বাংলাদেশের সুন্দর জায়গার গ্রামের প্রকৃতির ছবি ডাউনলোড

বাংলাদেশের সুন্দর জায়গার  গ্রামের প্রকৃতির ছবি ডাউনলোড ২০২০


বাংলাদেশ সবুজতার দেশ। যদিও ধিরে ধিরে নগরায়নের ফলে সবুজতা হারিয়ে যাচ্ছে তবুও এখনো বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন ক্যামেরায় উঠে আসে বাংলার সৌন্দর্য ।
এমন কিছু সুন্দর ছবি নিয়ে আজকের পোস্ট।
ছবি গুলো IG এর বিভিন্ন আইডি থেকে নেওয়া তাই একক ভাবে কাউকে ক্রেডিট দিচ্ছি না। ছবি তে ছবিওয়ালাদের নাম আছে অনেক গুলোর।
ধন্যবাদ আপনাদের।

বাংলাদেশের সুন্দর প্রকৃতির ছবি








দিনবদলের সাথে সাথে সেই সময় টা হারিয়ে গেছে, যখন ডাকবাক্সের ভিতরে হাজারো চিঠির স্মৃতি, ডাকবাক্স ভরে থাকতো একসময়।

সেই সময়টা কতই না মধুর ছিল, একজন ভালোবাসার মানুষ তার প্রিয় মানুষটিকে যখন চিঠি লিখত সেই চিঠি ডাকবাক্সে ফেলে অপেক্ষা করতো কবে আসবে আমার সেই চিঠির কথার উত্তর।

ইস কত অপেক্ষা ছিল, কিন্তু এই অপেক্ষার ভিতরে ভালোবাসাটা অনেক গভীর হয়ে যেতো।ভাবতো আমার প্রিয় মানুষটি তার চিঠিতে আমার জন্য কি লিখবে, তার উত্তর টা কেমন হবে, হয়তো সেটাই ছিল প্রকৃত ভালোবাসা। আজ হয়তো সেই প্রকৃত ভালোবাসা খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। 

এই আধুনিক যুগে সোশ্যাল মিডিয়াতে হয়তো প্রকৃত ভালোবাসা খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে গিয়েছে, বেশি দেখা যায় আজকের দিনের ভালোবাসা দুইদিন থাকে তিন দিনে হারিয়ে যায়, কিন্তু এর ভিতরে হয়তো কিছু প্রকৃত ভালোবাসা লুকিয়ে আছে, হয়তো অনেক কম কিন্তু সেই আগের মত নয়।
এখন ডাকঘরে গেলে আর সেই আগের মতো চিঠি নেই, নেই সেই ভালোবাসার কিছু কথা নিজের হাতে লেখা স্মৃতি।

সময়ের সাথে সাথে আজকে এমন হয়ে গিয়েছে নেই সেই কাগজে হাতে লেখার চিঠি, নেই অনুভূতিযেখানে রাত জেগে একজন ভালোবাসার মানুষ তার প্রিয় মানুষটির জন্য অনেক চিন্তা করে কিছু কথা লিখার চেষ্টা করত নিজের হাতে। আজকে সেই দিনটা আর নেই। খুব ইচ্ছে করে যদি সেই আগের স্মৃতি গুলো আমরা ফিরে পেতাম।

আমরা একটু কল্পনা করলেই বুঝতে পারবো সেই ভালবাসাগুলো কেমন ছিল, আর আজকের সোশ্যাল মিডিয়ার ভালোবাসাটা কেমন।
আধুনিকতার সাথে সাথে সবকিছু পরিবর্তন হয়ে দিন দিন।।।
bangladesh.photographer/









ডাবল ডেকার এর উপরে ভাঙ্গা গ্লাসের সামনে বসে যখন ঐ নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি, ওই নীল-নীলিমার আকাশ ঝলমল করে উঠেছে। আর লাল টুকটুকে ডাবল ডেকার এর মতন সামনের ফুটওভার ব্রিজ লাল টুকটুকে হয়ে জ্বলতেছে।

মনে হচ্ছে ওই ব্রিজের উপরে দাঁড়িয়ে ওই নীল আকাশটাকে একটু ছুঁয়ে দেখি আকাশ আমায় কিছু বলতে চায় কিনা।

এই ব্যস্ত শহরের রাস্তাতে আমাদের ফুটওভার ব্রিজ সব সময় ব্যবহার করা উচিত, সময় থেকে জীবনের মূল্য টা অনেক বেশি, কিন্তু আমরা কেউ এটা বুঝতে চাই না।।

আর এই ডাবল ডেকার এর মধ্য থেকে ওই নীল আকাশের দিকে তাকালে অনেক কিছু অনুভব করা যায়।
মনে হয় আকাশের ওই নীল-নীলিমার মাঝে ডুবে যায় অনুভূতির সাথে সবকিছু হারিয়ে যায়।






বাংলাদেশের সুন্দর জায়গার ছবি








এই উঁচু ইট পাথরের দালান এর ভিড়ে রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে ওই নীল আকাশটাকে দুপাশে দালানের মাঝখান দিয়ে দেখতে অনেক ভালো লাগে।😊😊
এই ব্যস্ত শহরের রাস্তার মাঝে, ব্যস্ত মানুষদের ভিড়ে, নানান ইঞ্জিন চালিত যন্তের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হয়তো সুন্দর অনুভূতি খুঁজে পেতে গেলে আকাশের দিকে না তাকিয়ে পাওয়াটা কঠিন হয়ে যায়।☺☺
কারণ যেখানে নেই সবুজের সমারোহ, নেই পাহাড়, নেই গ্রামের সুন্দর প্রকৃতি হয়তো সেখানে শুধু ওই নীল আকাশে নীলিমায় দিকে তাকিয়ে নিঃশ্বাস নিলে একটু সুন্দর অনুভূতি অনুভব করা যায়। সেজন্যই এই ইট পাথরের উঁচু উঁচু দালালের ভিড়ে এই সুন্দর নীল আকাশটা একটু প্রশান্তি দেয়।।







বাংলাদেশের গ্রামের সুন্দর  ছবি পিকচার







আরো পরুনঃ
➤ভারতের আগ্রাসনে হারিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের নদী 




বিখ্যাত সোনারগাঁও দর্শনীয় স্থান এর ছবি ডাউনলোড


বাংলার তাজমহল -  সোনারগাঁও






সোনারগাঁও দর্শনীয় স্থান









সোনারগাঁও কি জন্য বিখ্যাত







স্বাস্থ্য, নারীশিক্ষা ও মানবাধিকার কর্মী মীনা তখন নতুন একটা জিনিস সম্পর্কে জেনেছে। ট্রাকটরের কার্বুরেটর। গাড়ি আটকে গেলে কয়েকবার কার্বুরেটর চাপলেই ইনজিন চালু হয়ে যায়। রেললাইনের ওপরে ট্রাকটর একদিন আটকে গেল। ঠিক এমন সময়ই প্যাঁ পুঁ করে এগিয়ে আসছে ট্রেন। মীনা তখন তার নতুন বিদ্যা কাজে লাগাবে৷ কার্বুরেটর চেপে ট্রাক্টর স্টার্ট দেওয়ার চেষ্টা করবে। জীবন-মৃত্যুর ব্যাপার! কার্বুরেটর চাপার আগে হৃদয়ের সবটুকু ইচ্ছা এক করে বলল,
"ইশশশ! যেন হয়!"

কেমন না কথাটা? আসলে এটা একটা দুআ। আপনি হলে এখানে বলতেন, "আল্লাহ! যেন হয়!" অথবা অন্য কেউ নিজ নিজ বিশ্বাস অনুযায়ী "আল্লাহ"র বদলে অন্য কোনো শব্দ বলতো। কিন্তু "যেন হয়!" এই দুআটা এমন কোনো সত্তার কাছে করাটাই স্বাভাবিক, যিনি দুআ শোনেন, কবুল করা বা না করার সামর্থ্য রাখেন।

কিন্তু যেহেতু মীনা কার্টুন দেখবে বিভিন্ন ধর্মের পরিবারের বাচ্চারা, তাই নির্মাতারা এই সংলাপটা নিয়ে ভালো বিপদে পড়লেন। অবশেষে সিদ্ধান্ত হলো "ইশ! যেন হয়!" রাখার। আল্লাহ/ঈশ্বর/ভগবান/গডের চমৎকার একটা সেক্যুলার বিকল্প। "ইশ্!"

আচ্ছা এই ডায়লগটাই না রাখলে কী হতো? নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে মীনা তো চুপচাপ কাজ শুরু করতে পারত। কিন্তু সর্বশক্তিমান কোনো সত্তার কাছে দুআ করাটা মানুষের ফিতরাত। চরম মাত্রায় সেক্যুলার হওয়ার পরও মানুষের মনের এক কোণায় এই হাহাকার রয়ে যায়। সে চায় সর্বময় কোনো শক্তি তার 'সহায়' হোক। আল্লাহ/ঈশ্বর/গড শব্দগুলোকে তাই তারা অন্য কিছু দিয়ে প্রতিস্থাপিত করে হলেও বলে।

তাই স্টার ওয়ার্সের চরিত্ররা পরস্পরকে দুআ করে দেয়, "মে দ্য ফোর্স বি উইথ ইউ।" দ্য ফোর্স আপনার সহায় হোন। আরেকটা সেক্যুলার দুআ। স্টার ওয়ার্সের নির্মাতাদের অন্তরের হাহাকারের প্রকাশ।

কেউ যদি সচেতন কোনো "ঈশ্বরে" বিশ্বাস না-ও করে, তবু সে বিশ্বাস করতে চায় যে, অন্তত অচেতন কোনো 'শক্তি' বিরাজমান আছে। সেই শক্তি পক্ষ নেয়, সন্তুষ্ট হয়, শক্তি জোগায়, বিজয় দেয়, রুষ্ট হয়, পরাজিত করে, চোক করে।

এই শূন্যতার হাহাকারে বন্দি মানুষগুলো বোঝে যে, এমন কোনো সত্তা যদি বাস্তবে না-ই থাকে, আমাদের সব শুভকামনা অর্থহীন। "ভালো থাকুন", "শুভ সকাল", "যাত্রা শুভ হোক", "টেইক কেয়ার", "গেট ওয়েল সুন" কিংবা "যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন।" এগুলো আমরা কেন বলি? এসব বলা-না বলায় কী আসে যায়? "ভালো থাকুন" বললেই কি সে ভালো থাকবে? আমি তাকে এ কথা না বললে সে কি স্বেচ্ছায় ভালো থাকার চেষ্টা করত না?

আসলে "ভালো থাকুন" বলে আমরা এমন কোনো সত্তার কাছে দুআ করি, যিনি ভালো রাখা বা না রাখার ক্ষমতা রাখেন। আসসালামু আলাইকুম বলে আমরা এমন কোনো সত্তার কাছে দুআ করি, যিনি শান্তি বর্ষিত করতে বা না করতে সক্ষম।

সুনিশ্চিত বিষয়টি (মৃত্যু) চলে আসার আগেই যেন আমরা সেই সত্তাকে চিনতে পারি। সেই সত্তার কাছেই দুআ করি, তিনি যেন আমাদেরকে তাঁকে চেনার সৌভাগ্য দেন। অজ্ঞতার অন্ধকার গুহার দেয়ালে দেয়ালে আমাদের ব্যর্থ হাহাকার যেন প্রতিধ্বনিত হয়ে ফিরে না আসে।
HujurHoye

Powered by Blogger.