কুরআনকে সহজ করার মানেটা কী আসলে? | অবশ্যই আমি আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছি সেই লোকদের জন্য যারা দৃঢ় বিশ্বাস রাখে। আল-বাকারাহ

কুরআনকে সহজ করার মানেটা কী আসলে |  বাংলায় কোরআন বুঝতে আলেমদের সাহায্য নেওয়ার গুরুত্ব 


কুরআনকে সহজ করার মানেটা কী আসলে?


বর্তমানে কুরআন তিলাওয়াতকারী এবং অধ্যয়নকারী দু'দলের সংখ্যাই বেড়েছে আলহামদুলিল্লাহ! এটা উম্মাহর জন্যে সুখের খবর! আগামীর পৃথিবী যে ইসলামের হতে যাচ্ছে সেটারই সুখবার্তা।
তো, এখানে আমি তিলাওয়াতকারী বলতে শুধুমাত্র যারা আরবীটা পড়ছেন তাদেরকে বুঝাচ্ছি আর অধ্যয়নকারী বলতে যারা আরবীর সাথে কুরআনের অনুবাদসহ পড়ছেন তাদেরকে বুঝাচ্ছি।
তিলাওয়াত যেমন সওয়াবের কাজ, তেমনি অর্থসহ বুঝে পড়াটাও সওয়াবের কাজ। অর্থ ছাড়া না বুঝে শুধুমাত্র তিলাওয়াত করে পড়লে সওয়াব হবেনা এরকমটা ভাবার কোনো সুযোগ নেই, যদিও বর্তমানে একটি গোষ্ঠী এমন ভুল ধারণা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন যে, কুরআন না বুঝে পড়ার মাঝে কোনো ফায়দা নেই। নাউযুবিল্লাহ!
যারা বলছেন যে, কুরআনের অর্থ না বুঝে তিলাওয়াতের মাঝে কোনো ফায়দা নেই তারা এটাও বলছেন যে, কুরআনকে মানবজাতির জন্য সংবিধান করে পাঠানো হয়েছে এবং এইজন্যে আল্লাহ এটাকে সহজ করেই নাযিল করেছেন যাতে সকলে সেটা অধ্যয়ন করে বুঝতে পারে এবং নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারে।
এখানে নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করার অর্থ দুটো হতে পারে: ১. কুরআনে প্রদত্ত উপদেশগুলো নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করা। ২. কুরআনের বিধানাবলী নিজে নিজে বুঝে সমাজে বাস্তবায়ন করা।
এখন কেউ যদি একলা কুরআন পড়ে প্রথম শিক্ষাটা গ্রহণ করে তাহলে ঠিকাছে। কিন্তু যদি কেউ দ্বিতীয়টা করতে চায় কোনো উস্তাদের সান্নিধ্য ছাড়াই, তাহলে তার মাঝে কুরআনের বিধান ভুল বুঝার এবং ভুল বাস্তবায়ন করার সম্ভাবনা দেখা দিবে। যা খুবই বিপজ্জনক।
কারণ কুরআনকে নিজে নিজে পড়ে, বুঝে বিধি-বিধান বাস্তবায়নের জন্য সহজ করা হয়নি। যেজন্য সহজ করা হয়েছে সেটা আল্লাহ নিজেই সূরা ক্বমারে বলছেন-
ولقد يسرنا القران للذكرفهل من مدكر.
অর্থাৎ, আমি কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
আয়াতের ذكر শব্দে নজর দিলেই বিষয়টা ক্লিয়ার হবে। এর অর্থ 'উপদেশ' নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ذكر (জিকর) শব্দের আরো অর্থ আছে, যেমন-
১. স্মরণ করা
২. স্মৃতিতে রাখা তথা হিফজ করা
৩. আলোচনা করা
সুতরাং, আয়াতে উল্লেখিত ذكر শব্দটিকে উল্লেখিত প্রতিটি অর্থেই নেওয়া যায় এবং কুরআনকে সেই প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্যই সহজ করা হয়েছে। আর এজন্যই কোটি কোটি কচি বুকে কুরআন হিফজ করে স্মৃতিতে ধরে রাখা সহজ হয়েছে। এটা আল্লাহপ্রদত্ত সহজীকরণ- যা তাঁর পক্ষ থেকে তাঁর বান্দাদের জন্য রহমতস্বরূপ।
একইভাবে কুরআনকে আলোচনার জন্যও সহজ করা হয়েছে। যাতে তাঁর বান্দারা কুরআন পড়ে পড়ে তার আদেশ, উপদেশ, ভীতিপ্রদর্শনমূলক বাণীসহ সমস্ত নেয়ামতসমূহকে আলোচনার বিষয়বস্তু বানায়।
এখন যারা নিজে নিজে কুরআন বুঝে জীবনে প্রয়োগ করার কথা বলছেন, তারা উল্লেখিত আয়াত দিয়েই দলিল দিয়ে থাকেন। অথচ আয়াতের মর্ম সেটা নয় যেটা তারা নিজেরা বুঝে বুঝে উদ্ধার করেছেন। এবং যেহেতু তারা নিজেরাই কুরআন বুঝে ফেলতে পারেন বলে মনে করে থাকেন, সেজন্য তাদের অনেকেই ফকীহ-মুজতাহিদদেরকেও অস্বীকার করে বসেন কিংবা অদরকারি মনে করে থাকেন। মাঝে মাঝে তাদের এই মুজতাহিদ অস্বীকৃতি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে পরিণত হয়।
অথচ ফকীহ-মুজতাহিদদের কাজটা সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং জটিল। কুরআন থেকে গবেষণা করে বিধানাবলী উদঘাটন করা তাদের কাজ। এটা এতোটাই সহজ নয় যতটা উস্তাদবিহীন কুরআন অধ্যয়নকারীরা ভাবছেন। আফসোস হলো, কুরআন সহজীকরণের এই অর্থ নেওয়াটা তাদের ভ্রান্ত হওয়ার জন্য যথেষ্ট। কারণ, কুরআনের ফিকহী অংশ নিয়ে ইজতেহাদ ও গবেষণা করা এবং উপদেশসম্বলিত অংশ থেকে উপদেশ ও নসিহত গ্রহণ করা দুটো ভিন্ন ব্যাপার। দুটোকে একসাথে গুলিয়ে ফেলার কোনো সুযোগ নেই।
আমরা সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুমের দিকে তাকালেই সহজে বুঝতে পারি। তাদের মধ্যে হাজার হাজার কুরআনের হাফেজ ছিলেন, লাখ লাখ পাঠক ছিলেন, কিন্তু ফকীহ মুজতাহিদ ছিলেন খুবই অল্প। হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর মত সাহাবীও রঈসুল মুফাসসিরিন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর শরণাপন্ন হতেন কুরআনের ব্যাখ্যা জানতে!
আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু মুজতাহিদ সাহাবীদের একজন। তিনি বলেছিলেন, "সূরা বাকারা শেষ করতে আমার ১০ বছর লেগেছে।" আর সূরা বাকারা প্রচুর বিধি-বিধান সম্বলিত একটি সূরা। সুতরাং এতেই বুঝা যাচ্ছে, কুরআন আসলে কোনো দিক দিয়ে সহজ এবং কোনো দিক দিয়ে সহজ না।
এটাতো একজন সাহাবীর দৃষ্টান্ত মাত্র। এমনকি তাবেয়ীন, তাবে তাবেয়ীনদের যুগ এবং সালাফদের যুগের কুরআনচর্চাও এই নীতিতেই ছিলো। তারা সবাই কুরআন পাঠ করলেও মানবজীবনের সাংবিধানিক ব্যাপারগুলোর জন্য ফকীহ-মুজতাহিদদের দরসে বসতেন এবং সঠিক মর্ম ও দিক-নির্দেশনা বুঝে নিতেন।
সূরা ক্বমারের উল্লেখিত আয়াত ছাড়াও কুরআনের আরো বহু জায়গায় আমভাবে কুরআনকে সহজ করার অর্থ দ্বারা উপদেশ গ্রহণ ও আল্লাহভীতি অর্জনকেই বুঝানো হয়েছে, যেমন- সূরা ত্বহা, সূরা ইয়াসিন, সূরা যুখরূফ, সূরা দুখান, সূরা শূরা ইত্যাদি সূরাসমূহে সুন্দরভাবে একটু একটু করে বলা হয়েছে, যেগুলো সূরা ক্বমারের আয়াতটিকে জোরালোভাবে সমর্থন করে।
তো জেনারেল লাইনে পড়ুয়া কিছু মানুষ যারা নিজেরা কুরআন অধ্যয়ন করছেন, তারা দয়া করে কুরআনকে আমভাবে সহজীকরণের অর্থটা নেবেননা। এমনটা বলা মোটেও সঠিক নয় যে, কুরআন তো নিজে নিজেই পড়ে অর্থ বুঝা যায়, উস্তাদের আর প্রয়োজন কী?
আপনাদের এই চিন্তা আপনাদেরকে খুব সহজেই সিরাতুল মুসতাক্বিমের পথ থেকে বিভ্রান্তির পথে নিয়ে যেতে পারে। বরং আয়াতের উদ্দিষ্ট অর্থটা গ্রহণ করুন- যেই অর্থটি স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা আয়াতটি দিয়ে বুঝিয়েছেন কুরআনের শানে।
আয়াতটি বুঝাচ্ছে যে, কুরআনকে উপদেশ গ্রহণ ও হিফজের জন্য সহজ করে নাজিল করা হয়েছে। শরীয়াহ উদঘাটনের জন্য সহজ করা হয়নি এবং কুরআনের শায়খ ছাড়া সাধারণ কারো পক্ষে নিজেই কুরআন বুঝে শরিয়াহ বাস্তবায়নের জন্যও সহজ করা হয়নি।
পরিশেষে জেনারেল শিক্ষিতদের প্রতি আমার আবেদন হলো, ব্যক্তিগতভাবে কুরআন থেকে উপদেশ ও শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য নিজে নিজে তিলাওয়াতের পাশাপাশি অনুবাদ পড়ুন। আল্লাহর সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য অবশ্যই এটি অতি উত্তম কাজ ও পন্থা।
তবে কুরআনকে মানবজীবনের সংবিধান হিসেবে বুঝার জন্য কুরআনের শায়খ, ফক্বীহ ও মুজতাহিদদের সান্নিধ্যেই অধ্যয়ন করুন। সেই সান্নিধ্য হতে পারে সরাসরি দরস গ্রহণ করে, অথবা দূর থেকে লেকচার শুনে বা কিতাবাদি পাঠ করে। ওয়াল্লাহি, এটাই আপনাদের জন্য কল্যাণ। কুরআনকে সহজীকরণের প্রকৃত অর্থ অনুধাবন করার চেষ্টা করুন। আল্লাহু আ'লাম।
-Munira Rahman Tashfi





কুরআনকে আল্লাহ সহজভাবে বর্ণনা করেছেন

আল্লাহ মানুষ সৃষ্টি করে মানব জাতিকে সঠিক পথ প্রদর্শনের জন্যে যুগে যুগে অসংখ্য নবী ও রাসূল প্রেরণ করেছেন। আদম আলাইহিস সালাম সর্বপ্রথম নবী আর মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ নবী ও রাসূল। আমাদের রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি সর্বশেষ আসমানী গ্রন্থ হিসেবে অবতীর্ণ করেছেন আল-কুরআন। অনেকেই বলে থাকেন- কুরআন সহজ নয়, তা অস্পষ্ট, সকল সমস্যার সমাধান তাতে নেই। মানুষের জীবনের সকল সমস্যার সমাধানের জন্য কুরআন ও সহীহ হাদীস যথেষ্ট নয় তাই নাকি মাযহাব, ইজমা ও কিয়াস ইত্যাদি প্রয়োজন। আসুন দেখি কুরআন কী বলে?
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ
আর অবশ্যই আমি কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য, তাই উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি? আল-কামার, ৫৪/১৭, ৫৪/২২, ৫৪/৩২, ৫৪/৪০

فَإِنَّمَا يَسَّرْنَاهُ بِلِسَانِكَ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ
(হে নবী) আসলে আমি তোমার ভাষায় একে (কুরআনকে) সহজ করে দিয়েছি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। আদ্-দুখান, ৪৪/৫৮

فَإِنَّمَا يَسَّرْنَاهُ بِلِسَانِكَ لِتُبَشِّرَ بِهِ الْمُتَّقِينَ وَتُنْذِرَ بِهِ قَوْمًا لُدًّا
(হে নবী) আসলে আমি তোমার ভাষায় একে (কুরআনকে) সহজ করে দিয়েছি, যেন তুমি এর দ্বারা মুত্তাকীদেরকে সুসংবাদ দিতে পার আর এর দ্বারা বিবাদকারী ঝগড়াটে লোকদেরকে সতর্ক করতে পার। মারইয়াম, ১৯/৯৭

=== বিষয়ঃ কুরআনকে আল্লাহ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন ===
وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ
সুস্পষ্ট কিতাবের শপথ! আয্-যুখরুফ, ৪৩/২, ৪৪/২

الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ
আলিফ-লাম-রা। এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত। ইউসুফ, ১২/১

تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ
এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত। আশ্-শু‘আরা, ২৬/২, ২৮/২

بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُبِينٍ وَإِنَّهُ لَفِي زُبُرِ الأوَّلِينَ
সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়। আর নিশ্চয়ই তা রয়েছে পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে। আশ্-শু‘আরা, ২৬/১৯৫-১৯৬

كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الآيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ
এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা চিন্তা-ভাবনা কর। আল-বাকারাহ, ২/২১৯, ২/২৬৬

كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ آيَاتِهِ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ
এভাবেই আল্লাহ তাঁর আয়াতসমূহ মানুষের জন্য স্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তারা তাকওয়া অবলম্বন করে। আল-বাকারাহ, ২/১৮৭

كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ آيَاتِهِ لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ
এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা সঠিক পথ প্রাপ্ত হও। আলে‘ইমরান, ৩/১০৩

كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ آيَاتِهِ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা শোকর আদায় কর। আল-মায়িদাহ, ৫/৮৯

كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الآيَاتِ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করছেন এবং আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। আন-নূর, ২৪/৫৮

كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ آيَاتِهِ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর আয়াত স্পষ্টভাবে বর্ণনা করছেন এবং আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। আন-নূর, ২৪/৫৯

وَيُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الآيَاتِ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
আর আল্লাহ তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করছেন এবং আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। আন-নূর, ২৪/১৮

وَيُبَيِّنُ آيَاتِهِ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ
আর মানুষের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। আল-বাকারাহ, ২/২২১

قَدْ بَيَّنَّا الآيَاتِ لِقَوْمٍ يُوقِنُونَ
অবশ্যই আমি আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছি সেই লোকদের জন্য যারা দৃঢ় বিশ্বাস রাখে। আল-বাকারাহ, ২/১১৮

قَدْ جَاءَكُمْ مِنَ اللَّهِ نُورٌ وَكِتَابٌ مُبِينٌ
নিশ্চয়ই তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ হতে একটি উজ্জ্বল নূর (জ্যোতি) ও একটি স্পষ্ট কিতাব এসেছে। আল-মায়িদাহ, ৫/১৫

هَذَا بَيَانٌ لِلنَّاسِ وَهُدًى وَمَوْعِظَةٌ لِلْمُتَّقِينَ
এটি হচ্ছে মানুষের জন্য সুস্পষ্ট বর্ণনা এবং মুত্তাকীদের জন্য হেদায়াত ও উপদেশ। আলে‘ইমরান, ৩/১৩৮

وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ
আর এগুলো আল্লাহর সীমারেখা, জ্ঞানী লোকদের জন্য তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল-বাকারাহ, ২/২৩০

يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ أَنْ تَضِلُّوا وَاللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ
আল্লাহ তোমাদের জন্য স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা পথভ্রষ্ট না হও এবং আল্লাহ প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে সর্বজ্ঞ। আন-নিসা, ৪/১৭৬

فَإِنْ زَلَلْتُمْ مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَتْكُمُ الْبَيِّنَاتُ فَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌ
অতএব তোমাদের নিকট স্পষ্ট দলীল প্রমাণাদি পৌঁছার পরেও যদি তোমাদের পদস্খলন ঘটে তাহলে জেনে রেখ, আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। আল-বাকারাহ, ২/২০৯

إِنَّ الَّذِينَ يَكْتُمُونَ مَا أَنْزَلْنَا مِنَ الْبَيِّنَاتِ وَالْهُدَى مِنْ بَعْدِ مَا بَيَّنَّاهُ لِلنَّاسِ فِي الْكِتَابِ أُولَئِكَ يَلْعَنُهُمُ اللَّهُ وَيَلْعَنُهُمُ اللاعِنُونَ
নিশ্চয়ই আমি যা অবতীর্ণ করেছি, দলিল-প্রমাণাদি এবং হিদায়াত, মানুষের জন্য কিতাবের মধ্যে তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করার পরেও যারা তা গোপন করে, তাদেরকেই আল্লাহ অভিসম্পাত করেন এবং অভিসম্পাতকারীরাও তাদেরকে অভিসম্পাত করে থাকে। আল-বাকারাহ, ২/১৫৯

=== বিষয়ঃ কুরআনকে আল্লাহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন যেন আমরা তা বুঝতে পারি ===
إِنَّا جَعَلْنَاهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
নিশ্চয় আমি এই কুরআনকে আরবী ভাষায় বানিয়েছি যাতে তোমরা বুঝতে পার। আয্-যুখরুফ, ৪৩/৩

إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ نَحْنُ نَقُصُّ عَلَيْكَ أَحْسَنَ الْقَصَصِ بِمَا أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ هَذَا الْقُرْآنَ
নিশ্চয়ই আমি এই কুরআনকে আরবী ভাষায় অবতীর্ণ করেছি যাতে তোমরা বুঝতে পার। আমি তোমার নিকট উত্তম কাহিনী বর্ণনা করছি, এই কুরআন আমার (আল্লাহর) ওয়াহী হিসেবে তোমার কাছে প্রেরণ করার মাধ্যমে। ইউসুফ, ১২/২-৩

كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الآيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করছেন যাতে তোমরা বুঝতে পার। আন-নূর, ২৪/৬১

كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ آيَاتِهِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা বুঝতে পার। আল-বাকারাহ, ২/২৪২

قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الآيَاتِ إِنْ كُنْتُمْ تَعْقِلُونَ
অবশ্যই আমি তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছি যাতে তোমরা বুঝতে পার। আলে‘ইমরান, ৩/১১৮

اعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ يُحْيِي الأرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الآيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
তোমরা জেনে রাখ, নিশ্চয় আল্লাহ জমিনকে তার মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন, অবশ্যই আমি আয়াতসমূহ তোমাদের জন্য স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছি, যাতে তোমরা বুঝতে পার। আল-হাদীদ, ৫৭/১৭

لَقَدْ أَنْزَلْنَا إِلَيْكُمْ كِتَابًا فِيهِ ذِكْرُكُمْ أَفَلا تَعْقِلُونَ
অবশ্যই আমি তোমাদের প্রতি এক কিতাব অবতীর্ণ করেছি, এর মধ্যে তোমাদের জন্য উপদেশ রয়েছে, তবুও কি তোমরা বুঝবে না? আল-আম্বিয়া, ২১/১০

=== বিষয়ঃ কুরআনের মধ্যে আল্লাহ সকল বিষয়ে বর্ণনা করেছেন ===
الر كِتَابٌ أُحْكِمَتْ آيَاتُهُ ثُمَّ فُصِّلَتْ مِنْ لَدُنْ حَكِيمٍ خَبِيرٍ
আলিফ-লাম-রা-, এই কিতাব যার আয়াতসমূহ সুপ্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে, এরপর প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ সত্তার পক্ষ থেকে সবিস্তারে বর্ণনা করা হয়েছে। হুদ, ১১/১

مَا فَرَّطْنَا فِي الْكِتَابِ مِنْ شَيْءٍ
কিতাবের মধ্যে কোন কিছুই আমি বাদ রাখিনি। আল-আন‘আম, ৬/৩৮

وَلا يَأْتُونَكَ بِمَثَلٍ إِلا جِئْنَاكَ بِالْحَقِّ وَأَحْسَنَ تَفْسِيرًا
আর তারা তোমার নিকট যে কোন বিষয়ই নিয়ে আসুক না কেন, আমি এর সঠিক ও সুন্দর ব্যাখ্যা তোমাকে প্রদান করেছি। আল-ফুরক্বান, ২৫/৩৩

وَنَزَّلْنَا عَلَيْكَ الْكِتَابَ تِبْيَانًا لِكُلِّ شَيْءٍ وَهُدًى وَرَحْمَةً وَبُشْرَى لِلْمُسْلِمِينَ
আর আমি আপনার প্রতি এই কিতাব অবতীর্ণ করেছি প্রত্যেকটি বিষয়ের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা, আত্মসমর্পণকারীদের জন্য হেদায়াত ও রহমত আর সুসংবাদ। আন্‌-নাহ্‌ল, ১৬/৮৯

وَلَقَدْ ضَرَبْنَا لِلنَّاسِ فِي هَذَا الْقُرْآنِ مِنْ كُلِّ مَثَلٍ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ قُرْآنًا عَرَبِيًّا غَيْرَ ذِي عِوَجٍ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ
আর অবশ্যই এ কুরআনে মানুষের জন্যে সকল প্রকার দৃষ্টান্ত আমি বর্ণনা করেছি যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। আরবী ভাষায় কুরআন এতে কোন বক্রতা নেই, যাতে তারা তাকওয়া অবলম্বন করে। আয-যুমার, ৩৯/২৭-২৮

وَكَذَلِكَ أَنْزَلْنَاهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا وَصَرَّفْنَا فِيهِ مِنَ الْوَعِيدِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ أَوْ يُحْدِثُ لَهُمْ ذِكْرًا
আর এভাবেই আমি আরবী ভাষায় কুরআন অবতীর্ণ করেছি এবং তাতে বিশদভাবে সতর্কবাণী বর্ণনা করেছি যাতে তারা তাকওয়া অবলম্বন করে অথবা তা তাদের জন্য উপদেশ। ত্ব-হা, ২০/১১৩

وَلَقَدْ صَرَّفْنَا فِي هَذَا الْقُرْآنِ لِيَذَّكَّرُوا وَمَا يَزِيدُهُمْ إِلا نُفُورًا
আর অবশ্যই আমি কুরআনে বিশদভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছি যেন তারা উপদেশ গ্রহণ করে; কিন্তু তা কেবল তাদের বিমুখতাই বৃদ্ধি করে। আল-ইস্‌রা, ১৭/৪১

وَلَقَدْ صَرَّفْنَا لِلنَّاسِ فِي هَذَا الْقُرْآنِ مِنْ كُلِّ مَثَلٍ فَأَبَى أَكْثَرُ النَّاسِ إِلا كُفُورًا
আর অবশ্যই মানুষের জন্য এ কুরআনে আমি যাবতীয় দৃষ্টান্ত বিশদভাবে বর্ণনা করেছি; তবুও অধিকাংশ মানুষ কেবল তা প্রত্যাখ্যান করেছে। আল-ইস্‌রা, ১৭/৮৯

وَلَقَدْ صَرَّفْنَا فِي هَذَا الْقُرْآنِ لِلنَّاسِ مِنْ كُلِّ مَثَلٍ وَكَانَ الإنْسَانُ أَكْثَرَ شَيْءٍ جَدَلا
আর অবশ্যই আমি এই কুরআনে মানুষের জন্য যাবতীয় দৃষ্টান্ত বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছি আর অধিকাংশ মানুষ এ ব্যাপারে ঝগড়াটে। আল-কাহ্‌ফ, ১৮/৫৪

وَلَقَدْ ضَرَبْنَا لِلنَّاسِ فِي هَذَا الْقُرْآنِ مِنْ كُلِّ مَثَلٍ وَلَئِنْ جِئْتَهُمْ بِآيَةٍ لَيَقُولَنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا إِنْ أَنْتُمْ إِلا مُبْطِلُونَ
আর অবশ্যই এ কুরআনের মধ্যে মানুষের জন্য যাবতীয় দৃষ্টান্ত আমি বর্ণনা করেছি আর যদি তাদের নিকট কোন আয়াত (নিদর্শন) নিয়ে আপনি উপস্থিত হন যারা অস্বীকারকারী তারা অবশ্যই বলবে ‘তোমরা তো বাতিলপন্থী (মিথ্যাশ্রয়ী) ছাড়া কিছু নয়’। আর-রূম, ৩০/৫৮

وَمَا كَانَ هَذَا الْقُرْآنُ أَنْ يُفْتَرَى مِنْ دُونِ اللَّهِ وَلَكِنْ تَصْدِيقَ الَّذِي بَيْنَ يَدَيْهِ وَتَفْصِيلَ الْكِتَابِ لا رَيْبَ فِيهِ مِنْ رَبِّ الْعَالَمِينَ
আর এমন সম্ভব নয় যে এ কুরআন আল্লাহ ছাড়া কেউ তা রচনা করতে পারবে; বরং এটি এর পূর্বে যা অবতীর্ণ হয়েছে, তার সত্যায়নকারী এবং কিতাবের বিস্তারিত ব্যাখ্যা, এতে কোন সন্দেহ নেই, এটি সৃষ্টিকুলের রবের পক্ষ থেকে। ইউনুস, ১০/৩৭

كَذَلِكَ نُفَصِّلُ الآيَاتِ لِقَوْمٍ يَعْقِلُونَ
এইভাবেই বোধশক্তিসম্পন্ন লোকদের জন্য আমার আয়াতসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছি। আর-রূম, ৩০/২৮

كَذَلِكَ نُفَصِّلُ الآيَاتِ لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ
এভাবেই চিন্তাশীল লোকদের জন্য আমার আয়াতসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছি। ইউনুস, ১০/২৪

كِتَابٌ فُصِّلَتْ آيَاتُهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ
এটা এক কিতাব আরবী কুরআনরূপে তার আয়াতসমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, জ্ঞানী লোকদের জন্য। ফুসসিলাত, ৪১/৩

=== বিষয়ঃ কুরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করতে হবে ===
أَفَلا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ أَمْ عَلَى قُلُوبٍ أَقْفَالُهَا
তবে কি তারা কুরআন নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা (গবেষণা) করে না? নাকি তাদের অন্তরসমূহের উপর তালাবদ্ধ রয়েছে। মুহাম্মাদ, ৪৭/২৪

أَفَلا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ وَلَوْ كَانَ مِنْ عِنْدِ غَيْرِ اللَّهِ لَوَجَدُوا فِيهِ اخْتِلافًا كَثِيرًا
তবে কি তারা কুরআন সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা (গবেষণা) করে না? আর যদি তা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও নিকট থেকে হতো, তবে অবশ্যই তারা তাতে অনেক বৈপরীত্য দেখতে পেত। আন-নিসা, ৪/৮২

كِتَابٌ أَنْزَلْنَاهُ إِلَيْكَ مُبَارَكٌ لِيَدَّبَّرُوا آيَاتِهِ وَلِيَتَذَكَّرَ أُولُو الألْبَابِ
এটি একটি বরকতময় কিতাব, যা আমি তোমার প্রতি বরকত হিসেবে অবতীর্ণ করেছি, যাতে তারা এর আয়াতসমূহ নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা (গবেষনা) করে আর অবশ্যই বোধশক্তিসম্পন্ন বুদ্ধিমান ব্যক্তিরাই উপদেশ গ্রহণ করবে। সোয়াদ, ৩৮/২৯

بِالْبَيِّنَاتِ وَالزُّبُرِ وَأَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الذِّكْرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيْهِمْ وَلَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ
(তাদের প্রেরণ করেছি) স্পষ্ট প্রমাণাদি ও কিতাবসমূহ দিয়ে এবং আমি তোমার প্রতি অবতীর্ণ করেছি উপদেশ (কুরআন) যেন তুমি মানুষকে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দিতে পার, যা তাদের নিকট অবতীর্ণ করা হয়েছে আর হয়ত তারা চিন্তা-ভাবনা করবে। আন্‌-নাহ্‌ল, ১৬/৪৪

لَوْ أَنْزَلْنَا هَذَا الْقُرْآنَ عَلَى جَبَلٍ لَرَأَيْتَهُ خَاشِعًا مُتَصَدِّعًا مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ وَتِلْكَ الأمْثَالُ نَضْرِبُهَا لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ
যদি আমি এই কুরআনকে পাহাড়ের ওপর অবতীর্ণ করতাম তাহলে অবশ্যই তুমি তাকে দেখতে আল্লাহর ভয়ে বিনীত ও বিদীর্ণ হয়ে গেছে; এবং এইসব দৃষ্টান্ত আমি বর্ণনা করি মানুষের জন্য যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে। আল-হাশর, ৫৯/২১

إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ
নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল লোকদের জন্য। আর-রাদ, ১৩/৩, ৩০/২১, ৩৯/৪২, ৪৫/১৩

إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَةً لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ
নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল লোকদের জন্য। আন্-নাহল, ১৬/১১, ১৬/৬৯

মন্তব্যঃ আমাদেরকে কুরআন থেকে উপদেশ নিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। যদি আমরা তা না করি তাহলে কুরআনের বিরোধিতা করা হবে আর যারা কুরআনের বিরোধিতা করবে, আল্লাহ তাদের বিরোধিতা আরও বাড়িয়ে দেবেন। আল্লাহ যেন আমাদেরকে কুরআনের বিরোধিতা করা থেকে হেফাজত করেন। আমিন

তথ্যসূত্র :
বই: ওয়াহীর জ্ঞান। সংকলন: মোহাম্মদ সাইদুর রহমান; সম্পাদনা: অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক; প্রকাশনায়: তাওহীদ পাবলিকেশন্স। পঞ্চদশ অধ্যায়ঃ কুরআন; পৃষ্ঠাঃ ৪৯৫ হতে ৫০২ পর্যন্ত।
আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?৫৪:১৭
কুরআনকে সহজ করার মানেটা কী আসলে? | অবশ্যই আমি আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছি সেই লোকদের জন্য যারা দৃঢ় বিশ্বাস রাখে। আল-বাকারাহ কুরআনকে সহজ করার মানেটা কী আসলে? | অবশ্যই আমি আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছি সেই লোকদের জন্য যারা দৃঢ় বিশ্বাস রাখে। আল-বাকারাহ Reviewed by Dr.Mira Hasan on May 09, 2020 Rating: 5
Powered by Blogger.