ফ্রান্সের বর্বরতাঃ রুয়ান্ডার গণহত্যা

কাফের ফ্রান্সের বর্বরতা আর ঐ বর্বর কাফের গুলো আসে আমাদের শান্তির বানি শুনাইতে

আজ আমি আপনাদের এমন একটি গণহত্যার কথা শোনাব যার কথা আপনারা হয়ত শোনেনই নি।


ইতিমধ্যে অনেকেই লিখেছে ফ্রান্সের বিভিন্ন সময়ে হত্যা নিয়ে, বিশেষ করে আলজেরিয়ার মুসলিম দের উপর হত্যার কথা এসেছে কিন্তু এই ঘটনা টা আসেনি তেমন ভাবে।

রুয়ান্ডার গণহত্যা বলতে ১৯৯৪ সালে সেদেশের সংখ্যালঘু টাট্‌সি গোষ্ঠীর মানুষ এবং সংখ্যাগুরু হুটু গোষ্ঠীর মধ্যে উদার ও মধ্যপন্থীদের নির্বিচারে হত্যার ঘটনাকে বোঝায়।
৬ই এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত এই গণহত্যা সংঘটিত হয়।



অন্তত ৫০০,০০০ টাট্‌সি এবং এক হাজারেরও বেশি হুটু নিহত হয়। অধিকাংশ সূত্রমতে মোট নিহতের সংখ্যা ৮০০,০০০ এর কাছাকাছি বা ১,০০০,০০০ এর কাছাকাছি। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা নানান খবরের ভিড়ে এই গণহত্যার সংবাদ আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে খুব কমই স্থান পেয়েছিল। এই সুযোগেই গণহত্যা বিভৎস রূপ ধারণ করেছিল।
সরকারি নির্দেশেই গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল।


এর পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছিল দুটি হুটু স্বার্থান্বেষী রাজনৈতিক দল: এমআরএনডি (Interahamwe-এর অংশ) এবং সিডিআর (Impuzamugambi-এর অংশ)। রুয়ান্ডার ঔপনিবেশিক যুগের অবসান ও হুটু পাওয়ার সংস্কৃতির উত্থানের পর সেখানে যে গোষ্ঠীগত ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছিল তারই চূড়ান্ত পরিণাম এই গণহত্যা। অনুঘটকের ভূমিকা পালন করেছিল হুটু সরকার ও নির্বাসনে দণ্ডিত টাট্‌সিদের মধ্যে সংঘটিত গৃহযুদ্ধ।

সেই যুদ্ধে হুটুদের পিছনের মূল সাহায্যকারী ছিল ফ্রান্স। তারা অস্র হতে শুরু করে টাকা, গোয়েন্দাগিরি সহ বিভিন্ন দিক দিয়ে এই হুটুদের সাহায্য করে।

জাতিসংঘ এই হত্যাযজ্ঞকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অনিচ্ছুক ছিল। মিডিয়ায় সচিত্র সংবাদ পরিবেশন সত্ত্বেও জাতিসংঘের এমন ব্যবহারে সবাই মর্মাহত হয়েছিলেন এবং জাতিসংঘকে তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল।


যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়াম ও ফ্রান্স সরকারকে এ কারণে এখনও সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়। রুয়ান্ডায় শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছিল United Nations Assistance Mission for Rwanda। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদের দৃষ্টি এদিকে আকর্ষিত না হওয়ায় তারা কোন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। সেই সময় সমগ্র রুয়ান্ডার জন্য মাত্র ৩০০ শান্তিরক্ষী মোতায়েন ছিল।
___________________
উপরের লিখটা পরে আপনারা এর বীভৎস রুপটা বুঝতে পারবেন না, তার চেয়ে বরং কিছু ছবি দেখুন !
হে ফ্রান্সের সরকার হয়ত ভুলেই গিয়েছ “দশ চক্রে ভগবান ভুত হয়
পুনশ্চঃ
অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর তার অধীনে থাকা সিরিয়া, ফিলিস্তিন, ইরাককে ফ্রান্স ও ব্রিটেন মিলে ভাগাভাগি করে নেয় পিজ্জার মতো। এই পিস তোমার ঐ পিস আমার। সিরিয়ার ভাগ পড়ে ফ্রান্সের উপর।
ফ্রান্স আর্মী অফিসার সিরিয়া দখলে নিয়ে দামেস্কে থাকা সালাহ উদ্দিন আইয়ুবীর কবরে লাথি মেরে বলে —“” উঠ সালাদিন! আমরা ফিরে এসেছি, আমার ফেরাটা হলো ক্রিসেন্টের(চাঁদতারা) উপর ক্রুশ এর বিজয়””—-
ধন্যবাদ সবাইকে।
সুত্রসমুহঃ
১, Amnesty International Online Documentation Archive: Rwanda
Copy post From Internet

Powered by Blogger.