ধর্ষণ ও বাংলাদেশ : ধর্ষণ বৃদ্ধির কারন এবং প্রতিকার

বাংলাদেশে ধর্ষণ বৃদ্ধির কারন ও সমাধান প্রতিকার 


ধর্ষণের বিচার চেয়ে শুধু দুয়েকটা প্রতিবাদী মিছিল আর পোষ্টই নয় আদালতে শরীয়াহ্ বেঞ্চ কায়েমের লক্ষে মেহনত করুন:
ধর্ষণ/ধর্ষণের পর হত্যা; কয়েকদিন মিছিল/সেমিনারে মিডিয়া পাড়ায় হইচই তারপর সেই প্রতিবাদীরা ঘরে গিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনতে থাকেন আরেকটা হট টপিক কখন আসবে? আবার একদিন বিক্ষোভ করবো আমার সংগঠন ও দলের নামে বিশাল শোডাউন হবে মিডিয়া পাড়ায় ওই ফটোসেশন ছড়িয়ে রাজনৈতিক প্রচারণার একটা ধাপ অগ্রসর হবে।
অতীতের অসংখ্য ইস্যু এর প্রমাণ। তনু হত্যা, নুসরাত হত্যা, নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ৪ সন্তানের জননীকে ধর্ষণ এজাতীয় অসংখ্যা ঘটনায় কয়েকদিন হইচই হয়ে শেষ! এরপর ঘটনা অসংখ্য ঘটছেই, যেন এ সমাজে ধর্ষণ এটা একটা স্বভাবিক বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে!
ঘটনার স্পর্শকাতরতা বিবেকে নাড়া না দিলে প্রতিবাদ ও ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায় অসংখ্য ঘটনা।
গতকাল বিভিন্ন পোর্টালে অন্তত ৪/৫ টি ধর্ষণের নিউজ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে, কিন্তু নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিবস্ত্র ভিডিওটির কারণে অনলাইন-অফলাইনে ঝড় চলছে।
বড়জোর আগামী ৩/৪ দিন বিচার চাই বিচার চাই বলে স্লোগান চলবে তারপর আরেকটি ঘটনার পর্যন্ত লম্বা ঘুম!!
একেকটা ঘটনার অপরাধীরা বিচারের দীর্ঘ সূত্রতার কারণে আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে বেরিয়ে যায় অথবা ক্ষমতাসীন বড়ভাইয়ের হেল্প আর পেশীশক্তির জোরে ধরা ছোয়ার বাইরে থেকে যায়, দূর্বল ভিক্টিমেরা আরও নির্যাতনের আশঙ্কাসয় ঘটনা গোপন করে নিরবে কাঁদে। মিডিয়ায় আর কয়টা আসে?
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রী ধর্ষণ কিংবা যৌন হয়রানি। প্রাইভেট টিচার কর্তৃক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অফিস-আদালত, কল-কারখানা,গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিয়ত হচ্ছে উপরস্থ বস কর্তৃক অধীনস্থ কর্মী যৌন হয়রানির শিকার। চাকুরী চলে যাওয়া কিংবা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার ভয়ে অনেকে মুখ খুলেনা।
এসব রোধকরণ ও বিচারের লক্ষে আদালতে বিজ্ঞ আলেমগনের সম্বয়ে শরীয়াহ্ বেঞ্চ চাই। এবং গতানুগতিক সাময়িক বিক্ষোভ নয় বরং সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা ও প্রস্তাবনা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হওয়া চাই।
𝑼𝒔𝒂𝒎𝒂 𝑴𝒖𝒉𝒂𝒎𝒎𝒂𝒅


অবিচারের দেশ ইন্সাফ কায়েম করুনঃ খিলাফত ফিরিয়ে আনুন
ধর্ষণ করেছে জানার পরও তার পক্ষে আইনজীবী থাকবে। প্রথমে না থাকলেও পরবর্তীতে ঠিকই দাঁড়াবে। বিচারের কাঠগড়ায় এই নরপশুদের পক্ষেও যুক্তি আসবে। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, এমনকি বছর গড়িয়ে গেলেও বিচার কার্যকর হবে না। এখন পর্যন্ত একটা বিচারও কর্যকর হয় নি।
-এটাই সেক্যুলার আইন।

আজ যদি আমি ধর্ষককে প্রকাশ্যে হত্যা করি প্রশাসন আমাকে বাঁধা দিবে কি না? আমাকেও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে কি না!?
-এটাই সেক্যুলার প্রশাসনিক বিচারব্যবস্থা।

আপনি যদি মনে করেন, না... এগুলো সওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাহলে আপনি জেগে থেকেও ঘুমিয়ে আছেন।
ইসলামে সবচেয়ে বড় অপরাধ হল, রাসূল ﷺ কে নিয়ে কটুক্তি করা,গালি দেয়া, ব্যাঙ্গ করা ইত্যাদি মানে রাসূল ﷺ এর সম্মানে আঘাত হানা। ধর্ষণ থেকেও বড় অপরাধ এটি। যেকোন উপায়ে সেই কাফিরকে হত্যা করা জায়েজ। এমনকি সে যদি কাবার গিলাফ ধরে রাখে তবুও.. সাহাবীরা এর দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন।

কিন্তু আপনি কি জানেন? এই তাগুতের দেশে শাতিমে রাসূল কে হত্যা করে ফরজ আদায়ের জন্য ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছে কিছু দ্বীনি ভাই!!
-এটাই তাগুত সরকারের নীতি।

এখন ভেবে দেখুন, ধর্ষকদের আমরা হত্যা করলে অবস্থা কি হবে!! তারপরও বলবো, এসব পশুদের যেখানে পাবেন সেখানে সবাই মিলে জনসম্মুখে মেরে ফেলা উচিত।

আজ খুন, যিনা-ব্যভিচার, দূর্নীতি, ধর্ষণ এগুলো বেড়ে যাওয়ার কারণ হল, আল্লাহর জমিনে আল্লাহ আইন বাদ দিয়ে মানব রচিত আইন কয়েম করার আযাব। যা আজ নিজ চোখে দেখতে পাচ্ছেন...

তারপরও কি আমাদের রক্তে শিহরণ সৃষ্টি হবে না!! আজ আমার-আপনার মা বোনদের ধর্ষণের কান্না শুনেছি নিশ্চয়ই! কিন্তু এই কান্নার আওয়াজে কি আপনার হৃদয় একটুও কেঁদেছে? দু'আ তে একফোঁটা চোখে পানি ঝঁড়েছে? আপনার দু'আ তে কি সেসব মা-বোনেরা স্থান পায়?! নাকি শুধু ফেসবুক স্ট্যাটাস-এ স্থান দিয়ে রেখেছেন!

আমরা কার কাছে বিচার চাইছি? আবু জাহেলের কাছে আবু লাহাবের বিচার চাইছি?!
যত সরকারই আসা-যাওয়া করুক না কেন, এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা যতদিন পর্যন্ত আছে; ওয়াল্লাহি ততদিন পর্যন্ত সুবিচার প্রতিষ্ঠা হবে না। দ্যাটস হোয়াই আই ওয়ান্ট খিলাফাহ্, ব্রো।
#BeLykHujur

নোয়াখালীর ধর্ষণের ঘটনা ভিডিও

 নোয়াখালীর ঘটনাটা জানতে পারলাম।

দেশের পুরুষদের ব্যাপকভাবে অস্ত্রধারনের সময় এসেছে। দেশ, রাষ্ট্র, দ্বীন, জাতি কোনকিছু এখানে টানা লাগবে না। সিম্পল মেসেজ, আপনার মেয়েদের জন্য অস্ত্র ধরতে হবে।
আমাদের মেয়েদের ইজ্জত আমাদের দ্বীন, আমাদের মেয়েদের হৃদয় আমাদের দেশ, আমাদের মেয়েদের লজ্জা ঢাকার কাপড় আমাদের রাষ্ট্র, আমাদের মেয়েদের গর্ভ আমাদের জাতি।
মেয়েদের দুশমন তাই আমাদের দুশমন। তাদের যারা বেইজ্জত করে তাদের সাথে একমাত্র ফায়সালা হবে রক্তের।

তাই, আমাদের মেয়েদের বেইজ্জত করার যে প্রচেষ্টা চলেছে, এর একমাত্র প্রতিকার হিসাবে আমাদের অধিকার আছে অস্ত্র হাতে তুলে নেয়ার। প্রশাসন যদি ধর্ষন বা শ্লীলতাহানি বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়, তবে পাড়ায়

মহল্লায় নিজ পরিচিতদের নিয়ে বাংলাদেশের পুরুষরা অস্ত্র ব্যবহারের চর্চা শুরু করতে বাধ্য হবে।
দশজন মিলে একজন মেয়েকে বেইজ্জত করতে আসলে জীবনের পরোয়া না করে অন্তত তাদের একজনকে খুন করে ফেলতে হবে।
কোন কোন তুর্কী ও আফগান উপজাতি এটার চর্চা করে। স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার আগে স্বামী এমন হিংস্রভাবে হামলা চালায় যাতে অন্তত শয়তানদের একজন অন্তত মরে। এর ফল হয়, স্বামী, ভাই বা বাবা আছে এমন কোন মেয়ের দিকে হাত বাড়ানোর আগে শত্রুরা এটা হিসাব করতে বাধ্য হয়, যে এদিক ওদিক হলে জীবন দিয়ে তার দাম চুকাতে হবে।
আমাদের মেয়েরা ছাত্রলীগ-যুবলীগের হাতে ইজ্জত হারাচ্ছে এর প্রধান কারন আমাদের পুরুষরা নপুংসক হয়ে গেছে। বউয়ের ইজ্জতের চাইতে ভাত কাপড় বেশি দামী হয়ে গেছে, বউয়ের ইজ্জতের চাইতে সন্তানদের ভরন পোষন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে, বউয়ের ইজ্জতের চেয়ে স্বামীর প্রানের দাম বেশি হয়ে গেছে।
নেভার এভার।
বাংলাদেশের এখন আর ভদ্র, শান্ত, শিক্ষিত ভদ্রলোক দিয়ে চলবে না। বাংলাদেশের এখন চাই আগ্রাসী পুরুষ, যারা নিজ পরিবারের মেয়েদের জন্য জান লড়িয়ে দিতে পারে, শত্রুর রক্তে গোসল করতে পারে।
প্রশাসন তাদের কাজে ব্যর্থ।
ঘরের ইজ্জত রক্ষার ইন্তেজাম ঘরেই করে রাখা এখন প্রত্যেক পুরুষের জন্য ওয়াজিবের পর্যায়ে চলে গেছে।
এই দেশের গণশত্রুরা যদি আমাদের পরিবারের ইজ্জতকে লুটের মাল হিসেবে পাওয়ার জন্য অস্ত্র ধরতে পারে, তবে আমাদের জন্য অস্ত্র হাতে তাদের রক্ত ঝরানো হালাল হয়ে গেছে।
একজন নারীর আব্রু সারা দুনিয়ার সমস্ত জাতীয় পতাকার চেয়ে পবিত্র। এই পবিত্রতা রক্ষাই হোক প্রতিটি পুরুষের জিহাদ।
- Muhammad Sajal


সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ঘটনাটি ৩২ দিন আগের। গতকাল ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি বখাটেরা তখনই ধারণ করেছিল। তাদের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তারা ভিক্টিমের ঘরে ঢুকে তাকে বিবস্ত্র করে এই জঘন্য কাজটি করেছে। একজনকে গ্রেফতার করার পর পুলিশ ঘটনার বিবরণ সংবাদমাধ্যমকে এভাবেই দিয়েছে। বখাটেরা শুধু বিবস্ত্র করেই ক্ষান্ত হয়েছে নাকি ধর্ষণও করেছে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোন তথ্য এখনো জানা যায়নি। পুলিশ বলছে, ভিক্টিমের কাছ থেকে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ শুনে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হবে।
অপরাধের নেশায় মত্ত হয়ে কত জঘন্য একটি অপরাধ করে সেটা আবার তারা প্রকাশ করতে পেরেছে।
নিজেকে বাচানোর জন্য হলেও তো মানুষ পরিণতির কথা ভেবে ভয়ে অপরাধকে গোপন করার চেষ্টা করে। তারা সেটাও করেনি। মনুষ্যত্বকে কতটা বিসর্জন দিলে এতটা সময় ধরে অপরাধের ঘোরে মানুষ থাকতে পারে!
তবে বখাটেদের কাছে মনুষ্যত্ব থেকে ক্ষমতাটা গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই ক্ষমতাটা তাদের দিয়ে রেখেছে আমাদের সমাজের একদল "প্রভাবশালী" গোষ্ঠী।
খেয়াল করলে দেখবেন, সংবাদ মাধ্যমে বখাটেদের পরিচয় দেওয়া হচ্ছে "স্থানীয় প্রভাবশালী বখাটে" বলে।
এবং এরা এতটাই প্রভাবশালী যে ৩২ দিনেও ভিক্টিম তাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা তো দূরে থাক, কারো কাছে বিচারও চাইতে যেতে পারেনি।
সম্প্রতি যে কয়টি ধর্ষকের পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে তারাও ছিল প্রভাবশালীদের মদদপুষ্ট।
এই প্রভাবের বলে ধর্ষক-বখাটেরা ধরেই নিয়েছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে, ইস্যু ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত জেল খাটতে হবে। এরপর আর কেউ তাদের খোজ রাখবেনা। আর তখনই তাদের বাচাতে এগিয়ে আসবেন সেই প্রভাবশালীরা।
এই বখাটেরা একদিনে তৈরী হয়নি। বাংলাদেশে ধর্ষণের সংবাদ শুনতে শুনতে আজ ধর্ষণ শব্দটাও হয়তো অনেকের কাছে পানসে হয়ে গেছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত-পাকিস্তানও ধর্ষকদের ব্যাপারে যতটা কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দেখিয়েছে আমাদের রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল-কর্ণধারেরা ততটুকুও করে দেখাতে পারছেননা। কেন?
কারণ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী অথবা দূর্নীতিবাজ প্রভাবশালীদের প্রভাব টিকিয়ে রাখতে এইসব বখাটে-ধর্ষকদের লালনপালন করতে হয়৷
সমাজের মানুষ যাতে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে ভয় পায় সেজন্য ভয়ের সংস্কৃতি তৈরী করতে হয়। এসব আমাদের দেশের পেশিশক্তির রাজনীতির পুরাতন কূটকৌশল। জনগণ যে ন্যায়বিচার চায় সেসব প্রতিষ্ঠা করলে তো এসব বখাটেদের বাচিয়ে রাখা সম্ভব না। এভাবে যারা নোংরা রাজনীতি করে আমাদের দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরী করেছে তারা আজকের পরিস্থিতির জন্য অনেকাংশেই দায়ী।
সমাধানটা এখন আরেকটু গোড়া থেকেই হতে হবে। শুধুমাত্র মিছিল বা প্রতিবাদ সমাবেশ করে বখাটে-ধর্ষক গ্রেফতার করিয়ে ঘরে ফিরে গেলে এর সমাধান আসবেনা। আমাদের মা বোনদের নিরাপত্তার জন্য বখাটে-ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতেই হবে।
- Ashraf Mahdi


আজকে তিন বছর যাবত বলতেসি, আজকের দুর্বৃত্ততন্ত্রের সাথে আমাদের সম্পর্ক হচ্ছে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জমিদারদের সাথে প্রজাদের সম্পর্ক। তারা আমাদের দাস মনে করে, নিজেদের মনে করে প্রভু। তাই, তারা আমাদের মা বোন বউদের ভোগ করা নিজেদের অধিকার মনে করে।
এখন, দেশের মাজাভাঙ্গা বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলার দিকে তাকায়ে লাভ নাই। তারা যখন জান বাজি রাইখা আন্দোলন করসে তখন জনগন ভাবসে ক্ষমতা ওরা পাবে, তাতে আমাদের কি?? জনগন কল্পনা করতে পারে নাই, আনচ্যালেঞ্জড পাওয়ার যখন শয়তানের হাতে যায় তখন তা কি হয়ে যায়, জনগন বোঝে নাই, শক্তিশালী বিরোধীদল ছাড়া জনগনের অধিকার হয়ে যায় ক্ষমতাসীন দলের পায়ের তলায় থাকা পাপোষ, আর ক্ষমতাসীন শয়তান হলে সে তখন মিথ্যা খোদা সাজে।
বাংলাদেশের জনগনের আজকের এই হাল হইসে মিথ্যা খোদার পুজা করতে গিয়ে। তারা ভাবসে এই মিথ্যা খোদা তাদের ভাত, কাপড়, বিদ্যুৎ, মোবাইল, উন্নয়ন, শিক্ষা, বিসিএস, জিআরই, রেমিট্যান্স ও নিরাপত্তা দেবে।
এর ফল হইসে, মিথ্যা খোদা বুঝে গেছে, এই জনগন পেটে ভাত পড়লে পিঠে লাথি দিলেও সহ্য করবে। এখন যা হচ্ছে তা এই উপলব্ধিরই ফল।
কিছুদিন আগে সঞ্জিত চন্দ্র দাসের বক্তব্য আর গতকাল ভারতের আদিত্যনাথ, পায়েল রোহতাগীর বক্তব্য মিলান। সঞ্জিত চন্দ্র স্বাধীনতাবিরোধী মেয়েদের ধর্ষনকে জায়েয করতে চায়, আর আদিত্য-পায়েলরা অব্রাক্ষ্মণ নারীর ধর্ষনকে জায়েয করতে চায়।
এই জায়গায় বাংলাদেশের মিথ্যা খোদার ফকিন্নী চেতনাবাদ আর ভারতের গেরুয়া ফ্যাসিবাদ এক হয়ে গেছে।
এমনভাবে সব জায়গাকে বাস্টার্ডাইজড করা হইসে যে কোথাও গিয়ে আপনি বিচার পাবেন না। আপনার মেয়েকে রেইপ করবে পাড়ার ছাত্রলীগ, বিচার দেবেন পুলিশে যোগ দেয়া ছাত্রলীগের কাছে, তদন্ত করবে পুলিশ ছাত্রলীগ, বিচার করবে বিচারপতি হওয়া কোন আওয়ামী লীগ। ফাসির রায় হলে তা মওকুফ করতে রেডি হয়ে থাকবে অন্য আরেক আওয়ামী লীগ। মিডিয়ায় সেই নিউজগুলা কাভার করবে অন্যান্য ছাত্রলীগ, ফেইসবুকে ভিকটিমকে ভিক্টিমাইজ করবে সেলেব্রিটি ছাত্রলীগ।
এই পরিস্থিতিতে আইন-বিচার-কোর্ট-প্রশাসন এগুলা তামাশা।
তাই, বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের এখন অধিকার আছে, সরকার তার পরিবারের ইজ্জত আব্রুর নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়া সাপেক্ষে এই আইন ও বিচার ব্যবস্থাকে অগ্রাহ্য করার।
আমাদের ঘরে থাকা কোরবানীর গরু জবাই দেয়া ছুরি এখন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে। আমাদের আদালত হবে আমাদের বিবেক। ঘরের মেয়েদের ইজ্জতের ওপর আঘাত আসলে হামলাকারীকে নির্দ্বিধায় খুন করে ফেলবেন। পরে কি হবে তা পরে দেখা যাবে। দিস ইজ দ্যা সলিউশন। মেয়েরা হাতের কাছে ধারালো কিছু রাখবেন সবসময় এবং মাথায় এটা রাখবেন, কেউ যদি আপনার ইজ্জতের ওপর হামলা চালায়, আপনার যা হয় হবে, আপনি তার একটা চোখ বা একটা অন্ডকোষ খুবলে ফেলবেন।
এরপর যদি আপনার ইন্তিকাল হয়, আপনি যদি খুন হয়ে যান বা আপনার ফাসি হয়, তবে ইসলামের দৃষ্টিতে আপনি শহীদ। পরিবারের জান-মাল ইজ্জত রক্ষার্থে কারো জীবন চলে গেলে সে শহীদ।
এইরকম পাচটা ধর্ষকের লাশ যদি কোন জেলায় এক মাসের মধ্যে পড়ে, দেখবেন ধর্ষন কমে কি না। আমরা এখন আর মেয়েদের ঘরে থাকতে বলার জায়গায় নাই, রেইপগুলা ঘর থেকে ধরে নিয়ে বা ঘরের ভেতরেই করা শুরু হয়ে গেসে। আমাদের তাই রক্ত ঝরাইতে প্রস্তুত হইতে হবে। কোনপ্রকার অন্যশোচনা ছাড়া ধর্ষকের রক্ত ঝরানোর সিদ্ধান্ত নেয়া আমাদের অধিকার।
কলোনাইজড আর কলোনি মাস্টারের মধ্যে একটা মাত্র ন্যায়ানুগ সম্পর্ক থাকতে পারে, তা হল ভায়োলেন্স। এই ভায়োলেন্স আপনার অস্তিত্বের ন্যায্যতা প্রদান করে।
- - Muhammad Sajal
Powered by Blogger.