ইসলাম আর মুসলিমের প্রধান শত্রু কারা ? কাফেরদের মিডিয়া ?

একই রকম ২ ঘটনার ২ রকম নিউজ ও প্রতিক্রিয়া কেনো? ভণ্ড মিডিয়া কাদের নিয়ন্ত্রনে? 

চলিত মাসের ১৭ তারিখ আইফেল টাওয়ারের নিচে দুইজন বোরকা পরিহিতা বোনকে তাঁদের ছোটছোট সন্তানের সামনেই জনৈকা ইসলাম বিদ্বেষিনী সন্ত্রাসী নারী ছুরি দিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলে। সেই খবর ক'জন জানি? অধিকাংশ মানুষ জানেন না। কারণ, বিশ্ব মিডিয়া সেভাবে প্রচার করে নি, যেভাবে প্রচার করলে আমজনতা সন্ত্রস্ত হতে পারেন। এমনকি সেই হত্যাকারী নারীকে ধরা হয়েছে কিনা, তাও আমরা জানি না। বিচার তো দূর কি বাত।


অথচ নটরডেম চার্চের ভেতরে দুইজন ছুরিকাঘাতে মারা যাওয়ার পর সেটা নিয়ে বিশ্ব মিডিয়া তোলপাড়। যাচাই-বাছাই না করে মুখস্থ বুলি আওড়াচ্ছে তারা। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, হত্যাকারীর হাতে জাস্ট একটি ছুরি থাকার পরও ফরাসী পুলিশ তাকে জীবিত ধরতে পারে নি। সে নাকি ছুরি নিয়ে পুলিশের দিকে তেড়ে আসছিল। আর পুলিশ তাদের জীবনের নিরাপত্তার কারণে স্পটেই গুলি করে মেরে ফেলে। ঘটনার এই সিকুয়েন্স গোবরে মাথা ছাড়া অন্য মাথায় ঢুকবে না।
দুঃখের সংবাদ হল, ঘটনার পরে একই রকম বা কাছাকাছি কোনো ঘটনা কেন ঘটে তা আমরা বুঝি না। ফ্রান্স অর্থনৈতিক ভাবে প্রচণ্ড ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছে। কম ঠেলায় মধ্যপ্রাচ্যকে বয়কট না করার জন্য অনুরোধ করে নি৷ এই অস্বাভাবিক অস্বস্তি থেকে বাঁচতে এবং বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সহানুভূতি পাওয়ার উদ্দেশ্যে এরচেয়ে বড় বড় ঘটনা যে ঘটতে থাকবে তা আমরা বোঝার চেষ্টা পর্যন্ত করি না। আমাদের মাথায় মোসাদ, সিআইএ, এমআই৬, জিডিএসই ইত্যাদি সংস্থার হাল-হাকিকত নেই বলেই বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ফেতনাবাজ মিডিয়ার কথা আমরা বিশ্বাস করে ফেলি।
ইসলাম এবং মুসলিমদের প্রধান প্রধান শত্রুদের লিস্ট যদি করেন তাহলে আপনাকে প্রথমেই লেখতে হবে মিডিয়ার নাম। যদি না লেখেন তাহলে আপনার দ্বারা শত্রু মোকাবেলা সম্ভব হবে না। কারণ, আপনি প্রকৃত শত্রু চিনতেই ভুল করেছেন। খেয়াল করলে দেখবেন, যে মিডিয়াগুলো সত্য প্রকাশ করতে ইচ্ছা করছে মাত্র, তারাই সেন্সরের শিকার হচ্ছেন। হুমকি ধমকি তো আছেই। এসবে কাজ না হলে সম্প্রচার বা প্রিন্ট-আউট বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

মিডিয়া এজেন্সি নিয়ে যাদের ধারণা আছে তারা সহজেই এই ব্যাপারটি আঁচ করতে পারবেন। এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্র। বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা, আমেরিকা থেকে প্যারিস সব সংবাদমাধ্যমই মিডিয়া এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে।
- Nazrul Islam
Powered by Blogger.