ইসলামিক পিকচার ইমেজ Download ২০২০ | বাংলা ইসলামিক ছবি ফটো

ইসলামিক পিকচার ইমেজ Download ২০২০  | বাংলা ইসলামিক ছবি ফটো। কোরআন ও হাদিসের ছবি।   









আরো দেখুনঃ




ইসলামিক পিকচার 









কোরানের আয়াতের ছবি - কোরানের ছবি 













হাদিসের ছবি পিকচার 









বাংলা ইসলামিক ছবি ডাউনলোড ২০২০






বাংলা ইসলামিক ছবি ফটো ২০২০





বাংলা ইসলামিক বই 


পাঠকপুর ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ২ রিভিউ প্রতিযোগিতা ২০২০
বই - ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ২.০
লেখক - ডা. শামসুল আরেফিন
সম্পাদক- আসিফ আদনান
শারঈ সম্পাদক- আব্দুল্লাহ আল মাসউদ
প্রকাশক- সমর্পণ প্রকাশন

_____________________
'নারীমুক্তি', 'নারী স্বাধীনতা' শব্দগুলো শুনতে ভালোই শোনায়, অথচ, পুরো প্রক্রিয়াটা মনে হয় যেন একটা অবাস্তব, শৃঙ্খলে আবদ্ধ, সেই শৃঙ্খল না যায় দেখা, আর না যায় ভাঙ্গা।

"এত পড়াশুনা করছ কি অন্যের ঘরের হাড়ি ঠেলার জন্য? এই জন্যই কি বাপ মা এত কষ্ট করে পড়াইছে?"
"বাচ্চা পালার জন্য চাকরি ছেড়ে দিবা? স্বামীর ঘরে বসে বসে খাইলে বেশিদিন পাত্তা পাবা ভাবছ?"

এইসব কথা হরহামেশাই শুনতে হয় আমাদের মেয়েদেরকে।
তাহলে, মুক্তিটা আসলে কোথায়?

-মুক্তিটা হচ্ছে ইসলামে।

অথচ, ইসলামে নারীদের অবস্থান সম্পর্কে আমাদের প্রজন্মের মেয়েদের কি ধারনা?
- ইসলাম হল পুরুষবান্ধব, সেকেলে।
আর পশ্চিমা সভ্যতা হল আধুনিক, নারীবান্ধব।

মনের ভেতর এই রকম ধারনা করার পেছনে মূল কারণ?
-মেয়েরা ঘরের ভেতর তার মায়ের নিগৃহিত জীবন, আর টিভিতে পশ্চিমের বাঁধনহারা জীবন দেখতে দেখতে বড় হয়েছে। তুলনা করেছে৷ খুব স্বাভাবিক।

ইসলাম কি রকম মর্যাদার, প্রশান্তির, আরামের জীবন আমাদের নারীদেরকে দিয়েছিল, কিন্তু আমাদের 'হিন্দুয়ানী মুসলিম' সমাজ আমাদেরকে তা পেতে দেয়নি, সেই 'পুরুষজাতিগত- অপরাধবোধ' থেকেই এই পুরো বইটি লিখে ফেলেছেন ডা. শামসুল আরেফিন। গল্পের ঢঙে তিনি দেখাতে চেয়েছেন ইসলামের ব্যবহারিক প্রয়োগটা আসলে কেমন ছিল।

📌মূল বিষয়বস্তুঃ
'ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ২.০' বইটি গল্পের বই। ৬টি গল্প আছে এতে। তবে গল্পগুলো কোন সাধারন গল্প নয়। জাহিলিয়াত থেকে দ্বীনে ফিরে আসার গল্প। গল্পগুলোই এমনভাবে লেখা হয়েছে যাতে ইসলামের মূল ম্যাসেজটা উঠে এসেছে।

গল্পের মূল চরিত্র তিথি। ঢাবির জার্নালিজম ডিপার্টমেন্টে পড়ে। একজন দ্বীনি বোনের কাছ থেকে দ্বীনের বুঝ পেয়েছে।ইসলাম নারীদের যে অধিকার দিয়েছে, তিথি তা নিয়ে সন্তুষ্ট।

 কিন্তু, তিথির বান্ধবীরা নারীবাদীদের দ্বারা প্রভাবিত। তিথি তাদের দ্বীনের দাওয়াত দেয়। ইসলাম সম্পর্কে তাদের প্রশ্নের যথার্থ উত্তর দেয়। একপর্যায়ে একজন দ্বীনদ্বার ছেলের সাথে তিথির বিয়ে হয়ে যায়। গল্পগুলোতে তিথির সাথে অন্যদের সংলাপের মাধ্যমে লেখক নিজের কথাগুলোই তুলে ধরেছেন।


📌পাঠ্যানুভূতিঃ
লেখক গল্পের ঢঙে গল্পের চরিত্রগুলোকে দিয়ে নারীমুক্তি, নারীস্বাধীনতা, নারীশিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়নের মত জটিল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। যেসব বিষয় নিয়ে নাস্তিক, নারীবাদীরা ইসলামকে চ্যালেন্জ করে, সেসব চ্যালেন্জের জবাব তিনি দিয়েছেন খুবই সহজ ভাবে, সেইসাথে দিয়েছেন প্রচুর ইনফর্মেশন। 'নারী অধিকার'- এর উসিলায় পুজিবাদীরা কিভাবে নারীকে ব্যবহার করে, নারীশিক্ষার ধরনটা কেমন হওয়া উচিত, পরিবারে নারীর অবস্থান এসব নিয়ে খুবই সুন্দরভাবে গল্পের ঢঙে উপস্থাপন করেছেন।

📌ভাললাগাঃ
১. 'পরিশিষ্ট' অধ্যায়টা ভাল লেগেছে। জানার অনেক কিছু আছে এতে।
২. বইয়ের পাতায় পাতায় প্রচুর রেফারেন্স আছে৷ পাঠকের প্রয়োজন হলে তথ্যগুলো মূল সোর্সের সাথে মিলিয়ে নিতে পারবেন।
৩. বইয়ের কভার, বাইন্ডিং, পেজ মেকাপ খুবই উন্নতমানের।

📌বইটি যাদের জন্যঃ
১. যারা ইসলামকে সেকেলে, পুরুষতান্ত্রিক মনে করেন তাদের জন্য।
২. যারা নারীবাদী, ইসলাম প্রতিপক্ষ ভেবে প্রায়ই এটা সেটা নিয়ে চ্যালেন্জ ছোঁড়েন তাদের জন্য।
৩. যারা ইসলামে নারীর অবস্থান সম্পর্কে কম জানেন, তাদের জন্য।
৪.যারা ইসলামের বিধানকে নারীর উপর জুলুমের কারন মনে করেন তাদের জন্য।

📌শেষকথাঃ
বইটি একবারে পড়ে শেষ না করে প্রতিদিন অল্প অল্প করে পড়বেন। পারিবারিক হালাকায় বইটি একটু একটু করে পড়তে পারেন। ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারনা দূর করতে বইটি যত বেশি সম্ভব মানুষকে পড়তে দিবেন।
বইটির সাথে জড়িত সবাইকে আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিন।
- Marium Rakib

ইসলামিক পিকচার ছেলে মেয়ে 








বরিষে করোনা-ধারা (মুসলিম অনলি)
পর্ব ১৫
(পর্ব ১৪ সামনে আসবে)
স্পর্ধা ৩: বক্রতা, ইলহাদ
----------------------------------------
শারীআতে মুহাম্মাদীকে আল্লাহ তাআলা সুরক্ষিত রেখেছেন। কীভাবে সংরক্ষিত রেখেছেন, সেটা নিঃসন্দেহে আরেক মুজেযা। 

কী এক আশ্চর্য উপায়ে আল্লাহ
- তাঁর কালামকে সংরক্ষিত রেখেছেন (একেবারে নবীজীর জীবদ্দশা থেকে আজ অব্দি একটানা, লিখিত-মুখস্ত ২ ভাবেই, প্রতি প্রজন্মেই বহু-সংখ্যক লোকের দ্বারা)

- কালামের ভাষাকে সংরক্ষণ করেছেন (আরবি ভাষা দুনিয়ার সবচেয়ে 'অ-তরল' মানে কম পরিবর্তিত ভাষা, বিস্তারিত সামনে ইনশাআল্লাহ)
- কালামের ব্যাখ্যাকে সংরক্ষণ করেছেন (নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস। এটাও তাঁর জীবদ্দশা থেকে একটানা লিখিত-মুখস্ত, দুটোই।

 উদাহরণটা একটু কেমন হয়, তারপরও বলি। গার্মেন্টস থেকে প্রোডাক্ট ডেলিভারির সময় একটাতে খুঁত পেলে যেমন পুরো লট বাতিল, একেবারে তেমন করে সংরক্ষণ হয়েছে আল্লাহর রসূলের মুখের কথা)

- কালাম যার উপর নাযিল হয়েছে, তাঁর জীবন-চরিত কে সংরক্ষণ করেছেন। (হাদিসের মতো করেই)
- কালামের বুঝ সংরক্ষণ করেছেন। এই কালামের প্রথম ছাত্ররা যা বুঝেছেন, যেভাবে প্রয়োগ করেছেন শিক্ষক রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছ থেকে, সেটাকেও একইভাবে সংরক্ষণ করেছেন।

- প্রথম ছাত্রদের, তাদের ছাত্র, তাদের ছাত্র, তাদের ছাত্র এভাবে যারা যারা প্রতি জেনারেশনে তাঁর কালাম-ব্যাখ্যা-বুঝ-ইতিহাস বহন করে পরের জেনারেশনে পৌঁছে দিয়েছেন, তাঁদের সবার জীবন-চরিত, চরিত্র বিশ্লেষণ সংরক্ষণ করেছেন। এই শাস্ত্রের নাম 'আসমাউর রিজাল'।

ধরেন, নবীজীর এক হাদিস হঠাৎ করে উদয় হল, যেটা কেউ শোনেনি। তখনই সেটার উৎস খোঁজা হবে, কোন চেইনে (সনদ) কথাটা এলো। এই বর্ণনা চেইন ছাড়া একটা লাইনও পাত্তাই পাবেনা। 
নতুন করে কিছু ঢুকবার সুযোগই নেই। না, কালামের আয়াত, না হাদিস, না নতুন কোনো ব্যাখ্যা, না নতুন কোনো বুঝ। এরপর দেখা হবে, সেই চেইনে কারা কারা আছে, এই হাদিসের বাহক কারা প্রজন্মান্তরে।

 তাদের জীবনী সংরক্ষিত। বের করা হবে ৮০ ভল্যুম, ৬০ ভল্যুমের সেসব বই। এমন কেউ যদি চেইনে থাকে যার নাম এসব বইয়ে নেই (মাজহুল/অজ্ঞাত), নগদে সে হাদিস বাদ।

 এমন কেউ যদি থাকে যার নামে অবজেকশন আছে, হয় সে মিথ্যুক, নয় হাদিস জালের হিস্ট্রি আছে, সাথে সাথে বাদ।

 কী কী খুঁত থাকলে হাদিস বাদ হবে, কী খুঁত থাকলে বাদ হবে না তবে ওজন কমে যাবে, দালিলিক গুরুত্ব কমে যাবে।

 সবখানে সে হাদিস ব্যবহারযোগ্য থাকবে না। আকীদা প্রমাণের জন্য কোন লেভেলের হাদিস, বিধান প্রমাণের জন্য কোন লেভেল, উৎসাহ-সতর্কবাণী প্রমাণের জন্য কোন লেভেলের, ইতিহাস প্রমাণের জন্য কোন লেভেলের বর্ণনা নেয়া যাবে, এগুলো সব নীতিমালা করা রয়েছে।


সুতরাং মনে চাইল একটা হাদিস বানিয়ে ঢুকোলাম, একটা হাদিস মনমতো ব্যাখ্যা মেরে দিলাম, কুরআনের আয়াতের একটা ব্যাখ্যা দিয়ে দিলাম, সে সুযোগ ইসলামে নেই।

 ইসলাম হল আল্লাহ যা নাযিল করেছেন (কুরআন-হাদিস), নবীজী যা বুঝেছেন, যা বুঝিয়েছেন। সাহাবীরা যা বুঝেছেন-বুঝিয়েছেন।

 এটুকু যুগের সাথে সম্পর্কিত নয়। কুরআন সেই যুগে নবী এটা বুঝেছেন, সাহাবীদের এটা বুঝিয়েছেন।

 আজকের যুগে আমরা অন্যভাবে বুঝবো, সে সুযোগ নেই। কাণ্ডজ্ঞান খাটিয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত হাদিস, সুপ্রতিষ্ঠিত বুঝ বাইপাস করার সুযোগ নেই।


ইসলাম এসে যুগকে বদলায়, দেশকে বদলায়, মানুষকে বদলায়। যুগভেদে, দেশভেদে, জাতিভেদে ইসলাম বদলায় না। 

বর্তমান যুগের খাপে নবীজীর হাদিস সেট করতে চাই অনেকে, কুরআনের আয়াত সেট করতে চাই। এটা ভুল। 

বর্তমান যুগের খাপে কুরআন-হাদিস বসবে না, বরং কুরআন-হাদিস-আদি বুঝের খাপে যুগ বসবে। এটাই ইসলামের বৈশিষ্ট্য। 

সায়্যিদ কুতুব রহ. বলেছিলেন: 'ইসলাম ছাড়া বাকি সব জাহিলিয়্যাত। শুধু ইসলামই সভ্যতা'। আসলেই তাই। 

আজ আমরা জাহিলিয়্যাতকে পরম ধরে ইসলামকে ভ্যারিয়েবল নিচ্ছি।

অবিবাহিত নারী-পুরুষ সম্পর্ককে স্বাভাবিক ধরে নিয়ে তার থেকে সাহাবাদের 'কোর্টশিপ' টেনে বের করছি।

ব্যভিচারকে, সমকামকে, শিরক-কে একটা 'অধিকার' ধরে নিয়ে বলছি 'ইসলাম মানবাধিকারের কথা বলে'।

জন্ম-নিয়ন্ত্রণকে আগে অপরিহার্য ধরে নিয়ে এরপর সাহাবাদের আযল (withdrawl method) এর দলিল খুঁজে বের করছি। তাই বলে জায়েয হয়ে গেল পিল খাওয়া, যার রয়েছে ভয়াবহ শারীরিক ক্ষতি? জায়েয হয়ে গেল চামড়ার ইমপ্ল্যান্ট, ভ্যাসেকটমির মত সৃষ্টি-বিকৃতি?


জাতিরাষ্ট্র সীমাকে সর্বৈব পরম ধরে নিয়ে লজিক দিচ্ছি, তাহলে বাংলাদেশে জনসংখ্যা বেড়ে যাবে যে!


গণতন্ত্র-ধর্মনিরপেক্ষতা-মানববাদ-ব্যক্তিস্বাধীনতার খাপ অপরিবর্তনীয়। খালি আল্লাহর কালাম-রাসূলের হাদিস-সাহাবায়ে কেরামের বুঝই মোয়া? 

আল্লাহকেই আমার চিন্তার মাঝে ফিট হতে হবে? আল্লাহর রাসূলকেই আমার মানসিকতায় সেট হতে হবে? আমি আত্মসমর্পণ করছি, নাকি আল্লাহ-রাসূলকে বলছি আমার কাছে আত্মসমর্পণ করতে?


কুরআনের আয়াত, নবীজীর হাদিসের বক্র অর্থ করা এক বিশেষ প্রকারের কুফর। এমন অর্থ করা যা গত ১৪০০ বছরে আল্লাহ কর্তৃক সংরক্ষিত ঐ বিধানের চেহারা-অর্থ-বুঝ-স্বরূপ থেকে ভিন্ন। 

একে বলে 'ইলহাদ', যে করবে তাকে বলা হবে মুলহিদ। আমার আপনার মনের কাছে এগুলো আত্মসমর্পণ করে না। 

হয় আমি এগুলোর কাছে নিজেকে মিটিয়ে দেব, নচেৎ ইসলাম আমাকে সশব্দে ডিজ-ঔন করবে। এবং আমার বাকি সব আমল নষ্ট হয়ে যাবে। হাশর হবে কাফিরদের সাথে।

إِنَّ الَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِي آيَاتِنَا لَا يَخْفَوْنَ عَلَيْنَا ۗ أَفَمَن يُلْقَىٰ فِي النَّارِ خَيْرٌ أَم مَّن يَأْتِي آمِنًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ ۚ اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ ۖ إِنَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ 

(সূরা ফুসসিলাতঃ আয়াত ৪০ এর তাফসীর, তাফসীরে মাআরেফুল কুরআন দ্রষ্টব্য)

ইসলাম 'আধুনিক' 'সর্বাধুনিক' ধর্ম। এর মানে এটা নয় যে, বর্তমান আধুনিকতার সংজ্ঞায় ইসলামকে আসতে হবে। আপনার আমার আধুনিকতার খাপে ইসলামকে ঢুকতে হবে।

 বরং 'ইসলাম আধুনিক' মানে হল ইসলামটাই আধুনিক, বাকি সব অ-আধুনিক। আমাকে আপনাকেই আমাদের মূর্খতা থেকে ইসলামের আধুনিকতায় এসে ঢুকতে হবে। 

ইসলাম কোনো সমঝোতায় আসে না। আর যদি আমি আমার কুফরী চিন্তা-চেতনা, জাহেলী জীবন-বোধ,

 জুলমী-সিস্টেম এর সাথে ইসলামের সমঝোতা চাই, তবে যেন আমি জেনে নিই 'লাকুম দীনুকুম ওয়া লিয়া দীন'। 

আমার জাহেলী দীন, আমার সোকল্ড আধুনিক চিন্তাচেতনার সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। ইসলাম ইসলামের মতো, আমি আমার মতো।

চলবে ইনশাআল্লাহ
#বরিষে_করোনা_ধার
- Shamsul Arefin Shakti
ইসলামিক পিকচার ইমেজ Download ২০২০ | বাংলা ইসলামিক ছবি ফটো ইসলামিক পিকচার ইমেজ Download ২০২০  | বাংলা ইসলামিক ছবি ফটো Reviewed by Dr.Mira Hasan on April 05, 2020 Rating: 5
Powered by Blogger.