একটা সমাজ ধ্বংসের জন্য তিনটাি পাপ । সুদ,ঘুষ , ব্যভিচার আমাদের সমাজে মহামারীর রুপ নিয়েছে

একটা সমাজ ধ্বংসের জন্য তিনটাি  পাপ । সুদ,ঘুষ,ব্যভিচার আমাদের সমাজ ধ্বংসের অন্যতম কারন। 


• সুদ হয়ে গেছে— interest/profit.
• ঘুষ হয়ে গেছে—বকশিশ/speed money.
• ব্যভিচার হয়ে গেছে— mutual sex.
.
একটা সমাজ ধ্বংসের জন্য এই তিনটাি অপরাধই যথেষ্ট। এই সবগুলোকে আমরা নিজেদের মত করে বৈধ করে নিচ্ছি—বিভিন্ন কিউট কিউট নাম দিয়ে!
.
খুব সাবধান! কুরআন ও সুন্নাহর অকাট্য দলিল দ্বারা প্রমাণিত কোনো হারামকে কেউ হালাল মনে করলে বা হালাল ঘোষণা করলে, সে মুসলিম উম্মাহর সর্বসম্মত মতে কাফির হয়ে যাবে; চাই সেই হারামে সে জড়িত থাকুক বা না থাকুক। 
.
কিন্তু, কেউ যদি শয়তানের খপ্পড়ে পড়ে এবং প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণে হারাম কাজ করে (এবং সে এটিকে হারামই মনে করে) তবে, সে নিঃসন্দেহে গুনাহগার হলেও কাফির হবে না। সুতরাং, নিজের ঈমান-আকিদাকে নিরাপদ রাখুন।
.
মুফতি তারেকুজ্জামান (হাফিযাহুল্লাহ্) লিখেন, শরিয়তের হারামকে হারাম জানা আর হালালকে হালাল জানা ঈমানের অন্যতম শর্ত। অতএব, কেউ যদি দ্বীনের প্রমাণিত কোনো হারামকে হালাল দাবি করে বা অন্তরে হালাল মনে করে কিংবা প্রমাণিত কোনো হালালকে হারাম দাবি করে বা অন্তরে হারাম বলে বিশ্বাস করে, তাহলে তার ঈমান চলে যাবে।
.
আল্লাহ তাআলা বলেন,
.
قَاتِلُوا الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَلَا بِالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلَا يُحَرِّمُونَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَلَا يَدِينُونَ دِينَ الْحَقِّ مِنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ حَتَّى يُعْطُوا الْجِزْيَةَ عَنْ يَدٍ وَهُمْ صَاغِرُونَ
.
‘তোমরা যুদ্ধ করো আহলে কিতাবের ওই লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও হাশর দিবসের প্রতি ইমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম; (তাদের সাথে ততক্ষণ যুদ্ধ করো) যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিজিয়া প্রদান করে।’ [সুরা আত-তাওবা: ২৯]
.
ইমাম ইবনু আব্দিল বার (রাহ.) বর্ণনা করেন, ‘আদি বিন হাতিম (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (খ্রিষ্টান থাকাকালে) গলায় ক্রুশ ঝুলানো অবস্থায় আমি একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আসলাম। তখন তিনি বললেন, ‘‘হে হাতিমপুত্র আদি! তোমার গলা থেকে এ মূর্তি ফেলে দাও।’’ তিনি সূরা তাওবাহ তিলাওয়াতকালীন আমি তাঁর নিকট পৌঁছুলাম। তিনি সূরা তাওবাহ তিলাওয়াত করতে করতে যখন এ আয়াত اتَّخَذُوا أَحْبَارَهُمْ وَرُهْبَانَهُمْ أَرْبَابًا مِنْ دُونِ اللَّهِ 
[‘তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে তাদের পণ্ডিত ও সংসারবিরাগীদেরকে তাদের প্রভুরূপে গ্রহণ করেছে।’ সুরা তাওবা : ৩১] পর্যন্ত পৌঁছুলেন, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা তো তাদের প্রভুরূপে গ্রহণ করিনি! তিনি বললেন, ‘‘হ্যাঁ করেছ। তোমাদের জন্য যা হারাম করা হয়েছিল, তারা কি তা হালাল করেনি, যদ্দরুন তোমরাও তা হালাল বলে গ্রহণ করেছো? আর তোমাদের জন্য যা হালাল করা হয়েছিল, তারা কি তা হারাম করেনি, যদ্দরুন তোমরাও তা হারাম বলে গ্রহণ করেছো?’’ আমি বললাম, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, এটাই ছিল তাদের ইবাদত ও উপাসনা।’ [(মূল হাদিস: তিরমিযি, নং: ৩০৯৫, সনদ হাসান) জামি‘উ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদ্বলিহি: ২/৯৭৫, হা. নং ১৮৬২, প্রকাশনী: দারু ইবনিল জাওযি, সৌদি আরব]
.
সুতরাং সুদ, ঘুষ, ব্যভিচার এবং অন্যান্য হারামগুলোকে যে নামেই ডাকা হোক, তা হারামই থাকবে। কারণ, এই হারাম মানুষ ঘোষণা করেনি, স্বয়ং আল্লাহ্ এগুলোকে হারাম ঘোষণা করেছেন। এগুলোকে হারাম মনে করা ঈমানের শর্ত এবং এসব হারামকে হালাল মনে করা কুফরি।
.
#Tasbeeh
একটা সমাজ ধ্বংসের জন্য তিনটাি পাপ । সুদ,ঘুষ , ব্যভিচার আমাদের সমাজে মহামারীর রুপ নিয়েছে একটা সমাজ ধ্বংসের জন্য তিনটাি  পাপ । সুদ,ঘুষ  , ব্যভিচার আমাদের সমাজে মহামারীর রুপ নিয়েছে Reviewed by Dr.Mira Hasan on May 21, 2020 Rating: 5
Powered by Blogger.