ফ্রেঞ্চ জাতি এবং রাষ্ট্র বর্ণবাদী, নির্লজ্জ এবং গণহত্যাকারী : সাদা চামড়ার দেশি গোলামদের ভণ্ডামির জবাব

 ফ্রান্সের পা চাটা বাংলাদেশি গোলামদের প্রোপ্যাগান্ডার জবাবঃ আসিফ আদনান



 ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বয়কটের কথা বলায় অনেকে বেশ চটেছেন। অনেকে আহত হয়েছেন। ফরাসীদের বর্জন করলে নাই সভ্যতাকে বর্জন করা হয়। ফরাসীরা নাকি পৃথিবীর মানুষকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছে। জাত উঠতে চাওয়া বাদামী চামড়ার গোলামরা যে এখনো এধরনের কলোনিয়াল মিথ আউড়ে যাচ্ছে তা বেশ বিস্ময়কর। তবে বাঙ্গাল সেক্যুলারদের নোট মুখস্থ করা লিবারেলিসম কখনো সাদা মনিবের তৈরি অফিশিয়াল গল্পের বাইরে যায় না, এটাও সত্য। যাই হোক, ফ্রেঞ্চ বর্বররা আসলে কীসের পথ দেখিয়েছে আর কোন ধরনের ‘সভ্যতা’ তৈরি করেছে, সেটার একটা স্ন্যাপশট দেখা যাক।

.
ভলতেয়ার (মৃত্যু ১৭৭৮) – এনলাইটেনমেন্টের প্রবাদপুরুষ। বাঙ্গাল মুখস্থচিন্তকদের খুব পছন্দের লোক। তার কিছু কথাবার্তা দেখা যাক।
বিখ্যাত এই ফরাসী দার্শনিক কৃষ্ণাঙ্গদের (আফ্রিকান) তুলনা করেছিল পশুর সাথে।
'আমি বানর, হাতি আর নিগ্রোদের দেখি। এদের সবার মধ্যেই অস্পম্পূর্ণ বুদ্ধিমত্তার ছাপ আছে বলে মনে হয়...প্রথম দেখার ভিত্তিতে বললে, বলতে হয়, এদের (বানর, হাতি, ‘নিগ্রো) সবার মধ্যে হাতিকে সবচেয়ে যৌক্তিক প্রানী বলার দিকে আমার ঝোঁক থাকবে।' (Traité de Métaphysique, ১৭৩৪)
.
'চারপাশে নিগ্রো, হটেনটট এবং অন্যান্য জানোয়ার, বুঝলাম আমি আফ্রিকাতে পৌছেছি।' (Ibid)
.
'যদি বলাও হয় যে তাদের (নিগ্রোদের) বোধশক্তি আমাদের (সাদা ইউরোপিয়ানদের) বুঝের চেয়ে আলাদা ধাঁচের না, তবু কমপক্ষে এটা বলা যায় যে তাদের বোধশক্তি আমাদের চেয়ে অনেক নিম্নমানের।' (Essai sur les mœurs et l'esprit des nations, ১৭৫৬)
.
ইহুদীর ব্যাপারে ভলতেয়ার বলেছিল, এরা জন্ম থেকে উগ্র, চরমপন্থী।
.
‘ব্রিটন (ব্রিটিশ) আর জার্মানরা যেমন সোনালি চুল নিয়ে জন্ম নেয়, ইহুদিরা তেমনি জন্ম নেয় অন্তরে জ্বলন্ত্ব গোঁড়ামি আর উগ্রতা নিয়ে।’ (Lettres de Memmius a Ciceron, ১৭৭১)
.
ম্যাখোরা আজ মুসলিমদের ব্যাপারে যা বলে, ইহুদিদের ব্যাপারে ভলতেয়ারের বক্তব্য তার চেয়ে তেমন আলাদা না। এই হল ভলতেয়ার - ফরাসী সভ্যতা এবং এনলাইটেমেন্ট দর্শনের প্রতীক, ভলতেয়ার।
.
২। সিয়েইস (মৃত্যু ১৮৩৬) – ইমানুয়েল জৌসেফ সিয়েইস, ফরাসী বিপ্লবের প্রধান তাত্ত্বিকদের অন্যতম। সিয়েইসের লেখা ‘What is the Third Estate’ ফরাসী বিল্পবের রাজনৈতিক ম্যানিফেস্টো হিসেবে গৃহীত হয়। মানবজাতিকে এই ভদ্রলোক কীভাবে উত্তরণের পথ দেখিয়েছিল, দেখা যাক।
.
শ্রমিকদের অধিকাংশকে সিয়েইস আখ্যায়িত করেছিল, ‘কাজের যন্ত্র’, ‘শ্রমের উপকরণ’ এবং ‘দুপেয়ে যন্ত্র’ হিসেবে। সিয়েইসের মতে শ্রমিক নামের এই ‘দুপেয়ে যন্ত্ররা’ মানুষ উৎপাদনের নিয়ন্ত্রনে থাকা ‘বুদ্ধিমান আর শ্রদ্ধাভাজন মানুষদের’ সমপর্যায়ের না। বরং তারা এক ভিন্ন এবং নিম্নবর্গের জাতের মানুষ। সিয়েইস বলেছিল...
.
‘এদেরকেই মানুষ বলা হয়? এদের সভ্য গণ্য করা হয়, কিন্তু আমরা কি এদের মধ্যে এমন একজনকেও দেখেছি যে সমাজে প্রবেশের উপযুক্ত?’ (Ecrits politiques, ed. Roberto Zapperi, Paris)
.
অনুগত, শান্ত শ্রমিক জাত কীভাবে তৈরি করা যায় তা নিয়ে ইউরোপের অন্য অনেক লিবারেল চিন্তকের মতো সিয়েইসও চিন্তিত ছিল। তার প্রস্তাবিত সমাধান কী ছিল জানেন?
বানরের সাথে কৃষ্ণাঙ্গদের ‘ক্রসব্রিডিং’ করা। বানরের সাথে কৃষ্ণাঙ্গদের আফ্রিকানদের যৌন মিলনের মাধ্যমে এক শান্ত, অনুগত শ্রমিকজাত উৎপাদিত হবে। সামাজিক কাঠামোর উপরে থাকবে সাদারা, আর একদম নিচে থাকবে এই আধা-মানুষ, আধা-বানর শ্রমিক জাত।
.
'প্রথম দেখায় যতো অস্বাভাবিক মনে হোক না কেন, আমি দীর্ঘ সময় চিন্তা করার পর...কাজের পরিচালক আর শ্রমের উপকরণদের (শ্রমিকদের) মধ্যে সামঞ্জস্যবিধানের আর কোন পথ খুজে পাইনি।' (Ibid)
.
ফরাসী বিল্পবের সময় প্রণীত Declaration of the Rights of Man শিরোনামের নাগরিক অধিকারের দলিল নিয়ে ১৭৮৯-এ যখন আলোচনা চলছে, তখন সিয়েইস বলে শ্রমিকরা এখন থেকে নাগরিক হিসেবে গণ্য হবে, তবে নারী, শিশু এবং বিদেশীদের মতো প্যাসিভ নাগরিক। রাজনীতিতে যাদের কোন ভূমিকা থাকবে না। (Ibid)
.
৩। টকভিল (মৃত্যু ১৮৫৯) - ডা ভিঞ্চি আর পিকাসোকে ফ্রেঞ্চ মনে করা বাঙ্গাল সেক্যুলারদের কাছে অপরিচিত হলেও, অ্যালক্সিস ডি টকভিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসিক্যাল ফ্রেঞ্চ লিবারেল চিন্তকদের একজন। টকভিলের লেখা ‘ডেমোক্রেসি ইন অ্যামেরিকা’, লিবারেল পলিটিকাল সায়েন্স, সোশ্যাল সায়েন্স এবং ইতিহাসের একটি ক্লাসিক বিবেচনা করা হয়। এই লিবারেল, ফ্রেঞ্চ, সভ্য টকভিল ছিল আলজেরিয়াতে চালানো ফ্রান্সের বর্বর ঔপনিবেশিক ক্যাম্পেইনের কট্টর সমর্থক।
.
১৮৪৭ সালে টকভিল লেখে, ফসল পোড়ানো, শস্য চুরি করা, নিরস্ত্র নারী, পুরুষ ও শিশুদের বন্দী করা সহ যা কিছু ফ্রেঞ্চরা আলজেরিয়াতে করছিল তা ‘দুঃখজনক হলেও দরকারী’। (Essay On Algeria, Writings On Empire & slavery, Ed. Jennifer Pitts, Johns Hopkins University Press, ২০০১)
.
আলজেরিয়াতে পোড়ামাটি নীতি অবলম্বনের পক্ষে টকভিল বলে, ‘বাণিজ্য বাঁধাগ্রস্থ করার পর আমাদের কাজ হল আলজেরিয়াকে বিধ্বস্ত করে দেয়া’ (Ibid)
.
'আমি বিশ্বাস করি যুদ্ধের অধিকার আমাদের অনুমোদন দেয় দেশটিকে বিধ্বস্ত করার। এবং এটা করা আবশ্যক। ফসলের মৌসুমে শস্য ধ্বংস করে হোক, অথবা বছর জুড়ে অভিযান চালিয়ে হোক, যেগুলোর উদ্দেশ্য হবে মানুষ আর গবাদি পশু লুট করা।' (Ibid)
.
'এমন সব জায়গা যেখানে স্থায়ীভাবে মানুষ বসবাস করে; অর্থাৎ শহর, ধ্বংস করে দিতে হবে।' (Ibid)
.
অনেকটা আজকের কলাটোরাল ড্যামেজের রেটোরিকের মতো। ২০০ বছর আগের সভ্য, লিবারেল আর আজকের সভ্য লিবারেলদের মধ্যে তেমন পার্থক্য নেই।
.
এই মহান ফ্রেঞ্চ লিবারেল চিন্তক ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দখলদারিত্বের গুণমুগ্ধ সমর্থক ছিল। ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে ব্রিটিশদের সম্ভাব্য পরাজয় তার কাছে ছিল সভ্যতা আর মানবতার জন্য বিপর্যয়। টকভিলের মতে ব্রিটিশদের ভারত ত্যাগে ‘বর্বর ছাড়া আর কারো লাভ হবে না’ । ব্রিটিশরা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ দমনে সফল হবার পর টকভিল লেখে “এ বিজয় সভ্যতা এবং খ্রিষ্টজগতের (ক্রিসেনডোম).
(Lettre à N.W. Senior Esq., 1857. Cited in Sharma, Y. (2008). Alexis de Tocqueville and the Indian Revolt of 1857–58. Studies in History, 24(1), 115–135)
.
এই হল ফরাসী এনলাইটেনমেন্টে দার্শনিকদের অবস্থা। এরা কেমন সভ্যতা উপহার দিতে পারে সেটা বোধগম্য। ডমিনিকো লোসার্ডো-র Liberalism: A Counter-history বইতে এনলাইটেনমেন্টের নবদের এমন আরো অনেক ‘গ্রেইটেস্ট হিটস’ খুজে পাবেন। আগ্রহী পাঠক, এবং যারা মুখস্থচিন্তক না, তারা পড়ে দেখতে পারেন।
.
.
আচ্ছা এগুলো তো দুই-আড়াইশো বছর আগের কথা। পরে এগুলো ঠিক হয়ে যেতে পারে। তাই না?
ঠিক আছে, ৬০-৯০ বছর আগের অবস্থা দেখা যাক।
.
১। হিউম্যান যু - ১৯৩১ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সে মানব চিড়িয়াখানা চালু ছিল। এসব ‘চিড়িয়াখানায়’ সভ্য মানুষদের মনোরঞ্জনের জন্য ফ্রান্সের দখল করা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বন্দী করে আনা মানুষদের পশুর মতো প্রদর্শনী করা হতো। https://tinyurl.com/yyah5umj
.
২। সিতিফ ও গুয়েলমা ম্যাসাকার – ১৯৪৫ সালের মে-র ৮ তারিখ থেকে জুনের ২৬ তারিখ পর্যন্ত চালানো দেড় মাসের গণহত্যায় হাজার হাজার আলজেরিয়ান মুসলিমকে হত্যা করা হয়। মৃতের সঠিক সংখ্যা আজ পর্যন্ত কেউ সঠিকভাবে জানে না। ১০,০০০-৪৫,০০০ পর্যন্ত হতে পারে। সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন এস্টিমেটের কিছু লিঙ্ক পোস্টের কমেন্টে দেয়া হল।
.
৩। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্রান্স সক্রিয়ভাবে ইহুদীদের উপর চালানো গণহত্যায় অংশগ্রহণ করে। ফ্রান্স থেকে ৭০ হাজারের মতো ইহুদীকে নাৎসি কনসেনট্রেইশান ক্যাম্পে পাঠানো হয়। এদের অধিকাংশ মারা যায়। মানবতা, মানবাধিকার, স্বাধীনতা নিয়ে গলাবাজি করলেও ইহুদীদের নাৎসিদের হাতে তুলে দেয়ার ক্ষেত্রে ফ্রান্স তেমন কোন সমস্যা দেখেনি। আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বিপর্যয়কর একটা অধ্যায় বিশ্ববাসীর সামনে ফ্রান্স কতো সভ্য, সুন্দর একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো তাই না?
.
৪। প্যারিস ম্যাসাকার ’৬১ - ১৯৬১ সালে প্যারিসে ফ্রেঞ্চ-আলজেরিয়ানদের একটি বিক্ষোভে সভ্য ফ্রেঞ্চ সরকারের নির্দেশে পুলিশ হামলা চালায়। দুই থেকে তিনশো মানুষকে খুন করা হয়। বিক্ষোভকারীদের অনেককে সিন নদীতে ছুড়ে দিয়ে হত্যা করে ফ্রেঞ্চ পুলিশ। ঐতিহাসিক যন লুক এনুদি-র দেখিয়েছেন সিন থেকে কমপক্ষে ১১০টি মৃতদেশ উদ্ধার করার খবর নিশ্চিতভাবে জানা যায়। https://tinyurl.com/y64scn3s
.
.
আবারো হয়তো কেউ বলতে পারেন 'এগুলোও অর্ধশতাব্দী আগের কথা। এখন হয়তো পরিস্থিতি বদলেছে?'
ঠিক আছে ৩-৩০ বছর আগের অবস্থা দেখা যাক।
.
জ্যাক শিরাক – ১৯৯৫ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ছিল শিরাক। ১৯৯১ সালে এক বক্তব্যে ‘অলস’ আরব এবং আফ্রিকান ইম্রিগ্যান্টদের ‘বিরক্তিকর, গন্ধ আর চেচামেচি’ কীভাবে ‘পরিশ্রমী’ শ্বেতাঙ্গ ফ্রেঞ্চ শ্রমিকরা সহ্য করে তা নিয়ে প্রশ্ন করে। শ্বেতাঙ্গ ফ্রেঞ্চদের এই ‘ত্যাগের’ জন্য তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে। তার এ বক্তব্যে হাততালি দিয়ে সমর্থন জানায় উপস্থিত শ্বেতাঙ্গ দর্শক, রাজনীতিবিদ, মিডিয়ার লোকজন। https://tinyurl.com/y3c4c7ek
.
২। শিরাকের পর প্রেসিডেন্ট হয় নিকোলা সারকোযি। ২০০৭ এর জুলাইয়ে, সেনেগালের রাজধানী ডাকারে দেয়া এক বক্তব্যে সারকোযি বলে, ‘আফ্রিকা এখনো পুরোপুরি ইতিহাসে প্রবেশ করতে পারেনি।’ স্বাভাবিকভাবেই আফ্রিকানরা তার এই বক্তব্যকে ফ্রেঞ্চদের কলোনিয়াল মেন্টালিটি আর বর্ণবাদের প্রকাশ হিসেবে নেয়। নিজেদের ঔপনিবেশিক অপরাধের জন্য ক্ষমা চাওয়ার বদলে স্বভাবসুলভ ফ্রেঞ্চ দাম্ভিকতার সাথে সারকোযি উল্টো আফ্রিকানদের সমালোচনা করাকে নিজের অধিকার মনে করলো। https://tinyurl.com/y5r9ts5y
.
৩। প্রেসিডেন্ট হবার পর ২০১৭ ম্যাখো মন্তব্য করে, আফ্রিকার ‘সভ্যতার’ সমস্যা আছে কারণ আফ্রিকান নারীরা ‘৭-৮ জন করে শিশু জন্ম দেয়’।
.
.
কেউ হয়তো শেষ চেষ্টা হিসেবে আমতা আমতা করে বলবে, ‘এগুলো রাজনীতিবিদদের কথা। সাধারণ মানুষ এমন না।
.
কিন্তু আমরা তো জানতাম ইসলাম আর মুসলিমদের টার্গেট করে ক্যাম্পেইন চালানো ম্যাখোর পপুলিস্ট রাজনৈতিক কৌশলের অংশ। জনগণের মধ্যে এসব সেন্টিমেন্ট না থাকলে এটা পপুলিস্ট কৌশল কীভাবে হল? জনগণের মধ্যে এসব ধ্যানধারণা না থাকলে জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য ম্যাখো এ ইস্যুগুলোকে ব্যবহার করছে কেন? গত নির্বাচনে ম্যাখোর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল মারি লা পেন, সে ম্যাখোর চেয়ে আরো বেশি বর্ণবাদী আর ইসলামবিদ্বেষী। জনগণের মধ্যে যদি এই সেন্টিমেন্ট না থাকে তাহলে প্রেসিডেন্ট পদে দুই প্রধান প্রার্থী কীভাবে এদের চিন্তাভাবনা রাখে? ম্যাখো, লা পেন ফ্রেঞ্চ জনগণের পালস বোঝে না। আপনি বাংলাদেশে বসে, কিংবা ফ্রান্সের ভিসা পেয়ে বুঝে গেছেন?
.
বাস্তবতা হল ফ্রেঞ্চ জাতি এবং রাষ্ট্র বর্ণবাদী, শ্রেষ্ঠত্ববাদী, নির্লজ্জ এবং গণহত্যাকারী। ঔপনিবেশিক লুটপাট ও গণহত্যা, উদ্ধত শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী প্রলাপ, আর হরেক রকমের বিকৃতির রপ্তানী হল তাদের অবদান। শুধু ফ্রেঞ্চ পণ্য না, এদের বিকৃত চিন্তাভাবনা, জগাখিচুড়ি দর্শন এবং বিকৃতিও বর্জন করা আবশ্যক। এই অসভ্য ফ্রেঞ্চ এবং তাদের আদর্শিক দাসদের কাছ থেকে সভ্য মানুষের শেখার কিছু নেই।

সিতিফ এবং গুয়েলমা ম্যাসাকারের মৃতের মোট সংখ্যা নিয়ে - খবরের লিংক 
Powered by Blogger.