্মাহর বহু পুরুষ যার দ্বারা নিজেদের কমজোরী এবং অকর্মণ্যতার জন্য লজ্জিত হয়েছে। আযিযুন হাকিম আল্লাহ আমাদের এই জিল্লতির অবসান ঘটান। এই মুওয়াহহিদ সিংহীকে দেখে জেগে উঠুক উম্মাহর ঘুমিয়ে থাকা মুহাম্মাদ বিন কাসিম, আওরঙ্গজেব, ইউসুফ বিন তাশফিন আর সালাহুদ্দিন আইউবীরা। الله اكبر , الله اكبر , الله اكبر ।

.
উহুদের যুদ্ধ শেষে সে সময়কার মুশরিক সর্দার আবু সুফিয়ান চিৎকার করে বলেছিলেন, أعْلِ هُبَل ‘অর্থাৎ হুবল (ঠাকুর) সুউচ্চ হোক।’
নাবী (ﷺ) তখন সাহাবীদেরকে বললেন,‏ ‘তোমরা জবাব দিচ্ছ না কেন? তারা বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আমরা কী জবাব দিব?’
তিনি বললেন, ‘তোমরা বল,‏‏(‏قُوْلُوْا‏ :‏ اللهُ أَعْلٰى وَأَجَلُّ‏) অর্থাৎ ‘আল্লাহ সুউচ্চ ও অতি সম্মানিত।’
আবার আবূ সুফইয়ান চিৎকার করে বলল,لَنَا الْعُزَّى وَلاَ عُزَّى لَكُمْ অর্থাৎ আমাদের জন্যে উযযা (প্রতিমা) রয়েছে, তোমাদের জন্যে উযযা নেই।’
নাবী (ﷺ) পুনরায় সাহাবীদেরকে বললেন, ‘তোমরা উত্তর দিচ্ছ না কেন?’ তারা বললেন, ‘কী উত্তর দিব?’
তিনি বললেন, ‘তোমরা বল,‏‏(‏قُوْلُوْا‏:‏اللهُ مَوْلاَنَا، وَلاَ مَوْلٰي لَكُمْ‏)‏‏ অর্থাৎ ‘আল্লাহ আমাদের মাওলা এবং তোমাদের কোন মাওলা নেই।’
.
সূত্রঃ সহীহ বুখারী, রাহিকুল মাখতুম
- Minar



আল্লাহু আকবার মজলুমদের স্লোগান না, আল্লাহু আকবার সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধের বাস্তবায়নের জন্য দেয়া আল্লাহর প্রতিনিধিদের হুংকার, তাকবীর।

এখন ইন্ডিয়াতে যা হইতেসে, তা হচ্ছে একটা আনফিনিশড পার্টিশনের আফটারম্যাথ। ইন্ডিয়াকে পাকিস্তানের চাইতে স্টেবল মনে হইলেও, ইন্ডিয়া পাকিস্তানের চাইতে আসলে আনস্টেবল। ইন্ডিয়া রাষ্ট্র হিসাবে অসংহত, সে মূলত একটা উত্তর ভারতীয় বর্ণাশ্রমী আধুনিক ব্রাক্ষ্মণ্যবাদী তালুক হিসাবে নিজেকে তৈরি করসে।

ইন্ডিয়া ওয়াজ নেভার আ রিয়েলিটি। হিন্দুস্তানের একটা মাত্র গ্রহনযোগ্য পার্টিশন প্ল্যান ছিল, সেইটা হইতেসে ইকবাল-রহমত আলী প্ল্যান। সেই প্ল্যান বাস্তবায়নের জন্য যা করা দরকার, হিন্দুস্তানের মুসলমানদের গ্রস মেজরিটি তা করে নাই। এবং এরপর, তাদের উল্লেখযোগ্য অংশ নর্থ ইন্ডিয়ান ফর্সা হিন্দুদের চাইতে বেশি ইন্ডিয়ান হইতে চাইসে, যা সম্ভব না আসলে।
ইন্ডিয়ান মুসলমানদের মুক্তি হচ্ছে নিজস্ব পরিচয় ধারন করে এমন পলিটি অর্জনের লড়াই করতে যা করা লাগে সেইটাই করা। নাইলে ক্রিপ্টো মুসলিম হিসাবে থাকতে হবে, অথবা মহাভারতে বিলীন হইতে হবে।
আনফরচুনেটলি, বাঙ্গালী মুসলমানের করনীয়ও তাই। বাঙ্গালী মুসলমান ইন্ডিয়ান মুসলমানের চাইতে ভাল থাকতে পারবে না যদি না তারা কলোনিকে প্রত্যাখ্যান কইরা আযাদীকে অর্জন করতে না শেখে।
এই জায়গায় দেহলভী, পাঞ্জাবী বা তামিল মুসলমানের সাথে বাঙ্গালী মুসলমানের স্বার্থের কোন তফাত নাই, তফাত নাই ফরজের। আযাদী অর্জনের চিন্তা ও সংগ্রাম, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করার চিন্তা ও সংগ্রাম দুনিয়ার প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ।
বোরকা পরা ঐ মেয়ের গলায় তাকবীরটা এসথেটিক লাগে, ইমোশনাল লাগে, কিন্তু রিয়েলিটি হইতেসে, অনেকগুলা পুরুষের সামনে সে একা ছিল। তার কমিউনিটির পুরুষরা তাকে পাহারা দিয়া রাখে নাই।
এই যে লো টেস্টোস্টেরন সাইকি, এইটাকেই আমি সবচাইতে ভয় পাই। আওরাতের হিম্মতকে বাহবা দিয়া এই সাইকি খুশি থাকে, কিন্তু মর্দামির জায়গায় এই সাইকিকে খুইজা পাওয়া যায় না।
জাস্টিসের জন্য যখন ভায়োলেন্স প্রয়োজন হয়, তখন এসথেটিক্স খোজা হইলো সময় নষ্ট।
- Muhammad Sajal



পাশের দেশে হিজাব পরিধান করার কারণে আমাদের বোনদের হেনস্থা করা হচ্ছে। তাদের শিক্ষা অধিকার কেড়ে নেয়া হচ্ছে। হিজাবের অধিকার আদায়ে বোনদের প্রতিবাদে জয়শ্রীরাম শ্লোগান দিয়ে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা আক্রমণ করার জন্য তেড়ে আসছে। কলেজ ড্রেস বহির্ভূত হিন্দুত্ববাদী লাল রুমাল ঝুলিয়ে তারা কলেজে আসছে মুসলিমদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনের জন্য।

এই সবকিছুই হচ্ছে প্রকাশ্যে এবং এই কর্মকে কোন প্রকার অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা ছাড়াই। আপনি দেখাতে পারবেন না, কোন মিডিয়া এই ঘটনাকে সন্ত্রাস ও নারী অধিকার ক্ষুণ্ণ হিসেবে উপস্থাপন করছে কিংবা মিডিয়ায় নিম্নতম কোন প্রকার অপরাধ হিসেবে কভারেজ করছে। আপনি দেখাতে পারবেন না নারীবাদী কোন সংগঠন বা ব্যক্তি এটা নিয়ে কলাম লিখছে। আপনি দেখবেন না, মানবাধিকার কোন সংস্থা মানবতার শ্লোগান দিতে। এতে বুঝার বাকি থাকে না, মিডিয়া, হিউম্যান রাইটস, নারীবাদ এগুলো মুসলিমদের জন্য নয়। সবই মুসলিম ও ইসলাম বিরোধী প্রজেক্ট।

আপনি দেখাতে পারবেন না, কোন হিন্দু সংগঠন এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে কিংবা কোন হিন্দু নেতা বিবৃতি দিয়েছে ঘটা করে। সব কিছু এতো সুস্পষ্ট হওয়ার পরও যদি আপনি মনে করেন মুসলিমরা শান্তিতে বসবাস করছে আপনি তাহলে অন্ধ। ভারতে মুসলিম বিদ্বেষ কতটা মারাত্মক সেটা বুঝা যায়, শাহরুখ খানের সাথে তাদের আচরণ দিয়ে। শাহরুখ আদর্শ, কর্মে, বিশ্বাসে মুসলিম না হলেও নামে মুসলিম। কেবল এই নামের কারণে সেকুলার শাহরুখ দোয়ার জন্য হাত তুলে হিন্দুত্ববাদীদের কড়া সমালোচনার শিকার হচ্ছে।

আমি ভারতের হিন্দু যুব সমাজের প্রতি ঈর্ষাবোধ করি। তারা নিজেদের হিন্দুত্ববাদী আদর্শের জন্য আন্তরিক ও আত্মমর্যাদা সম্পন্ন। কিন্তু আমাদের দেশের তরুণ সমাজের কথাই কল্পনা করুন। নিজেদের দ্বীন ও শরীয়তের প্রতি তারা তাদের মত আন্তরিক নয়। তারা ইসলামের নিদর্শন ও মুসলিম জাতির ব্যাপারে আত্মমর্যাদা অনুভব করে না, অনুভূতি নেই নিজ দায়িত্বের ব্যাপারে।

আত্মমর্যাদা, গায়রাত ও সংবেদনহীন প্রজন্ম নিয়ে মুসলিমদের অগ্রযাত্রার কল্পনা করা যায় না। বরং এর জন্য প্রয়োজন সেই প্রজন্মের মত আরো একটি প্রজন্ম গড়ে তোলা, যেই প্রজন্ম এই দ্বীনের ভিত্তি গড়েছিল দালানকোঠা নির্মাণ সহ। এই প্রজন্মে আবারো সেই চেতনাকে জাগ্রত করতে হবে যেই চেতনা উম্মাহর বোনদের ইজ্জত আব্রুতে আঘাতকারী হস্তকে কেটে দিবে।
- Iftekhar Sifat

আল্লাহু আকবার।
নিশ্চয় আল্লাহ সবচেয়ে বড়।
আমরা আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি : কর্নাটকের মজলুম এই বোনদের ঈমান আমাদের ঈমানের চেয়েও অনেক বড়।
নিজের সুখ ও নিরাপত্তা ঠিক রেখে আমরা যারা ইসলামের নামে দলাদলি করি, ঘরানা রক্ষার নামে নিজেদের শক্তিকে খর্ব করি, নিজেদের উত্তম প্রমাণ করতে গিয়ে অন্যদের অধম বলি- সন্দেহ নেই তাদের চেয়েও বড় তামাম মজলুম সিরিয়ীয়, ফিলিস্তিনি ও ভারতীয়দের ঈমান ।
ইয়া রব্ব, দিলে মুসলিম কো ওহ জিন্দাহ তামান্না...
(চোখের পানি মুখছে মুছতে নিজের ঈমানের ক্ষুদ্রতায় লজ্জিত)।
#চেতনাহীন_উম্মাহ
- Ali Hasan Talib

এক সিংহিনী.... 🔥
ভারতে হিজাব পরিহিতা এক বোন কলেজে প্রবেশ করতেই তাঁর দিকে তেড়ে আসে ছাত্র নামধারী গেরুয়া হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা। দিতে থাকে 'জয় শ্রী রাম' স্লোগান।।
কিন্তু ভয় না পেয়ে মুখের উপর 'আল্লাহু আকবার' ধ্বনি দিয়ে একাই লড়ে যায় বোনটি।
★ ভারতের কর্ণাটকে মুসলিম বোনেরা একে একে সব কলেজেই প্রবেশের অধিকার হারাচ্ছে। উল্টোদিকে এই গেরুয়া সন্ত্রাসীরা ক্যাম্পাসে মহড়া চালাচ্ছে বাধা ছাড়াই।
- Sakibul Hoq
Powered by Blogger.