মেয়েদের সহবাসে কিংবা সেক্সে রাজি করার কৌশল বা উপায় কি কি ?

মেয়েদের সহবাসে কিংবা সেক্সে রাজি করার কৌশল বা উপায় কি কি ? মেয়েদের সেক্স ছবি ও গল্প নাই। 

নারীর সাথে সঙ্গম করার কয়েকটা আলাদা আলাদা ধরনের টিপস পাবেন এই আর্টিকেলে। আপনি যখন আপনার স্ত্রীর সাথে সেক্স করতে চাচ্ছেন তখন একই স্ত্রী একই মানুষ হওয়া সত্ত্বেও সেই নারীর মুড একেক সময় একেক রকম হতে পারে। কখনো শুধু মাত্র একটু স্পর্শ করলেই সে উত্তেজিত হয়ে গিয়ে সেক্সে রাজি হতে পারে আবার কখনো একদম ধরাধরি করে করলেও দেখা যায় মেয়ে সহবাসে রাজি না। 
তাই একেক জনের একেক মুড/ সময়/ ধরনের উপর ভিত্তি করে আপনাকে বুঝতে হবে আপনার সঙ্গি কে কিভাবে রাজি করবেন। 

বিশেষ ঘোষণাঃ এই লেখা কোন গফ বফ বা পরকীয়া কিংবা কোন প্রকার হারাম কাজের জন্য না। বরং বৈধ স্ত্রীর সাথে তার সম্মতিতে কিভাবে সুন্দর মিলন করবেন তার জন্য। 
 
  1. সেক্সে রাজি করার উপায়
  2. মেয়েদের সেক্সে রাজি করার কৌশল
  3. কিভাবে মেয়েদের সঙ্গম করা যায় 
 


মেয়েদের সহবাসে রাজী করানোর কৌশল :

গলায় স্পর্শঃ মেয়েদের পুরা শরির ই স্পর্শকাতর। অল্প স্পর্শেই তাদের অনেক রিএকশন শুরু হয়। কিন্তু তাদের দেহের অন্যতম সেন্সিটিভ অংগ হলো তাদের গলা। আপনার স্ত্রীর গলায় হাতের উল্টা পাশ দিয়ে মৃদু স্পর্শ করুন। নরম নরম ভাবে গলাতে ঘাড়ে হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আদর করুন। আশা করা যায় সে রাজি হয়ে যাবে। 
চুমুঃ আপনাকে বলতে হবে না সহবাস করার জন্য, শুধু ঠিক ঠাক মত চুম্বন করতে পারলেই সে বুঝে যাবে এখন কি দরকার কি করতে চান। সেও ফিল করবে চাহিদা। 
তবে মনে রাখবেন মেয়েরা সব সময় সেক্স এর চিন্তা নিয়ে ঘুরে না। সময়, পরিস্থিতি বুঝে চলতে হয় তাদের তাই আপনি সময় বুঝে আমন্ত্রন জানান। 
কথাঃ আপনার বিশাল শক্তিশালী দেহে আছে, দেখতে অনেক সুন্দর এসব দিয়ে আপনি একটা মেয়ে কে যত টা কাছে আনতে পারবেন তার চেয়ে বেশি কাছে আনতে পারবেন কথার মাধ্যমে। আপনি আপনার স্ত্রীর কথা মন দিয়ে শুনুন। তাকে সাপোর্ট দিন গল্প করুন। আবেগ দিয়ে তার সাথে তার কথা শুনুন , নিজের কথা শেয়ার করুন। 

সহবাস যে দুজন মানুষের মধ্যে হচ্ছে উভয়েরই একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, আসক্তি ও সম্মতি থাকা দরকার। তাই পুরুষ সঙ্গীটির উচিত নিজেকে প্রিয় সঙ্গীনির কাছে এমন ভাবে হাজির করা যাতে মেয়েটি সহবাসে বা যৌনমিলনে সম্মতি না দিয়ে থাকতে পারবেই না। আসুন দেখে নেওয়া যাক মেয়েদের সহবাসে রাজী করানোর কৌশল:

আগ্রহ :

পুরুষরা সাধারণত সহবাসে বা যৌনমিলনে আগ্রহ দেখায়। মহিলারা ও সহবাসে বা যৌনমিলনে সমান অংশীদার। কিন্তু মহিলারা সেই আগ্রহটা সুপ্ত রাখে। তাই পুরুষ সঙ্গীটির উচিত সুপ্ত আগ্রহকে জাগিয়ে তুলে নিজ স্ত্রী কে সেক্সে রাজী করানো।

প্রতিশ্রুতি :

সাধারণত রতিক্রিয়ায় সম্পূর্ণ তৃপ্তি পেলে মহিলারা স্বর্গসুখ পায়। তাই পুরুষ যদি সম্পূর্ণ আনন্দ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় তাহলে মহিলারা সহবাসে সম্মতি দেয়।

ভরসা :

অনেক মহিলা সহবাস নামে আতঙ্কিত। তাই পুরুষ সঙ্গীর উচিত যৌনমিলন বা সহবাস সম্পর্কে ভয় কে কাটিয়ে উটতে হেল্প করা।

সুরক্ষা : 

সহবাসের ফলে সবচেয়ে বড়ো ঝুঁকি হল গর্ভধারণ করা। সেজন্য পুরুষের উচিত কন্ডোম ব্যবহার করে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি থেকে নারীকে মুক্ত রাখা । তবে ২ এর বেশি ন্য একটি হলে ভালো হয় এই নীতিতে চলার দরকার নেই। যেই পশ্চিমারা আমাদের এসব শেখায় তারা আসলে মুসলিমদের সংখ্যা কে ভয় পেয়েই এই পলিসি দিয়ে আমাদের কমাতে চাচ্ছে কেননা ওরা এখন এম্নিই সন্তান জন্ম দিতে কম পারছে সাথে ওদের বুড়া বুড়ির সংখ্যা বেশি!!
জাপানে রাশিয়ায় বিয়ের জন্য সন্তানের জন্য রীতিমত সরকার পুরস্কার দেওয়া শুরু করছে ওদের জনসংখ্যা বাড়াতে। আর আমাদের শেখায় কমাতে। একটু মাথা ইউজ করলেই ওদের পলিসি বুঝতে পারবেন।
প্রত্যেক মুসলিম পরিবারে অন্তত ৪ এর অধিক সন্তান থাকা দরকার।

নারীকে সেক্সে/ সহবাসে রাজি করানোর কৌশল 

১. সততা :

 কাউকে ভালোবাসলে পুরুষ-নারী উভয়ের একে অপরের প্রতি আকর্ষণ থেকে যৌনমিলনের চাহিদা আসতেই পারে ফলে পুরুষ সঙ্গী তার সঙ্গীনিকে সহবাসে রাজী করাতে পারে। 

২. বন্ধুত্ব পূর্ণ আচরণ :

মেয়ের সাথে মিলিত হতে চাইলে প্রথমে মেয়েটির সাথে বন্ধুর মত আচরণ করে একটা মানসিক যোগাযোগ গড়ে তুলুন। মেয়েটির পছন্দের মানুষ হয়ে উঠুন। তখন স্ত্রী এমনিই রাজি হয়ে নিজেই আসবে। 

৩. পছন্দের পুরুষ হয়ে উঠুন :

পছন্দের মানুষ হয়ে উঠলে তবেই ধীরে ধীরে মেয়েটির পছন্দের মানুষ হয়ে উঠতে পারবেন। মেয়েটির সাথে গল্প করুন, মেয়েটির পছন্দ অপছন্দ জানুন। একটু রোমান্টিক সময় কাটান। মেয়েদের কাছে সেক্স শুধুই দুই দেহের মিলন না, ওরা এরচেয়ে বেশি কিছু চাই!!!! 

৪. যৌন উত্তেজক কথা :

মেয়েটির পছন্দের মানুষ হয়ে ওঠার পর ধীরে ধীরে রাতে দুষ্টুমিভরা কথা বাড়িয়ে দিন । হুট হাট স্ত্রীকে চুম্বন করুন আর কোন কথা না বলেই দুষ্টু হাসি দিয়ে বাইরে বেরিয়ে যান!! 

৫. সঙ্গম কাল :

আপনার ডাকে সাড়া দিয়ে মেয়েটি সহবাসে রাজী হলে প্রথমেই তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বেন না। প্রথমে তাঁকে ধীর স্পর্শে আলতো চুমু দিন এবং উষ্ণ কথায় উত্তেজিত করে তুলুন তারপর যৌনমিলন করুন।
মেয়েদের সহবাসে রাজী করানোর কৌশল অবলম্বন করে সঙ্গমে যুক্ত করতে হলে অবশ্যই জানতে হবে মেয়েদের সেক্সে উত্তেজিত করার পদ্ধতি :
একজন পুরুষের উত্থিত লিঙ্গ নারীর যোনীর অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে সহবাস বা যৌনমিলন হয়। আর সহবাস তখনই সফল হবে পুরুষ যখন নারীকে উত্তেজিত করে সহবাসে বা যৌনমিলনে লিপ্ত করে। সহবাসের আগে পুরুষের অবশ্যই উচিত মেয়েদের উত্তেজিত করা তানাহলে মেয়েদের অতৃপ্তি থেকে যাবে।

মেয়েদের সেক্সে উত্তেজিত করার বেশ কিছু পদ্ধতি :

হর্নি করা :
নারীদের সেক্সে রেডি করা বা হর্নি করার জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হল স্পর্শ। ঠিকমতো স্পর্শ করতে পারলেই নারীদের উত্তেজিত ও কামুকি করে তোলা যায়।
সিঙার :
বেশিরভাগ নারী সরাসরি যৌনমিলনে না গিয়ে সিঙারে তৃপ্তি পায়। তাই ফোরপ্লেতে সময় দিন।
কল্পনা /ফ্যান্টাসি :
যৌনমিলন কাল বা অন্য সময় যৌনতা নিয়ে কল্পনা করে সঙ্গীর সাথে সুখকর যৌন আবেশে জড়িয়ে পড়তে পারেন।
সরাসরি মিলনে দেরী করা :
নারীরা যৌন উত্তেজক বিষয় বেশি কামনা করে। তাই নারীর কাম উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে, নারীর মুখ কপাল ও গালে ঘন ঘন চুমু খাওয়া ও ঘর্ষণ করা উচিত।
মিলনের পূর্বে নারীর স্তন ও ভগাঙ্কুর মর্দন তার কাম উত্তেজনা বাড়ায়। চুম্বন, আলিঙ্গন ছাড়া ও ধীরে ধীরে আঘাত, দংশন ও নিপীড়ন করলে নারী উত্তেজিত হয়ে পড়ে। উত্তেজিত হয়ে নারীরা ধীরে ধীরে পুরুষের কাছে সমর্পন করলে যৌনমিলন বা সহবাস করা উচিত।
ভাইব্রেট : কম্পন
নারীকে উত্তেজিত করতে ভাইব্রেট হিসাবে পুরুষ তার মধ্যমা অঙ্গুলি দিয়ে নারীর যোনীর ভিতরে জি স্পট(যৌনাঙ্গের কিছুটা ভিতরে অতি সংবেদনশীল অঞ্চল) এ কম্পন সৃষ্টি করলে নারীর কাম উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। তখন নারী যৌনমিলনে লিপ্ত হয়।
মেয়েদের সহবাসে তৃপ্তি লাভ :
মেয়েদের সহবাসে (সেক্সে) রাজী করানোর কৌশল প্রয়োগ করে সহবাসে বা যৌনমিলনে যুক্ত করলে মেয়েরা সঙ্গমে তৃপ্তি লাভ করে  

1. আপনার মেয়েকে একজন সত্য মহিলার মতো ব্যবহার করুন

যদি আপনি আপনার বু আপনার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে চান তবে আপনার উচিত তার সাথে সত্যিকারের মহিলার মতো আচরণ করা শুরু করা উচিত নয়, এমন একটি মেয়ের মতো নয় যার সাথে আপনি প্রেম করতে চান। এটি করার জন্য আপনাকে সত্যিকারের ভদ্রলোক হতে হবে, শিষ্টাচারী, সদয়, বোধগম্য এবং প্রশংসনীয় হতে হবে আপনার স্ত্রীর জন্য দরজা খুলতে ভুলবেন না, হিমশীতল হওয়ার সময় তাকে আপনার কোট দিন, তার জন্য চেয়ার টানুন।

২. তার প্রতি আসল আগ্রহ দেখান

আপনার স্ত্রীর সবচেয়ে বড় ভয় হতে পারে যে আপনি সত্যই তার অন্তঃস্থল সম্পর্কে চিন্তা করবেন না কারণ তিনি মনে করেন আপনি প্রধানত তার শরীরের প্রতি মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হন এজন্য আপনাকে অবশ্যই তাকে ভুল প্রমাণ করতে হবে। আপনার মেয়েটিকে তিনি একজন ব্যক্তিত্ব হিসাবে কারা আগ্রহী, আপনি তার আশা এবং স্বপ্ন ভাগ করে নিয়েছেন এবং কী কীভাবে তার টিক টিকতে পারে সে সম্পর্কে আপনার আগ্রহ দেখান।

৩. প্রস্তুত থাকুন

যদি আপনার পরিকল্পনা হয় তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা, বা এমনকি তার সাথে সহবাস করার সম্ভাবনা সম্পর্কে কথা বলা, তবে ডান মেজাজ আপনার ক্রাশটি আঘাত করলে আপনার অবশ্যই কয়েকটি কনডম নিয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকতে হবে। এর অর্থ এই নয় যে আপনি কন্ডোমের একটি প্যাক ফ্ল্যাশ করা উচিত যা তাকে অত্যন্ত অস্বস্তিকর বোধ করে, তবে এর অর্থ হ'ল ঘটনাগুলি যদি সত্যিই অনুকূল দিক থেকে যায় তবে আপনাকে নিজেকে ব্যাকআপ দেওয়া দরকার।

প্রথমবার সেক্স করার জন্য কাউকে কীভাবে বোঝানো যায়। সঠিক বায়ুমণ্ডল সেট করুন

আপনি যদি চান যে আপনার প্রিয় বান্ধবীর সাথে আপনার যৌন সম্পর্ক রয়েছে, তবে আপনাকে রোমান্টিক মেজাজও সেট করতে হবে। দু'জনের জন্য আপনার নিখুঁত সন্ধ্যা শুরু করুন কিছুটা রোমান্টিক কাজ করে মেয়েটিকে নরম করার জন্য। এর পরে, রেডিওতে সূক্ষ্ম লাল ওয়াইন, আঙ্গুর, একটি বাক্স চকোলেট এবং কিছু হালকা রোমান্টিক সংগীত কপি করার বিষয়ে নিশ্চিত হন। পুরোপুরি রোমান্টিক মানসিকতায় তাকে পেতে মোমবাতিগুলি আলোকিত করুন।

৫. তাকে চুমুতে এগিয়ে যান

আপনি যদি জানতে চান যে কীভাবে আপনার গার্লফ্রেন্ডকে সেক্স করার জন্য বোঝানো যায় তবে আপনাকে মাস্টার কিসর হতে শিখতে হবে। এমনকি যদি আপনি ইতিমধ্যে বেশ অভিজ্ঞ চুম্বনকারী হন, তবুও আপনার চুম্বন সবসময় সতেজ থাকার জন্য আপনার মেয়েকে বিভিন্ন নতুন উপায়ে চুম্বন শিখানো উচিত। আপনি ঠোঁট লক করার পরে মেয়েটিকে অভিভূত করবেন না এবং তাকে আটকান না। আপনার ঠোঁটকে চারণ করা এবং তার ঘাড়ে স্পর্শ করা বা তার মুখটি স্ট্রোক করা, আপনি এটিকে সত্যই ধীর করে নিবেন।

৬। এটিকে খুব কঠিন খেলবেন না

আপনি যদি আপনার মহিলাকে আপনার কামনা করতে চান, তবে আপনার উচিত যৌন জন্তুটির মতো আচরণ করা, দ্রুত চলন্ত, তার কাপড় ছিঁড়ে ফেলা এবং বিছানায় দেওয়া পরিবর্তে, আপনার কয়েক সেকেন্ডের জন্য আপনার মেয়েকে চুম্বন করা উচিত, পিছনে টানুন এবং তার সাথে কথা বলুন। এই পদক্ষেপগুলি কয়েকবার পুনরাবৃত্তি করুন এবং তার একেবারে বন্য হয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করুন।

7. তার ইচ্ছাকে সম্মান করুন

প্রক্রিয়া চলাকালীন আপনাকে যদি থামার জন্য জিজ্ঞাসা করে তিনি হঠাৎ করে তার মনকে হ্যাঁ থেকে না থেকে পরিবর্তিত করার সিদ্ধান্ত নিতে চান, তিনি তত্ক্ষণাত জিজ্ঞাসা করুন। আপনার মেয়েটি আসলে কী চায় এবং কী জন্য এখনও প্রস্তুত নয় তা খুঁজে পাওয়ার জন্য আগেই শিথিল আলোচনার জন্য কার্যকর হতে পারে। অতিরিক্ত মনোযোগ দিন এবং কখনও আপনার গার্লফ্রেন্ডকে এমন কিছু করতে দেবেন না যা তিনি পুরোপুরি আরামদায়ক নন।

৮. সময় হ'ল সবকিছু

আরও কি, তিনি যখন বিরোধিতা করেন তখন জেদ এড়ান। আগামীকাল সর্বদা অন্য চেষ্টা করার জন্য হবে। অনুভূতিগুলি নকল করা যায় না কারণ সেগুলি আমাদের মনের একটি ক্রিয়াকলাপ। এ কারণেই সুন্দর সময় আপনার চূড়ান্তভাবে মেয়েটিকে শান্ত করে তুলবে। আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে তিনি যখন এটি একটি নিখুঁত সময় হিসাবে বিবেচনা করবেন তখন তিনি অবশ্যই আসবেন।
Powered by Blogger.