প্রেম ভালোবাসা ও ব্রেকাপ

যারা প্রেম করছেন কিংবা করবেন বলে মনে মনে ঠিক করে নিছেন কিংবা যারা প্রেম ভালোবাসা করতে না পারারা কারনে কষ্টে আছেন তাদের জন্য কিছু ব্রেকাপের পর এক্সদের কাহিনি দিচ্ছি। আপনি পড়ার পর ও যদি হুদায় কষ্ট পেয়ে লাইফ ছেকাময় করে ধ্বংস করতে চান তাহলে সেটা আপনার একান্ত ব্যাপার। তবে মনে করিয়ে দেওয়া ভালো, একা থাকা বর্তমানে প্রেম ভালবাসার চাইতে ১২০০% বেশি উত্তম, নিরাপদ।

আমাদের দশ বছরের সম্পর্ক ছিল। আর আজ উনার আর আমার মাঝে বিশাল এক দেওয়াল।
আমার বাবা নেই, আমার মা চাকুরী করে ছোট থেকে বড় করেছেন।
উনি আমার দুই ব্যাচ সিনিয়র। উনার ও বাবা নেই। উনার মা ছোটখাটো একটা চাকুরী করে উনাকে বড় করেছেন।

দুইজনেরই ফ্যামিলি অবস্থা বেশি ভালো ছিল নাহ। তবে আমার ফ্যামিলির অবস্থা তুলনামূলক ভালো ছিল।

সে ঢাকায় থেকে পড়াশোনা করতো। ভালোভাবে চলতে পারতো নাহ। তখন থেকেই যতটা পারতাম সাহায্য করার চেস্টা করতাম।
হটাৎ একদিন আমার ফ্যামিলি থেকে বিয়ের প্রেশার আসে।
আমি উনাকে জানাই। উনি উনার ফ্যামিলিতে জানায়, আর উনার মা আমার মাকে আমাদের সম্পর্কের কথা জানায় আর বলে যে উনাকে কিছুদিন সময় দিতে, এর মধ্যে আমার জন্য বিয়ে না দেখতে।

তারপর আমার মা তো কোনভাবেই রাজি নাহ কারণ আমরা প্রায় সেম এইজ, আর উনাদের আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো নাহ।
যাই হোক অনেক কাহিনি করে কান্নাকাটি করে মা'র কাছ থেকে ২ বছরের সময় নেই।
পরে মা রাজি হয়।

তারপর আমরা দুইজন মলে চিন্তা করি ২ বছর সময় তো পেলাম এখন কি করা যায়।
তারপর তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন যে ব্যাবসা করবেন। কিন্তু ব্যাবসা করার জন্য তার তো টাকা নেই।

কোন উপায় না পেয়ে আমি আমার মায়ের গয়না যেগুলো আমার বিয়ের জন্য রেখেছিল সেগুলো লুকিয়ে বিক্রি করে উনাকে আড়াই লক্ষ টাকা দেই।
কিন্তু উনি সেই টাকা নিয়ে কি করেছে আমি জানি না তবে কোন ব্যাবসা করে নাই। টাকা উড়িয়ে দিয়েছে। আর আমাকে মিথ্যে বলেছে যে ব্যাবসা করেছে।
কিন্তু ২ বছর পর গিয়ে জানতে পারি সে কোন ব্যাবসাই করেনি।

একথা জানতে পেরে আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। কি করবো বুঝতে পারছিলাম নাহ।
আমি মা'কে বলে দেই আমি গয়না বিক্রি করে তাকে দিয়েছে টাকা তারপর সে এই কাহিনী করেছে।

এটা জানার পর আমার মা আমাকে বলে যে এরপরও তুই অই ছেলের সাথে যোগাযোগ রাখলে আমার মরা মুখ দেখবি। আর কসম দিয়ে বলে সম্পর্ক শেষ করে দেওয়ার।

আমি মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে যাই। সারাক্ষন একা থাকি, কারো সাথে কথা বলি নাহ।
- Anisha jahan


৭টা বছর যাকে এত আগ‌লে রাখলাম সে আজ অ‌ন্যের বর,এটা মানা হয়ত সব‌চে‌য়ে বে‌শি ক‌ষ্টে,নি‌জে না খে‌য়ে ,পা‌য়ে হে‌টে টাকা জ‌মি‌য়ে দি‌য়ে‌ছি যা‌কে,ফাকা প‌কে‌টে পা‌শে থে‌কে‌ছি,যার অসুস্থতায় নি‌জের ক‌্যা‌রিয়ার শে‌ষে ক‌রে‌ছি,ব্রেকা‌পের পরও নি‌জের হা‌তে ৮টা ব‌্যা‌ন্ডেজ নি‌য়ে র‌ান্না ক‌রে খাওয়াই‌ছি,‌নি‌জের বিপ‌দেও টাকা দি‌য়ে হেল্প কর‌ছি আর সে আমার মা বাপ তু‌লে গা‌লি দি‌সে,আমা‌কে এত অপমান ক‌রে কষ্ট দি‌য়ে চ‌লে গেল,আজ তার সব আ‌ছে আ‌মি নিঃস,নি‌জের আত্মসম্মান‌কে আর ছোট কর‌তে চাই নি জীবন টা নি‌য়ে খে‌লে গে‌ছে ,৭টা বছর বিড়াল ক‌ুত্তা পুষ‌লেও মায়া থা‌কে আ‌মি তো শুধু তার প্রয়োজন ছিলাম,অপমান ছাড়া কি পেলাম,যে আমার কা‌ছে পু‌রো দু‌নিয়া ছিল,


এত সপ্ন দেখা‌নোর কি দরকার ছিল,আমার মত নি‌রিহ সহজ সরল অসহায় মে‌য়ে‌কে এভা‌বে ঠ‌কি‌য়ে কি পেল,আমার মত বোকা মানু‌ষেরই দোষ,ছে‌লেরা কি এমনই হয়,আর কোন‌দিনও কথা হ‌বেনা তার সা‌থে এ দূরত্ব প্রা‌চির আজীব‌নের,আ‌মি খারাপ সে ভাল থাকুক,তা‌কে ছাড়া আজীবন থাক‌তে হ‌বে এটাই কি তা‌কে ভালবাসার শা‌স্তি হি‌সে‌বে য‌থেষ্ট নয়? আমি কা‌রো সু‌খের ম‌ধ্যে অসুখ হ‌তে চাইনা,চ‌লে যাব অ‌নেক দূ‌রে যেখান থে‌কে আর ফেরা যায় না,আল্লাহ যেন এর বিচার ক‌রেন,আ‌মি অসুস্থ হ‌য়ে গে‌ছি মেন্টা‌ল্লি আর প‌ারছি না সহ‌্য কর‌তে,আমার জীব‌নের সব সুখ সব রং তোমা‌কে দি‌য়ে‌ছি ব‌লেই আজ সু‌খে আ‌ছো,আ‌মি হে‌রে যাই নি তোমার সুখ ই তো চে‌য়ে‌ছি আজীবন,এটা‌কে হারা ব‌লেনা,যে ঘ‌রের দেয়ালের রং থে‌কে শুরু ক‌রে সব আমার পছ‌ন্দে ছিল সব অ‌ন্যের প‌রিচয় অ‌ধিকার সব অ‌ন্যের,এ‌তো আত্মত‌্যাগ কজনই বা প‌া‌রে,য‌দি বেঁচে থা‌কি এক‌দিন যোগ‌্য হ‌য়ে তোমার সাম‌নে দা‌ড়ি‌য়ে জিজ্ঞাস করব কি পে‌লে আমা‌কে ঠ‌কি‌য়ে? RH

- Tasnia Tushi  



মেয়েটার সাথে আমার পরিচয় ২০১৮-১৯ এর দিকে। 

তখন স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলতো একজন ভালো ফ্রেন্ড এর মতো।

কিন্তু একটা বিষয় আমার মনে হলো হঠাৎ করেই আমার বেশি বেশি খোজ খবর রাখা শুরু করলো। 

আমি যেহেতু জানি ওর দুটো বাচ্চা আছে (১৪&১২) বছরের সুতরাং অন্য কিছু চিন্তাভাবনা তখন আসেনি।

একটা সময় দেখলাম প্রেম ভালোবাসার মতো টপিক গুলো নিয়ে বেশি বেশি কথা বলতে লাগলো।

ফ্রেন্ড হিসেবে হয়তো এই টপিকের উপর কথা বলে ভেবে বললাম আমিও।

তখন একটা মেয়ের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল এটা সে জানতো। 

কিন্তু একটা সময় অদ্ভুত সব প্রশ্ন করতো,,, যেমন একাধিক সম্পর্ক করলে সমস্যা হয় কি-না, ফ্রেন্ড হিসেবে ভালোবাসা যায় কি-না, বয়সে ছোট কারো সাথে সম্পর্ক করলে সমস্যা হবে কি-না এবং আমি আমার গার্লফ্রেন্ড কে সত্যিই ভালোবাসি কি-না।  অথচ সে এটাও জানে আমার গার্লফ্রেন্ড এর সাথে অনেক বছর যাবত আমার সম্পর্ক। 

যাইহোক বিষয় গুলো নিয়ে মাঝেমধ্যে মজা করতাম আবার অনেক সময় এভোয়েড করতাম।

একদিন রাগের স্বরে বললাম এই টপিক নিয়ে আলোচনা করতে ভাল্লাগে না এবং আমি আমার গার্লফ্রেন্ড কে অনেক লাভ করি।  

এরপর থেকে কথা কম ও এক সময় একেবারে অফ হয়ে যায়। 

২০২১ সালে এসে একদিন ইমোতে নক করে কেমন আছি? নাম্বার ছিল না এবং ইমোতে ছবি না থাকার কারনে প্রথমে চিনি নি। পরে ছবি দেয়।  যাইহোক এরপর হাই হ্যালো এবং আগের মতো কথা।

সে আমাকে সব সময় বলতো তার স্বামী কে ভাল্লাগে না।  ওদের বিয়ের বয়স প্রায় ১৫-১৬ হবে। এর মধ্যে ওদের দেখা হয় বা এক সাথে থাকা ৩-৪ বার।  ওর স্বামী বিদেশ থাকে।

তার থেকে ছোট বয়সে এক ছেলের সাথেও না-কি ওর সম্পর্ক ছিল। স্বামীর কামাই করা টাকা ওই ছেলে দিয়ে দিত। ছেলেও না-কি তাকে বিয়ে করার কথ বলতো। কিন্তু ওই হারামজাদও ওর কাছ থেকে টাকা নিয়ে এক সময় গিয়ে অন্য একটা মেয়েকে বিয়ে করে ফেলে। ৪-৫ হবে।

আমার সাথে সব সুখ দুখ শেয়ার করতো এবং সব কিছুই বলে দিত।

মজার বেপার হলো সে চায় আমি তাকে সময় দেই এজ এ বয়ফ্রেন্ড হিসেবে। ওর চলাফেরা একেবারে পাগলের মতো হওয়ার কারনে বলছি সময় দিব কিন্তু ফ্রেন্ড হিসেবে। কিন্তু সে বার বার বিয়ে বিয়ে এসব নিয়ে কথা বলতো। 

তাকে যখন বললাম স্বামী থাকতে আবার আমাকে কেন?

উত্তরে সেই আগের কথা স্বামীকে ভাল্লাগে না।

ওর স্বামীকে ভালো না লাগার কারন,,,,,তাকে সংসারের কাজ করতে বলে,স্বামীর মায়ের অর্থাৎ তার শাশুড়ীর সেবা করার কথা বলে(শাশুড়ী অসুস্থ) 

সে না-কি এগুলো করে কিন্তু তার স্বামী না-কি সন্তুষ্ট না। 

মজার বেপার হলো তার ফ্যামিলি এগুলো জানে এবং তার ফ্যামিলিও তার উপর বিরক্ত।

তাকে খোলামেলা জিজ্ঞেস করলাম আচ্ছা তুমি আসলে কী সুখ চাও একজন তোমাকে ভালোবাসুক না-কি সে* করার জন্য তোমার একজন প্রাইভেট কাউকে দরকার? 

উত্তরে বলে না এসব না, আবার এটাও বলে স্বামীর মতো ভালোবাসতে।  স্বামীর মতো ভালোবাসা কী এটা আর বুঝতে বাকি রইলো না।

শাহজাদপুর ওর বাপের বাড়ির লোকজন থাকে ওর বিয়ে অন্য জেলায়। ঢাকা আসলেই বার বার বলে মিট করতে।  

আবার দুইটা মেয়েও আছে।  এখন কী করলে এই রকম একটা মানুষ কে বোঝানো যাবে মাথায় কাজ করছে না।  

হয়তো আবার ছাগল পাগলের পাল্লায় পরে সব হারাতেও পারে। ওর বয়স ২৮।  আমার থেকে ২ বছরের বড়ো।

মেয়ে দুটোই মাশাল্লাহ বড়ো হয়ে গেছে। আর সে এতোই বোকা কাউকে একবার বিশ্বাস করে ফেললে টাকা পয়সা খরচ করা শুরু করে দেয়। 

আমি যদি ওর লাইফ থেকে সরে আসি হয়তো অন্য কারো সাথে পরিচয় হবে এবং পরিস্থিতি কী হবে এটা হয়তো বুঝানো লাগবে না।  

দয়াকরে ভালো পরামর্শ দিবেন। আমার নিজেরও যেনো খারাপ কিছু না হয় এবং এই মেয়েরও যেনো না হয়। হুট করে সিরিয়াস সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলতে পারে।

কিছু ক্লোজ ফ্রেন্ড এর সাথে শেয়ার করছিলাম শালারা বলে মেয়ের নাম্বার দিতে।🤦‍♂এজন্য আর ওদের সাথে আলোচনা করিনি। আরেকটা কথা হচ্ছে তাকে বাজিয়েও দেখছিলাম সে সে* করতে চায় কি-না,,,,, জবাব আমার জন্য সব করবে।🤐

Safayet Rahman S



ভালোবাসার মামলায় আমরা বড়ই অদ্ভুত।

যাকে যেটা বলা উচিৎ, তাকে তা না বলে অন্য কাউকে বলি। 

যাকে ভালোবাসা উচিৎ, তাকে অবহেলা করি। 

আর অবহেলা যেখানে পাই,সেখানেই বারবার যাই। 

যাকে সৌলমেইট ভেবে ভালোবাসার বাগান সাজাই, সে যখন বাগান মাড়িয়ে নষ্ট করে দেয়,তখন দোষ দেই তার পুরো জাতীকেই। 

একবারো ভাবিনা, যে আমাদের সিদ্ধান্তে ভুল ছিলো,ভুল ছিলো আমাদের ভালোবাসা নির্ধারণে। 

আমরা ভালোবাসা আকড়ে ধরে রাখতেও ব্যর্থতার পরিচয় দেই। 

আসলে ভালোবাসার মানুষ টাকে ভালোবাসতে হয় সে যেভাবে ভালোবাসা চায় সেভাবে। কিন্তু আমরা নিজের মতকরে ভালোবাসার চেষ্টা করি বলেই ব্যর্থ হই। 

সময়ের কাজ সময়ে আমরা কখনোই করতে পারিনা৷ 

ভালোবাসার মানুষ টাকে কখন আগলে রাখতে হয়,,কখন তাকে একা থাকতে দিতে হয়, আমরা তা জানিনা। জানিনা বলেই ব্যর্থ হই। 

আমি তোমাকে ভালোবাসি ভালোবাসি বললেই ভালোবাসা হয়না। 

আসলে ভালোবাসায় ভালোবাসি বলতেও হয়না__

Md Samsul Huda R


কাল রাতে শেস বারের মত বলেছিলাম,, প্লিজ ফিরে আসেন? আপনি যা বলবেন তাই হবে😢আমি আপনার ছাড়া থাকতে পারতাছি না😭আমার অনেক কষ্ট হয় আপনার সব দায়িত্ব আমার। আমারে কষ্ট দিয়েন না। আপনি যা বলবেন তাই করবো।😢তবু আমারে ছাইরা যাইয়েন না,,আমি সহ্য করতে পারতাছিনা😭এমন চলতে থাকলে আমি মইরা যামু।

সে বলেছিলো ঠিক আছে আমি রাজি।সারারাত কান্না করছি, ঘুমাইতে পারি নাই একটু ও।সকালে অনলাইনে যাইয়া দেহি,,আমরে বল্ক দিছে ফেসবুক+ম্যাসেন্জার +ওয়াটসএ্যাপ এমনকি নাম্বার টা ও বন্ধ,কিন্তু আমার আইডির পাসওয়ার্ড তর কাছে আছে ২ঘন্টা আগে ও সে এ্যাক্টিভ এ ছিলো আমার আইডিতে।আমি এখন কি করবো বলবেন প্লিজ কেউ খারাপ মন্তব্য করবেন না।অনেক কষ্টের পরে পোষ্ট করেছি.

- Angel Sonia 



আমার প্রথম রিলেশন ৫ বছরের ছিল, সে আমাকে সব সময় অপমান অপদস্ত করত, আমি সুন্দর না আমি অসুন্দর কখনো কোন মেয়ের সঙ্গে রিলেশন করতে পারবোনা।

আমাকে কোন মেয়ে পছন্দ করবে না, সে আমার মত ছেলেকে কেন পছন্দ করেছে এটা নিয়ে সে সবমায় আফসোস করতো।

সে নিজের রূপের প্রশংসা নিজেই নিজেই সবসময় করতো। সে নাকি অনেক সুন্দরী তার পিছনে অনেক ছেলে ঘুরে সে নাকি ইচ্ছে করলে আমার চেয়ে আনেক বড়লোক সুদর্শন ছেলের লগে রিলেশন করতে পারবে।

মানে এই টাইপের কথাবার্তা গুলো সে আমায় সবসময় খোঁচা দিয়ে বলতো।

এবং রিলেশনের মাঝে একটু কিছু হলেই সব জায়গা থেকে আমায় ব্লক করে দিত, কোন যোগাযোগ রাখত না টোটালি ব্রেকআপ করতো।

এ পাঁচ বছরে আমি সে ব্যতীত অন্যান্য কোন রিলেশন করি নাই, তার সঙ্গেই শুধু রিলেশন করেছি, সে আমার প্রথম ভালোবাসা ছিল।

তাকে ব্যতীত তার জায়গায় অন্য মেয়ের সঙ্গে রিলেশন করা কখনোই আমি কল্পনাতে চিন্তা করতে পারতাম না, তাকে এতটাই ভালবাসতাম।

তার সঙ্গে আমার ব্রেকআপের পাঁচ মাস চলতেছে।

এই পাঁচ মাসের মধ্যে আমি আরেকটা দ্বিতীয় রিলেশনে জড়িয়ে গেছি।

দ্বিতীয় রিলেশনে জড়ানোর  কারণ তার ওই ধরনের হিটের কথাবার্তা গুলোই একমাত্র কারণ।

এবং মজার বিষয় হচ্ছে যে দ্বিতীয় রিলেশনটা আমি জরাইয়া গিয়েছি দুজনের বাড়ি একই এলাকাতে এবং দুইজন একই কলেজে লেখাপড়া করে।

প্রথমটা অনার্সে, দ্বিতীয় টা ইন্টারে।😃😃

এখন প্রথম টারে আমি কোন ক্রমেই ভুলতে পারছিনা তার ৫ বছরের স্মৃতি গুলো সব সময় মনে পড়ে!

তার আইডি সব সময় ফলো করি।

আর দ্বিতীয় টার সঙ্গে আমার তিন মাস রিলেশন চলতেছে।

দ্বিতীয় টা আমাকে অনেক ভালোবাসে সে সুন্দর কিন্তু তাকে আমার একটুও ভালো লাগে না, মনটা সবসময় প্রথম টার কাছে পড়ে থাকে।

দ্বিতীয় টা কান্নাকাটি করে, তাকে অনেকে ইগনোর করি ঠিকমতো মেসেজের রিপ্লে দেয় না, কল দিলে কল ধরি না!

এখন আমি কি করব বুঝে উঠতে পারছি না কি করবো।

এই স্ক্রিনশটটা দ্বিতীয়জনের.....

প্রহেলিকার মৃত্যু

Powered by Blogger.