শফি হুজুর তেঁতুল বিতর্ক ও বাঙালি নাস্তিক মুরতাদদের জঘন্য ট্রল এবং হুজুর শফির জীবনী

 হেফাজতে ইসলাম এর শফি হুজুরের  জীবনী ও তেঁতুল বিতর্ক ও বাঙালি নাস্তিক মুরতাদদের জবাব 

যে মানুষটার প্রচেষ্টার জন্য সকল নাস্তিক, সেক্যু শাহবাগীরা পিছু হটেছিল। যিনি সত্যিকার অর্থেই অফলাইনে রুখে দিয়েছিলেন সেক্যুদের সকল অপচেষ্টা। তার মৃত্যুতে তারা খুশিই হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তারপরও মাতল ধরেছে নাস্তিকপাড়ায়। মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন বিভিন্ন গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার করতে চাইছে সেক্যুলাঙ্গার মিডিয়াগুলো, অপরদিকে বিভিন্ন কটুক্তিও করে যাচ্ছে।

অথচ এই মিডিয়া আর ফেমিনিস্ট পাড়া শিখিয়েছে মেয়েদের হটসিক্স, কোকাকোলা, **ক্সি ইত্যাদি বলার মত নোংরা শব্দ। যেগুলো এখন সমাজের ট্রেন্ড বলা চলে। জাস্ট ফ্রেন্ড বা বফ থেকে এসব শুনলে খুব খুশি ট্রেন্ডি আপুমনিরা। যেখানে নিজের আইডল হিসেবে মেনে নেয় হলিউড-বলিউড কিংবা নাটক-সিনামার তথাকথিত সেলিব্রিটি প্রস্টিটিউটদের। সেখানে আবার তারা কথা বলতে আসে তেঁতুল শব্দ নিয়ে। হিপোক্রেসি কোন লেভেলে!!
ওনি তো তেঁতুল আর এনজাইম নিঃসৃত হওয়ার উপমা দিয়েছিল। আমি আজ রিয়েলিটা বলে যাই, মেয়েদের বর্তমানে এমন পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে যেখানে এসব মেয়েরা কোন না কোন ভাবে কোন ছেলের মাস্টারবেশনের নায়িকা হয়ে যাচ্ছে। আপনি নিজেও জানেন আপনার স্কুল-কলেজগামী বন্ধুটার স্প্যার্ম নিঃসরণের কথা। অস্বীকার করার কোনই অবকাশ নেই... অশ্লীলতায় ডুবন্ত প্রজন্ম নোংরা কিছু ওয়ার্ডকে আজ ট্রেন্ড বানিয়েছে।
তেঁতুল দেখলে লালা আসে আর শরীর দেখালে সোস্যাল মিডিয়ায় ফ্যান-ফলোয়ার্স আসে এটা সবাই জানে, এমনকি মেয়েরাও।
তারপরও তেঁতুল ওয়ার্ডটা নাকি খুব গায়ে লাগে তাদের! আমি বলি কি গায়ে যদি কাপড় না থাকে তাইলে তো গায়ে লাগবেই। কই! যেই বোনটা দ্বীন মেয়ে নিকাবে ঢেকে নিয়েছে নিজেকে তার তো গায়ে লাগলো না।
আবার ওরকম ট্রেন্ডিমার্কা কিছু ব্রোও আছে যারা সেসব আপুমনিদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে শুয়ে পরার ধান্দা করে।
তোমরা বরং তোমাদের সেলিব্রিটি মরলেই রিপারিপি কইরো। দ্বীনের বিষয় নিয়ে মাথা না গামালেও চলবে। হ্যা... সত্যিই যদি দ্বীনে ফিরে আসতে চাও, সেক্যুলার আর পশ্চিমাদের দাসত্ব থেকে বেরিয়ে আসতে চাও তাহলে ইউ আর মোস্ট ওয়েলকাম ব্রো; ওহিবুকা ফিল্লাহ্.. আল্লাহর জন্য ভালবাসা।
#BeLykHujur


বাংলাদেশে এই মানুষটার চেয়ে বেশী ট্রলের শিকার কেউ হন নি। ২০১৩ সালে এই মানুষটার নেতৃত্বেই হাজারো আলেম হেফাজতের ব্যানারে নাস্তিক ও মুরতাদদের বিরুদ্ধে একযোগে রাস্তায় নেমেছিল। বাংলাদেশে আজকে তরুণদের দ্বীনের ব্যানারে আসার যে জোয়ার শুরু হয়েছে এর পেছনে হেফাজতের সেই মুভমেন্ট প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে প্রভাব সৃষ্টি করেছিল।

যদিও বয়সে ভারে নুয্য হওয়ায় এবং কু সন্তানের প্রভাবে বেশকিছু ভুল সিদ্ধান্ত তাঁকে অনেক সময় নিতে হয়েছিল। শুধু তাই নয়, তিনি দেশের প্রবীণ আলেম হওয়ায় এবং অন্যান্য আলেমরাও তাঁকে পূর্ণাঙ্গ নেতার সম্মান দেয়ায় সরকার এবং নানা রাজনৈতিক দলও সবসময় তাঁকে নিজেদের বলয়ে রাখার চেষ্টা করেছিল। ফলে প্রায়সময় তাঁকে যেমন সমালোচিত হতে হয়েছিল দেশের জনগনের কাছে, ঠিক তেমনি আলেমরাও তাঁর সিদ্ধান্তের ভুল নিয়ে অনেক কথা বলেছেন।

আলহামদুলিল্লাহ্‌, আমরা এমন এক দ্বীনের অনুসরণ করি যে দ্বীন হলো জবাবদিহিতার দ্বীন। দীর্ঘদিন ধরে হাটহাজারী সহ বেশ কিছু বিষয়ে হযরতকে কাজে লাগিয়ে তাঁর কু সন্তান বিভিন্ন অপরাধ কর্ম করে এসেছিলেন। আপনারা লক্ষ করবেন, আলেমরা গত দুদিন তাঁর কু সন্তান আনাসের পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন করেছেন। হযরত গতকালই এর জবাবে পূত্রকে বহিষ্কার করেন এবং নিজেকেও মুহতামিম এর পদ থেকে অব্যাহতি দেন। এটাই ইসলামের শিক্ষা যে, জবাবদিহিতার মাধ্যমেই শাসক এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদেরকে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান করতে হয়। সত্যিকারভাবে বাংলার সাধারণ মানুষ এবং আলেমদের রাহবারই ছিলেন তিনি। দেশের প্রবীণ মুরুব্বী হিসেবে তাঁর দোয়া এবং উপস্থিতি জনগনের জন্য বারাকাহপূর্ণ ছিল। সাধারণ জনগন তাঁকে ভালোবাসতেন মনে প্রাণে। অথচ আজ মানুষটি চলে গেলেন রবের সান্নিধ্যে। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন। আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউসে নসীব করুক।

জেনারেল লাইন থেকে দ্বীনের পথে চলমান এই আমিও সাক্ষ্য দিচ্ছি হেফাজতের সেই মুভমেন্ট ২০১৩ সালে আমার ঈমানকে নতুন ভাবে জাগিয়ে তুলেছিল। নাস্তিক মুরতাদের বিরুদ্ধে সেই ১৩ দফার সাথে আমরাও একাত্ম ছিলাম। বাংলাদেশে তারুণ্যের ইসলামের গতিপথ চেঞ্জ করা সেই মুভমেন্টের আমীর মাওলানা আহমদ শফী (রাহিমাহুল্লাহ)-কে যেন আল্লাহ এই ভালো কাজ গুলোর উসিলায় মাফ করে দেন, তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করেন।

- Abu Mus'ab



সংক্ষিপ্ত জীবনীঃ আল্লামা আহমদ শফী

জন্মঃ ১৯২০ ঈসায়ী
ওফাতঃ ২০২০ ঈসায়ী (গতকাল)
.
জানাযাঃ আজ ১৯.০৯.২০২০ শনিবার বাদ জোহর, হাটহাজারী মাদরাসা, চট্টগ্রাম।
.
খলিফায়ে মাদানী আল্লামা শাহ আহমদ শফি রাহিমাহুল্লাহ এর সংক্ষিপ্ত জীবনীঃ
.
তিনি গতকাল ১৮.০৯.২০২০ ঈ. শুক্রবার সন্ধ্যা ৬.২০ মি. সময় ঢাকা আজগর আলী হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।
.
إنا لله وانا اليه راجعون
.
আল্লামা শাহ আহমদ শফী رحمه الله تعالى ১৯২০ সালে চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া থানার পাখিয়ারটিলা গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।
.
দশ বছর বয়সে তিনি আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় ভর্তি হন। ওই বয়সে কিছুদিনের মধ্যে তিনি পিতা-মাতা উভয়কে হারান। এরপর ১০ বছর আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় অতিবাহিতকরেন। অতঃপর ২০ বছর বয়সে (১৯৪১) সালে তিনি ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসায় ভর্তি হন।
.
ওই সময় তিনি শায়খুল আরব ওয়ালআজম, সাইয়্যিদ হুসাইন আহমাদ মাদানীর হাতে বায়আত গ্রহণ করেন। অল্প সময়েই তিনি খেলাফতপ্রাপ্ত হন।
.
আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী একাধারে চার বছর অধ্যয়ন ও বিশ্ববিখ্যাত আলেমদের পদাঙ্ক অনুসরণের মাধ্যমে হাদিস, তাফসির, ফিকাহশাস্ত্র ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেন। তিনি মাদানি (রহ্.) এর প্রতিনিধি হয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসেন। এরপর চট্টগ্রামে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলামে শিক্ষক হিসেবে তিনি নিযুক্তহন।
.
১৪০৭ হিজরিতে এর মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান/পেয়ে ছিলেন।
.
অনসৈলামিক কর্মকাণ্ডবন্ধ ও ইসলামী প্রচারণার জন্য আল্লামা আহমদ শফি رحمه الله "হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ" নামক সংগঠনটি গঠন করেন।
.
ভারতে বাবরী মসজিদ ধ্বংস, ফারাক্কাবাঁধ, তাসলিমা নাসরীন ইস্যু, সরকারের ফতোয়া বিরোধী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তৎকালীন সময়ে আল্লামা আহমদ শফি رحمه الله تعالى বিশেষ ভাবে শরিক ছিলেন।
.
যাদের সুহবত প্রাপ্তঃ
.
হুসাইন আহমেদ মাদানি,
আনোয়ারশাহকাশ্মিরি,
মাহমুদুল হাসান,
রশিদ আহমেদ গাঙ্গোহি,
হাজি ইমদাদ উল্লাহ মুহাজির মাক্কী ,
মুহাম্মদ কাসেম নানুতুবি,
আশরাফ আলী থানভী সহ প্রমূখ...!!
.
(ﺳﻘﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﺛﺮﺍﻫﻢ ﻭﺟﻌﻞ ﺍﻟﺠﻨﺔ ﻣﺜﻮﺍﻫﻢ)
.
রচনা/ تصنيفات:
[১] উর্দু ফয়জুল বারী (বুখারীর ব্যাখ্যা)
[২] আল-বায়ানুল ফাসিল বাইয়ানাল হক্ব ওয়াল বাতিল।
[৩] ইসলাম ও ছিয়াছাত
[৪] ইজহারে হাকিকাত
[৫] হক ও বাতিলের চিরন্তন দ্বন্দ্ব
[৬] ইসলামী অর্থ ব্যবস্থা
[৭] ইসলাম ও রাজনীতি
[৮] সত্যের দিকে করুন আহবান ||
.
মহান আল্লাহ তায়ালা তার এই বান্দা কে জান্নাতের উচ্চ মক্বাম দান করুন, আমী-ন ইয়া গাফুরুর রহিম ||
- Mohammad Shahadat

আল্লামা আহমদ শফী রহ. এর মৃত্যুতে হাটহাজারীর ছাত্রদের পক্ষ থেকে শোক বার্তা ; চলমান পরিস্থিতিতে সারা দেশের কওমী মাদরাসার ছাত্রভাই ও দেশবাসীর প্রতি আমাদের আহবান।

আল্লামা আহমদ শফী রহ. এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনার সাথে আল্লাহ তা'য়ালার দরবারে আমরা হযরতের মাগফিরাত কামনা করছি।
সে সাথে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমরা অত্যন্ত সংক্ষোভের সাথে লক্ষ্য করছি যে, আল্লামা আহমদ শফী' রহ. এর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি মহল ঢাকায় কু-রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। এ চিহ্নিত গোষ্ঠিটি ছাত্র সমাজের অপরিচিত নয়। এ লোকগুলোই দীর্ঘ কয়েকবছর যাবত আল্লামা আহমদ শফী রহ. কে ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে আসছিলো এরাই হাটহাজারী মাদরাসা এবং সমগ্র কওমী অঙ্গনকে জিম্মি করে রেখেছিলো। আজ পুরো জাতি পরিতাপের সাথে লক্ষ্য করছে যে, এ চক্রটি লজ্জাজনক ভাবে আল্লামা আহমাদ শফী'র মৃত্যুকে নিয়েও রাজনীতির ফন্দি আটছে।

আমরা পূর্ণ দায়িত্ব ও সততার সাথে স্পষ্ট বলছি যে, হাটহাজারীতে আন্দোলন চলাকালীন পুরো সময়ে আল্লামা আহমদ শফী' রহ. যথাযথ সম্মান ও নিরাপত্তার সাথেই তার কার্যালয়ে অবস্থান করেছেন। এ সংক্রান্ত তথ্য ও প্রমাণ জাতির সামনে উপস্থাপন করতে ছাত্র সমাজ প্রস্তুত আছে।

আল্লামা শফী' রহ. এর কার্যালয় সংলগ্ন কয়েকটি রুম এবং মাদরাসার শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী কয়েকজন শিক্ষকের রুমে উত্তেজিত ছাত্রদের দ্বারা সাময়িক কিছু শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ছাত্রদের সাময়িক সংক্ষোভের পিছনেও আল্লামা আহমাদ শফী' রহ. কে ব্যবহারকারী চিহ্নিত এ গোষ্ঠীটির প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং হঠকারীতাই দায়ী।

ছাত্রসমাজ দ্ব্যার্থহীনভাবে ঘোষণা করছে যে, এ চিহ্নিত মুনাফিক গোষ্ঠিটি যদি আল্লামা আহমাদ শফী রহ. এর মৃত্যুজনিত শোককে ব্যবহার করে কোনো রাজনৈতিক হীনস্বার্থ আদায়ের চেষ্টা করে তাহলে সারাদেশের কওমী মাদরাসার ছাত্ররা তাদেরকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবে। বাংলাদেশের সমস্ত কওমী মাদরাসায় এদেরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে এবং এদের নিয়ন্ত্রনাধীন মাদরাসাগুলোকেও বয়কট করা হবে।

ঢাকার ছাত্রভাইদের প্রতি আহবান থাকবে আপনারা সজাগ দৃষ্টি রাখুন। মুহতারাম আল্লামা আহমাদ শফী রহ. মৃত্যুকে কোনো গোষ্ঠী নোংরা রাজনীতির পুঁজি বানাতে চাইলে আপনারা শক্ত হাতে এদেরকে প্রতিরোধ করুন।

হাটাহাজারীর ছাত্রদের পক্ষে -
𝑼𝒔𝒂𝒎𝒂 𝑴𝒖𝒉𝒂𝒎𝒎𝒂𝒅


শোকে মুহ্যমান হাটহাজারী; সজীবতা ফিরিয়ে আনার দায়িত্বে যারা:

মুহতামিমের কার্যাবলী পরামর্শ ভিত্তিক পরিচালনা করবেন তিন সদস্যের সমন্বয়ে একটি কমিটি:
১। মুফতী আব্দুস সালাম চাটগামী সাহেব হাফি.
২। মাওলানা শেখ আহমদ সাহেব হাফি.
৩। মাওলানা ইয়াহয়া সাহেব হাফি.

জামিয়ার শায়খুল হাদীসের (শায়েখে আউওয়াল) আসন অলঙ্কৃত করবেন আল্লামা হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরী হাফি. পাশাপাশি নাজেমে তা'লীমাত (শিক্ষাসচিব) হিসাবেও দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

আজ ১৯ শে সেপ্টেম্বর রোজ শনিবার বিকালে দীর্ঘ সময় মজলিসে শূরা এবং জামিয়ার সিনিয়র আসাতিযায়ে কেরামের উপস্থিতিতে উক্ত সিদ্ধান্ত সমূহ গৃহীত হয়। এবং আন্দোলন চলাকালীন দু'দিনের শূরায় আনাস ও নূরুল ইসলাম জাদীদের বহিষ্কার সহ যে সব সিদ্ধান্ত হয়েছিল তাও বহাল রাখা হয়েছে।

উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন :
১। আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী হাফি.
২। আল্লামা নূরুল ইসলাম জিহাদী হাফি.
৩। আল্লামা নোমান ফয়েজী হাফি.
৪। মাওলানা সালাউদ্দীন নানূপুরী হাফি.
৫। মাওলানা সুহাইব সাহেব হাফি.
৬। মাওলানা ওমর ফারুক হাফি.
সহ জামিয়ার সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ।

আল্লাহ তা'য়ালা উম্মুল মাদারিস হাটহাজারীর রওনক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করে দিন এবং সব ধরনের ফেতনা-ফাসাদ থেকে হেফাজত রাখুন। আমীন।

𝑼𝒔𝒂𝒎𝒂 𝑴𝒖𝒉𝒂𝒎𝒎𝒂𝒅


দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান:

হাটহাজারীতে উপস্থিত তৌহিদি জনতা সহ গোটা দেশবাসীর কাছে অনুরোধ, শান্ত থাকুন, শত্রুর ফাঁদে পা দিবেননা। ওরা গুজব রটাচ্ছে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে, আবেগ নিয়ন্ত্রন করুন। আল্লামা আহমদ শফী রহ. এর আখেরী বিদায় সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করুন।

মুনাফিকরা বিভ্রান্তিকর পোষ্ট দিচ্ছে আবার সরিয়ে নিচ্ছে, আবার একটু পরপর ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছে এমন বহুরূপী কর্মকান্ড গতকাল থেকে চলছে।
আমার বিগত কোন পোষ্টে নৈতিক অবস্থান দূর্বল নয়।
আমার পোষ্ট আআত্মরক্ষামূলক আন্দোলনের কৌশলে শর্তজুড়ে দেয়া ছিলো, শর্ত পাওয়া যায়নি কোথাও মাশরুতের তো প্রশ্নই আসেনা।

তা ছাড়া হুজুরের নাতি আরশাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য রয়েছে "আমার দাদুকে (আল্লামা অাহমদ শফী রহ.) হাসপাতলে নেয়ার সময় আমি সাথে ছিলাম ৷ তখন কোনো ধরনের সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি ৷ সব আমার চাচা আনাস সাহেবের বানোয়াট কাহিনী ৷
-(হুজুরের বড় নাতী মাওলানা আরশাদ)

আর আন্দোলনের দাবী আদায় হওয়ার পর হুজুরকে কষ্ট দেয়ার মতো জঘণ্য কাজ অন্তত আমাদের পক্ষে দূরতমভাবেও কল্পনা করা যায়না।
আন্দোলন চলাকালীন পুরোটা সময় হাজার হাজার ছাত্র স্বাক্ষী রয়েছে অতএব অতিভক্তি দেখিয়ে কতিপয় কুচক্রী যারা ফেতনা ছড়াতে চায় তাদেরকে চিনে রাখুন। এসবে না জড়িয়ে আল্লামা আহমদ শফী রহ. এর শেষ বিদায়কে সুন্দর ও সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে সবাই সহায়তা করুন।
এতো বড় মজমা আমাদের পক্ষে নিয়ন্ত্রন সম্ভব নয়। আজকের দিনে কেউ কোন উস্কানিমূলক শ্লোগান মাঠে দিবেননা দয়া করে।

𝑼𝒔𝒂𝒎𝒂 𝑴𝒖𝒉𝒂𝒎𝒎𝒂𝒅

Powered by Blogger.